ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নির্বাচন বানচালে ভারতের নীলনকশা, বড় হামলার ছক ওয়াসিম সিদ্দিকী Logo নাসিরনগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকা থেকে বিদেশি গান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে বিজিবি Logo ২০ বছর পর বরিশালে জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান। Logo আমাদের সাইবার টিম তাদের গলা টিপে ধরেছে: জামায়াত আমির Logo পুতিনের তেল নাকি ট্রাম্পের ছাড়—কোন দিকে ঝুঁকবে ভারত? Logo নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ Logo নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সামনে থেকে জুনায়েদ সাকী নামে এক রাজস্ব কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। Logo নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল পৌরসভার গ্যারেজে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে Logo বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার আটক, যা বললেন জামায়াত আমির

জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৬ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক
শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এমএ খালেক।

বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির জন্য বড় বাধা দূর হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধানকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের পর থেকেই এ বিষয়ে নানা জল্পনা চলছিল।
গত ৬ জানুয়ারি বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে এমএ খালেকের বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ নতুন করে শুরু হয়। ওই বৈঠকের পরই এমএ খালেকের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং তাকে দেওয়া আশ্বাস নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে এমএ খালেক জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তার প্রতি সম্মান দেখিয়েই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠকের কথা উল্লেখ করে এমএ খালেক বলেন, দেশের স্বার্থে আমাকে ত্যাগ স্বীকার করতে বলেছেন তারেক রহমান। তিনি খুব বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি আমাকে সম্মানজনক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল খালেক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে আসনটি জোটকে ছেড়ে দেওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএ খালেক ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে বাছাইয়ে বাদ পড়ে মেহেদী হাসানের মনোনয়ন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন বানচালে ভারতের নীলনকশা, বড় হামলার ছক ওয়াসিম সিদ্দিকী

জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক

আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

সাকিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির এমএ খালেক
শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এমএ খালেক।

বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির জন্য বড় বাধা দূর হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধানকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের পর থেকেই এ বিষয়ে নানা জল্পনা চলছিল।
গত ৬ জানুয়ারি বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে এমএ খালেকের বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ নতুন করে শুরু হয়। ওই বৈঠকের পরই এমএ খালেকের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং তাকে দেওয়া আশ্বাস নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে এমএ খালেক জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তার প্রতি সম্মান দেখিয়েই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠকের কথা উল্লেখ করে এমএ খালেক বলেন, দেশের স্বার্থে আমাকে ত্যাগ স্বীকার করতে বলেছেন তারেক রহমান। তিনি খুব বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি আমাকে সম্মানজনক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল খালেক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে আসনটি জোটকে ছেড়ে দেওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএ খালেক ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে বাছাইয়ে বাদ পড়ে মেহেদী হাসানের মনোনয়ন।


প্রিন্ট