ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস :

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট