ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক
শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এমএ খালেক।

বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির জন্য বড় বাধা দূর হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধানকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের পর থেকেই এ বিষয়ে নানা জল্পনা চলছিল।
গত ৬ জানুয়ারি বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে এমএ খালেকের বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ নতুন করে শুরু হয়। ওই বৈঠকের পরই এমএ খালেকের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং তাকে দেওয়া আশ্বাস নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে এমএ খালেক জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তার প্রতি সম্মান দেখিয়েই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠকের কথা উল্লেখ করে এমএ খালেক বলেন, দেশের স্বার্থে আমাকে ত্যাগ স্বীকার করতে বলেছেন তারেক রহমান। তিনি খুব বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি আমাকে সম্মানজনক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল খালেক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে আসনটি জোটকে ছেড়ে দেওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএ খালেক ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে বাছাইয়ে বাদ পড়ে মেহেদী হাসানের মনোনয়ন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক

আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক
শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এমএ খালেক।

বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির জন্য বড় বাধা দূর হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধানকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের পর থেকেই এ বিষয়ে নানা জল্পনা চলছিল।
গত ৬ জানুয়ারি বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে এমএ খালেকের বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ নতুন করে শুরু হয়। ওই বৈঠকের পরই এমএ খালেকের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং তাকে দেওয়া আশ্বাস নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে এমএ খালেক জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তার প্রতি সম্মান দেখিয়েই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠকের কথা উল্লেখ করে এমএ খালেক বলেন, দেশের স্বার্থে আমাকে ত্যাগ স্বীকার করতে বলেছেন তারেক রহমান। তিনি খুব বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি আমাকে সম্মানজনক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল খালেক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে আসনটি জোটকে ছেড়ে দেওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএ খালেক ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে বাছাইয়ে বাদ পড়ে মেহেদী হাসানের মনোনয়ন।


প্রিন্ট