ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ০ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ঈদের ছুটির প্রথম দিনে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তরবঙ্গগামী প্রতিটি ট্রেনেই অতিরিক্ত যাত্রীচাপ দেখা গেছে। ট্রেনে তীল ধারণের ঠাঁই নেই। ছাদেও চেপে বসেছেন অসংখ্য যাত্রী।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া প্রতিটি ট্রেনই কমলাপুর স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে গেছে। শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় রেলপথের যাত্রীরা উচ্ছাস প্রকাশ করেন।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ট্রেনের টিকিট শতভাগ অনলাইনে টিকিট হয়েছে। এখন দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি ১০০টি আসনের বিপরীতে ২৫ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে পারবেন।

এদিকে রাজধানীর গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়ছে হাজারো মানুষ। তবে এই যাত্রায় একদিকে যেমন আছে স্বস্তি, অন্যদিকে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ও যানজটের শঙ্কাও আছে।

ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে নদীপথে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। ছুটির প্রথম দিনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘাটে আসতে শুরু করেন তারা। টিকিট সংগ্রহ থেকে শুরু করে লঞ্চে ওঠা—সবখানেই ছিল ব্যস্ততা আর উৎসবের আমেজ।

দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে একের পর এক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলাচল করছে লঞ্চগুলো। স্বস্তির বিষয়, অন্যান্য সময়ের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটির প্রথম দিনে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তরবঙ্গগামী প্রতিটি ট্রেনেই অতিরিক্ত যাত্রীচাপ দেখা গেছে। ট্রেনে তীল ধারণের ঠাঁই নেই। ছাদেও চেপে বসেছেন অসংখ্য যাত্রী।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া প্রতিটি ট্রেনই কমলাপুর স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে গেছে। শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় রেলপথের যাত্রীরা উচ্ছাস প্রকাশ করেন।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ট্রেনের টিকিট শতভাগ অনলাইনে টিকিট হয়েছে। এখন দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি ১০০টি আসনের বিপরীতে ২৫ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে পারবেন।

এদিকে রাজধানীর গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়ছে হাজারো মানুষ। তবে এই যাত্রায় একদিকে যেমন আছে স্বস্তি, অন্যদিকে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ও যানজটের শঙ্কাও আছে।

ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে নদীপথে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। ছুটির প্রথম দিনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘাটে আসতে শুরু করেন তারা। টিকিট সংগ্রহ থেকে শুরু করে লঞ্চে ওঠা—সবখানেই ছিল ব্যস্ততা আর উৎসবের আমেজ।

দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে একের পর এক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলাচল করছে লঞ্চগুলো। স্বস্তির বিষয়, অন্যান্য সময়ের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা।


প্রিন্ট