ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ৫০ বছর পর জাঁকজমক ভাবে দশানী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা পালিত হয়েছে

  • সাদ্দাম হোসেন :
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৮৫ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

এই বছর জাঁকজমকভাবে দূ্গাপূজা পালন করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দশানী গ্রামের পূজামন্ডবের সভাপতি (সুবল দাস) কাছে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম তারা দীর্ঘ ৫০ বছর পর এই বছর জাঁকজমকভাবে শারদীয় দূর্গাপূজা পালন করেছে। তাদের আনন্দ চোখে মুখে ভেসে ওঠেছে। তাড়াছা উপজেলা প্রশাসন থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সহযোগিতা করেছে। এই বছর দূর্গাপূজা পরিপূর্ণ করতে প্রত্যেকটি পূজামন্ডবে দায়িত্ব পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব শ্যামল সূত্রধর জানান, যে-কোন বছরের তুলনায় এ বার আমরা ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহের মধ্যদিয়ে সবগুলো মন্ডবে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করছি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এবছর ১৩ টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ৪১টি পূজামন্ডব তৈরি হয়েছে। দুর্গা পুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মা দুর্গার আগমন মানেই আনন্দ, আলো আর ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই সময়ে সবাই চায় তার প্রিয়জনদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগ করে নিতে।
এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি রতন সাহা বলেন, এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সফল করতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা পাচ্ছি। নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আর্থিক অনুদান ও সহায়তা দিচ্ছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ৩৮৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, পিকআপ জব্দ

দীর্ঘ ৫০ বছর পর জাঁকজমক ভাবে দশানী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা পালিত হয়েছে

আপডেট সময় ১০:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

এই বছর জাঁকজমকভাবে দূ্গাপূজা পালন করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দশানী গ্রামের পূজামন্ডবের সভাপতি (সুবল দাস) কাছে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম তারা দীর্ঘ ৫০ বছর পর এই বছর জাঁকজমকভাবে শারদীয় দূর্গাপূজা পালন করেছে। তাদের আনন্দ চোখে মুখে ভেসে ওঠেছে। তাড়াছা উপজেলা প্রশাসন থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সহযোগিতা করেছে। এই বছর দূর্গাপূজা পরিপূর্ণ করতে প্রত্যেকটি পূজামন্ডবে দায়িত্ব পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব শ্যামল সূত্রধর জানান, যে-কোন বছরের তুলনায় এ বার আমরা ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহের মধ্যদিয়ে সবগুলো মন্ডবে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করছি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এবছর ১৩ টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ৪১টি পূজামন্ডব তৈরি হয়েছে। দুর্গা পুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মা দুর্গার আগমন মানেই আনন্দ, আলো আর ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই সময়ে সবাই চায় তার প্রিয়জনদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগ করে নিতে।
এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি রতন সাহা বলেন, এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সফল করতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা পাচ্ছি। নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আর্থিক অনুদান ও সহায়তা দিচ্ছেন।


প্রিন্ট