ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে চোর ও ছিনতাইকারী চক্ Logo নির্বাচন উপলক্ষে সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ডের টহল জোরদার Logo আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী Logo নাসিরনগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন Logo দ্য উইকে সাক্ষাৎকার জামায়াত প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল: ডা. শফিকুর রহমান Logo নির্বাচন বানচালে ভারতের নীলনকশা, বড় হামলার ছক ওয়াসিম সিদ্দিকী Logo নাসিরনগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকা থেকে বিদেশি গান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে বিজিবি Logo ২০ বছর পর বরিশালে জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান।

সাংবাদিক তুহিন হত্যা: সিসিটিভি দেখে শনাক্ত, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৯৫ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মিজান ওরফে কেটু মিজান, তাঁর স্ত্রী গোলাপি, মো. স্বাধীন এবং আল–আমিন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁদের শনাক্ত করা হয়। তাঁরা সকলে একটি ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন টিম অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিকে গ্রেপ্তার করে। একই রাতে গাজীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে স্বাধীন এবং ঢাকার তুরাগ থানা এলাকা থেকে আল–আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুর নগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ৫–৬ জন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। দৌড়ে রক্ষা পেতে তিনি ঈদগাহ মার্কেটের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

পরদিন শুক্রবার সকালে নিহত সাংবাদিকের বড় ভাই মো. সেলিম হোসেন বাসন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধান চলছে


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে চোর ও ছিনতাইকারী চক্

সাংবাদিক তুহিন হত্যা: সিসিটিভি দেখে শনাক্ত, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মিজান ওরফে কেটু মিজান, তাঁর স্ত্রী গোলাপি, মো. স্বাধীন এবং আল–আমিন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁদের শনাক্ত করা হয়। তাঁরা সকলে একটি ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন টিম অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিকে গ্রেপ্তার করে। একই রাতে গাজীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে স্বাধীন এবং ঢাকার তুরাগ থানা এলাকা থেকে আল–আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুর নগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ৫–৬ জন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। দৌড়ে রক্ষা পেতে তিনি ঈদগাহ মার্কেটের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

পরদিন শুক্রবার সকালে নিহত সাংবাদিকের বড় ভাই মো. সেলিম হোসেন বাসন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধান চলছে


প্রিন্ট