পর্ব ১
(নাম না জানাতে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন জমির নাম জারি করে দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করেন ভূমি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কামরুল হাসান)
নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ কেন্দুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্ব রয়েছেন সহকারী কর্মকর্তা জনাব মোঃ কামরুল হাসান তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে,স্থানীয় সূত্রে জানা যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করছেন এবং সরকারি দায়িত্বের সুযোগে একটি দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ উঠেছে মোঃ কামরুল হাসান অবৈধ আবাসন কোম্পানির সঙ্গে সরকারি খাজনা ও মিউটেশন কেন্দ্রিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন ,খারিজের ভলিউম বইয়ের তথ্য অসাধু লোকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ওভার রাইটিং করা ও টাকার বিনিময়ে ভুয়া খারিজ প্রধানসহ সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে খারিজের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অর্থ দিতে বাধ্য করেন ,অর্থ না দিলে অন্যথায় তাদের কাজে বাধাগ্রস্ত করা ও খাজনা মিউটেশন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তাছাড়া,একাধিক সূত্রে জানা যায়, তিনি সাবেক স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের দোসর মোঃ কামরুল হাসান স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সিন্ডিকেট গড়ে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়েছেন । এছাড়াও আমরা জানতে পেরেছি তিনি ঢাকায় একাধিক বাড়ির মালিক হয়েছেন নামে বেনামে একাধিক ফ্লাটের মালিক হয়েছেন , এবং একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে ভি আই পি ভাবে চলাচল করেন ,এছাড়াও তিনি নিজ এলাকায় অজস্র টাকা পয়সার মালিক হয়েছেন তার ভাব গম্ভীর্য দেখলে মনে হয় হাজার কোটি টাকার মালিক ,সাধারণ মানুষকে তিনি মানুষ মনে করেন না তার অফিসে সরে জমিনে গেলে দেখা যায় সাধারণ সেবা প্রত্যাশী মানুষদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখেন এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সুষ্ঠু তদন্ত দাবি জানিয়েছেন এবং ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । তাদের মতে তিনি একজন দুর্নীতিবাজ সহকারি কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছেন যিনি জনগণের অধিকার খর্ব করেছেন এবং সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন এমন একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি জনগণের কখনো সেবা করতে পারেন না। তারা মোঃ কামরুল হাসান বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করার পাশাপাশি তাকে কেন্দুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া ভূমি অফিসের সেবা প্রদানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন আওয়ামী লীগের দোষর, সাবেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা কোন ক্ষমতার বলে এখনো বহাল তবিয়েতে এই ঘটনায় মোঃ কামরুল হাসান বিলাসবহুল জীবনযাপন একাধিক গাড়ির মালিক বনে যাওয়া ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে যা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে ,তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জনগণ ও স্থানীয় নেতারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে।
প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















