ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে বিনোদপুরে মানববন্ধনঃ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষককে শারীরিক নির্যাতনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

রবিবার  (৭ ডিসেম্বর ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন।

সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রধান শিক্ষিকা তার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি জানান, “আমি তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে বাইরে থেকে লোকজন এনে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতির সময় তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে অভিভাবকদের আমার সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও খারাপ কথা বলেন।”

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে অভিভাবকদের স্কুল এলাকা ত্যাগ করতে বলায় প্রধান শিক্ষিকা তাকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাকে চোখ উপড়ে ফেলার হুমকিও দেন। ভয়ে দৌড়ে পালানোর সময় সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে আঘাত পান বলে জানান আফরোজা খাতুন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রধান শিক্ষিকা প্রায়ই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিদ্যালয়ের আশপাশে বসবাস করায় এসব ঘটনা তারা নিয়মিত দেখছেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিদ্যালয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং নিয়মিত ক্লাস নেন না। কোনো বিষয়ে জানতে চাইলে অভিভাবকদের সঙ্গেও তিনি দুর্ব্যবহার করেন বলে দাবি তাদের।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। আমাকে ফাঁসাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে ইতোমধ্যে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে বিনোদপুরে মানববন্ধনঃ

আপডেট সময় ০৮:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষককে শারীরিক নির্যাতনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

রবিবার  (৭ ডিসেম্বর ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন।

সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রধান শিক্ষিকা তার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি জানান, “আমি তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে বাইরে থেকে লোকজন এনে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতির সময় তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে অভিভাবকদের আমার সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও খারাপ কথা বলেন।”

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে অভিভাবকদের স্কুল এলাকা ত্যাগ করতে বলায় প্রধান শিক্ষিকা তাকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাকে চোখ উপড়ে ফেলার হুমকিও দেন। ভয়ে দৌড়ে পালানোর সময় সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে আঘাত পান বলে জানান আফরোজা খাতুন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রধান শিক্ষিকা প্রায়ই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিদ্যালয়ের আশপাশে বসবাস করায় এসব ঘটনা তারা নিয়মিত দেখছেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিদ্যালয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং নিয়মিত ক্লাস নেন না। কোনো বিষয়ে জানতে চাইলে অভিভাবকদের সঙ্গেও তিনি দুর্ব্যবহার করেন বলে দাবি তাদের।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। আমাকে ফাঁসাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে ইতোমধ্যে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট