লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে কারাগারে থাকা যুবদল নেতাকে একাধিক মামলায় জড়ানো ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায়ও তাদের সন্তানকে আসামি করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের এক কর্মকর্তা তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।
জানা যায়, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লতিফপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: মিলন (পিতা: দেলোয়ার হোসেন, মাতা: বিলকিস বেগম) পূর্বে একটি রাজনৈতিক মামলায় অভিযুক্ত হন।
পরিবার সূত্রে দাবি, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দায়ের করা একটি ‘মিথ্যা’ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে। এর আগে তিনি প্রায় সাড়ে তিন বছর প্রবাসে ছিলেন এবং ১৪ আগস্ট ২০২৪ দেশে ফেরেন। দীর্ঘ ১৫ মাস কারাভোগের পর ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে জামিনে মুক্তি পান।
এদিকে, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় আবুল কালাম জহির প্রকাশ ‘বাবা জহির’ নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার সময় মিলন কারাগারে ছিলেন। অথচ জামিনে মুক্তির পর ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাজারে কাজ করতে গেলে ডিবি পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, ডিবি কার্যালয়ে এক কর্মকর্তা মিলনের কাছে পূর্বের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। একপর্যায়ে তাকে জহির হত্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে প্রথমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছে এলাকাবাসী।
প্রিন্ট
নিজস্ব সংবাদ : 



















