ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় Logo বিএনপি’ দলের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার অধীনস্ত দায়িত্ব বণ্টন Logo ভারতে গঙ্গা নদীতে নৌকায় ইফতার আয়োজন, গ্রেপ্তার ১৪ Logo চট্টগ্রাম মহানগরে এনসিপির উদ্যোগে গণ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, Logo চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসীর পরিবারের বিরুদ্ধে বড় অভিযান, ছিনতাইয়ের সময় ভাই গ্রেপ্তার,ওয়ারেন্টে মা আটক Logo নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার **পদ্মা ও মেঘনা*** ডিপোতে আকস্মিক চমক বিএনপি’র প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। Logo পলাশে ঘরের ভিতর ২ যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo অটোরিক্সায় মাদক পরিবহন; ১৪ (চৌদ্দ) কেজি গাঁজাসহ ০১ মাদক কারবারী গ্রেফতার Logo বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ৩৮৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, পিকআপ জব্দ Logo পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট