ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভাঙ্গুড়ায় ৪৭ তম বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত Logo গংগাচড় উপজেলার ৩নং বড় বিল মন্থন বাজারে সরকারি কাজে অনিয়ম Logo ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বিএনপি দলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo হাসিনার আস্থাভাজন শিরীনের রহস্যঘেরা ২০ মাস Logo সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন হয়েছে, Logo আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৬—আইনি পদক্ষেপের দাবি!! Logo দুই বেলা চলবে সংসদ অধিবেশন, প্রয়োজনে শুক্রবারেও Logo ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন সার ডিলারকে জরিমানা Logo সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করতে বিএনপির দলের কমিশনের সভা শুরু Logo আরও বিধ্বংসী প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গুড়ায় ৪৭ তম বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

স্ত্রীর মাথায় ইটের আঘাত – কর্ণফুলীর সেই ঘাতক স্বামী অবশেষে র‌্যাবের ফাঁদে আটক

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার মূল আসামি ও পলাতক ঘাতক স্বামী মোঃ আজিজ মিয়া (৫০) অবশেষে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাতে বান্দরবান জেলার লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ৩০ জুলাই রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর স্বামী আজিজ মিয়ার সাথে পারিবারিক কলহের জেরে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আজিজ মিয়া ঘরের ইট দিয়ে স্ত্রীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা (মামলা নং-৩১, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলায় স্বামী আজিজ মিয়াকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৭ আসামিকে ধরতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আজিজ মিয়া আত্মগোপনে বান্দরবানের লামা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান— “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”


প্রিন্ট