ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অটোরিক্সায় মাদক পরিবহন; ১৪ (চৌদ্দ) কেজি গাঁজাসহ ০১ মাদক কারবারী গ্রেফতার Logo বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ৩৮৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, পিকআপ জব্দ Logo পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম Logo অবহেলা হারিয়ে যাচ্ছে আলীয়াবাদ-মাঝিকাড়া খাল Logo কোস্ট গার্ডের অভিযানে ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলে উদ্ধার Logo বাড়তি ভাড়া নিলে সরাসরি জানাবেন: যোগাযোগ নাম্বার নাই আইজিপি Logo গাজীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড় Logo কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবি বিতরণ Logo ট্রাম্প-শি বৈঠক কি শেষ পর্যন্ত হবে?

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

গাজার অবরুদ্ধ উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মাঝে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার করা হচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র হামলা ও বিমানবর্ষণের পর নির্দিষ্ট এলাকায় সেনারা সরে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা নিরাপদভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারছেন।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) গাজার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে ১৫৫টি লাশ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১৩৫টি মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর এই উদ্ধার অভিযান সম্ভব হয়। বোমাবর্ষণ বন্ধ এবং ইসরায়েলি সেনারা জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা লাশ উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

ওয়াফা নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ৪৩টি লাশ গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ৬০টি লাশ আল-আহলি আরব হাসপাতালে, ৪টি নুসেইরাতের আল-আওদা হাসপাতালে, ১৬টি দেইর এল-বালার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে এবং ৩২টি লাশ খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল দখলদারদের হামলায় নতুন করে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন। গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলে ভোরে ঘাবুন পরিবারের ওপর হামলায় একসঙ্গে ১৬ জন নিহত হয়। এছাড়াও রাদওয়ান এলাকায় একজন, খান ইউনিসে আরও দুজন নিহত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও এই ধরনের হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে কি না তা স্পষ্ট নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুক্রবার দুপুর থেকে কার্যকর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত এবং কিছু মৃত জিম্মির লাশ ফেরত দেবে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অটোরিক্সায় মাদক পরিবহন; ১৪ (চৌদ্দ) কেজি গাঁজাসহ ০১ মাদক কারবারী গ্রেফতার

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

আপডেট সময় ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

গাজার অবরুদ্ধ উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মাঝে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার করা হচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র হামলা ও বিমানবর্ষণের পর নির্দিষ্ট এলাকায় সেনারা সরে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা নিরাপদভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারছেন।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) গাজার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে ১৫৫টি লাশ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১৩৫টি মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর এই উদ্ধার অভিযান সম্ভব হয়। বোমাবর্ষণ বন্ধ এবং ইসরায়েলি সেনারা জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা লাশ উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

ওয়াফা নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ৪৩টি লাশ গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ৬০টি লাশ আল-আহলি আরব হাসপাতালে, ৪টি নুসেইরাতের আল-আওদা হাসপাতালে, ১৬টি দেইর এল-বালার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে এবং ৩২টি লাশ খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল দখলদারদের হামলায় নতুন করে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন। গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলে ভোরে ঘাবুন পরিবারের ওপর হামলায় একসঙ্গে ১৬ জন নিহত হয়। এছাড়াও রাদওয়ান এলাকায় একজন, খান ইউনিসে আরও দুজন নিহত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও এই ধরনের হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে কি না তা স্পষ্ট নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুক্রবার দুপুর থেকে কার্যকর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত এবং কিছু মৃত জিম্মির লাশ ফেরত দেবে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা


প্রিন্ট