ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আশুলিয়ায় তাজরীন গার্মেন্টস ট্রাজেডির ১৩ বছর আজ

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় তাজরীন গার্মেন্টস ট্রাজেডির ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন আহত নিহত শ্রমিক ও তার পরিবার । শ্রমিক নেতাদের দাবি আলাপ আলোচনা শ্রদ্ধা আর গণমাধ্যমের প্রচারে আটকে আছে তাজরীন ট্রাজেডি। অথচ মূল হোতা কারখানার মালিক দেলোয়ার সহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় হতাশ শ্রমিক নেতা ও আহত নিহতের পরিবারবর্গে।

২০১২ সালের ২৪ শে নভেম্বর সন্ধ্যা ০৬ঃ৪৫ মিনিট। আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশন কারখানায় জলে ওঠে আগুনের লেলিহান শিখা । মুহূর্তেই মধ্যেই সেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে ভবন জুড়ে। তখন কারখানায় কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক। বাইরে থেকে তালা বন্ধ থাকায় বের হতে পারেননি শ্রমিকরা । আগুন কেড়ে নেয় অনেক তাজা প্রাণ। আবার কেউ ভবন থেকে লাফ দিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ সহ আহত হয় প্রায় ২শতাধিক শ্রমিক।

সোমবার সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন গার্মেন্টসের সামনে নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আহত শ্রমিকরা উপস্থিত হয়ে জানান তাদের মনের কষ্টের কথা। তাদের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে পুরন করেনি কেউ। তাইতো পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নিয়ে বসে আছেন আহত শ্রমিকরা।

এঘটনায় প্রাণ হারান ১১৪ শ্রমিক, আহত হন ২০০জন । বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা এখনো বয়ে বেরাচ্ছেন সেদিনের দুঃসহ স্মৃতি। শরীরে যন্ত্রণা এবং সংসারে অভাব অনটন নিয়ে চলছে জীবন যুদ্ধ। কিন্তু দোষীদের শাস্তি না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ তারা। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছিন শ্রমিকরা।

শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানালেন এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সরকার এবং বিজিএম এর কাছ থেকে মেলেনি তেমন কোন সহায়তা। পুনর্বাসন এবং সুচিকিৎসা পাননি হতাহতরা। তবে বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা অনেক বলে দাবী করেন নেতারা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বিএনপি দলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আশুলিয়ায় তাজরীন গার্মেন্টস ট্রাজেডির ১৩ বছর আজ

আপডেট সময় ০২:৫২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় তাজরীন গার্মেন্টস ট্রাজেডির ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন আহত নিহত শ্রমিক ও তার পরিবার । শ্রমিক নেতাদের দাবি আলাপ আলোচনা শ্রদ্ধা আর গণমাধ্যমের প্রচারে আটকে আছে তাজরীন ট্রাজেডি। অথচ মূল হোতা কারখানার মালিক দেলোয়ার সহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় হতাশ শ্রমিক নেতা ও আহত নিহতের পরিবারবর্গে।

২০১২ সালের ২৪ শে নভেম্বর সন্ধ্যা ০৬ঃ৪৫ মিনিট। আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশন কারখানায় জলে ওঠে আগুনের লেলিহান শিখা । মুহূর্তেই মধ্যেই সেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে ভবন জুড়ে। তখন কারখানায় কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক। বাইরে থেকে তালা বন্ধ থাকায় বের হতে পারেননি শ্রমিকরা । আগুন কেড়ে নেয় অনেক তাজা প্রাণ। আবার কেউ ভবন থেকে লাফ দিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ সহ আহত হয় প্রায় ২শতাধিক শ্রমিক।

সোমবার সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন গার্মেন্টসের সামনে নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আহত শ্রমিকরা উপস্থিত হয়ে জানান তাদের মনের কষ্টের কথা। তাদের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে পুরন করেনি কেউ। তাইতো পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নিয়ে বসে আছেন আহত শ্রমিকরা।

এঘটনায় প্রাণ হারান ১১৪ শ্রমিক, আহত হন ২০০জন । বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা এখনো বয়ে বেরাচ্ছেন সেদিনের দুঃসহ স্মৃতি। শরীরে যন্ত্রণা এবং সংসারে অভাব অনটন নিয়ে চলছে জীবন যুদ্ধ। কিন্তু দোষীদের শাস্তি না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ তারা। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছিন শ্রমিকরা।

শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানালেন এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সরকার এবং বিজিএম এর কাছ থেকে মেলেনি তেমন কোন সহায়তা। পুনর্বাসন এবং সুচিকিৎসা পাননি হতাহতরা। তবে বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা অনেক বলে দাবী করেন নেতারা।


প্রিন্ট