ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন Logo নাসিরনগরে বৃষ্টিতে সোনালী ধান পানির নিচে Logo আজমিরীগঞ্জে অতিবৃষ্টির কারনে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি। মোঃ আংগুর মিয়া

টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদনগর ২ নম্বর ব্লক লালু মিয়ার গলি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে এক অদৃশ্য মাদকের নেটওয়ার্ক। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মোহাম্মদ সেন্টু (পিতা: বাসেদ,মাতা: বিআইসি), যাকে ঘিরেই চলছে নানা অভিযোগ ও আলোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এই এলাকাটিতে দিন-রাতের নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিভিন্ন বয়সী তরুণদের ব্যবহার করে সরবরাহ ও খুচরা বিক্রির একটি চক্র গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সহজেই নজর এড়িয়ে চলছে পুরো কার্যক্রম।একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, “স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেরা এখন মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।”

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই মাদক ব্যবসা পরিচালনার পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছায়া থাকার গুঞ্জন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী গ্রুপ এই ব্যবসাকে টিকিয়ে রেখেছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনের অসাধু সদস্যদের ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এবং বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও তা স্থায়ী প্রভাব ফেলছে না বলে দাবি তাদের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে মাদক সহজলভ্য হয়ে গেলে একটি প্রজন্ম মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। এর প্রভাব শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সমাজ ব্যবস্থার ওপর পড়ে বাড়ে চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতা।জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এলাকায় নিয়মিত অভিযান জোরদার করা।তরুণদের পুনর্বাসন ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো এরশাদনগরের এই পরিস্থিতি শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ।

টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা

আপডেট সময় ০৭:০০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদনগর ২ নম্বর ব্লক লালু মিয়ার গলি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে এক অদৃশ্য মাদকের নেটওয়ার্ক। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মোহাম্মদ সেন্টু (পিতা: বাসেদ,মাতা: বিআইসি), যাকে ঘিরেই চলছে নানা অভিযোগ ও আলোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এই এলাকাটিতে দিন-রাতের নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিভিন্ন বয়সী তরুণদের ব্যবহার করে সরবরাহ ও খুচরা বিক্রির একটি চক্র গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সহজেই নজর এড়িয়ে চলছে পুরো কার্যক্রম।একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, “স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেরা এখন মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।”

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই মাদক ব্যবসা পরিচালনার পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছায়া থাকার গুঞ্জন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী গ্রুপ এই ব্যবসাকে টিকিয়ে রেখেছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনের অসাধু সদস্যদের ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এবং বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও তা স্থায়ী প্রভাব ফেলছে না বলে দাবি তাদের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে মাদক সহজলভ্য হয়ে গেলে একটি প্রজন্ম মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। এর প্রভাব শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সমাজ ব্যবস্থার ওপর পড়ে বাড়ে চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতা।জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এলাকায় নিয়মিত অভিযান জোরদার করা।তরুণদের পুনর্বাসন ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো এরশাদনগরের এই পরিস্থিতি শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট