ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

ভাঙ্গুড়ায় প্রকল্পের শ্রমিকের ২৩ লাখ টাকা বিল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শ্রমিক ও ঠিকাদারের ২৩ লাখ টাকার বেশি বিল আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে খানমরিচ বাজার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়নের ২০২৩–২৪ ও ২০২৪–২৫ অর্থবছরের কাবিখা, কাবিটা, টিআরসহ বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক সংস্কার ও মাটির রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের দায়িত্ব ঠিকাদার মো. মাসুদ রানা আপেলকে দেওয়া হয়। তিনি কাজ সম্পন্ন করার পর পিআইসি চেয়ারম্যান প্রকল্পের বরাদ্দ উত্তোলন করলেও ঠিকাদারকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার মাসুদ রানা বলেন, ‘মুণ্ডুমালা থেকে দুধবাড়ীয়া পর্যন্ত ৫ হাজার ফুট রাস্তার কাজসহ মোট ২৩ লাখ টাকার প্রকল্পের বিল দু’বছর ধরে আটকে আছে। শুধু আশ্বাসই শুনে যাচ্ছি। কাজ করার পরও বিল না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে আছি। আমার ন্যায্য প্রাপ্য দ্রুত পরিশোধ করা হোক।’

মানববন্ধনে জাহিদ হাসান, আশিকুর রহমানসহ বক্তারা বলেন, ‘পরিশ্রমের বিনিময়ে শ্রমিক ও ঠিকাদারের ন্যায্য বিল না পেলে উন্নয়নকাজের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হবে। যারা প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে নতুন প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
খানমরিচ ইউনিয়নের কাবিটা–নগদ অর্থ প্রকল্পের আওতায় তিনটি সড়ক নির্মাণে ১৫ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রকল্পে নতুন করে কোনো কাজ না করে পুরোনো রাস্তা দেখিয়েই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ ছাড়া টিআর–নগদ অর্থ কর্মসূচির আটটি প্রকল্পের ছয়টিতেও একইভাবে পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে প্রায় ১১ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এসব অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এর আগে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি তাকে (মাসুদ রানা) কোনো প্রকল্পই দিইনি। সাবেক এমপির ছেলের নির্দেশে সে কাজ করেছে। সরকার পরিবর্তনের পর এখন আমার কাছে বিল দাবি করা হচ্ছে। যেখানে আমি প্রকল্প দিইনি, সেখানে বিল পরিশোধের প্রশ্নই আসে না।
পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে বরাদ্দ উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

ভাঙ্গুড়ায় প্রকল্পের শ্রমিকের ২৩ লাখ টাকা বিল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০২:০১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শ্রমিক ও ঠিকাদারের ২৩ লাখ টাকার বেশি বিল আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে খানমরিচ বাজার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়নের ২০২৩–২৪ ও ২০২৪–২৫ অর্থবছরের কাবিখা, কাবিটা, টিআরসহ বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক সংস্কার ও মাটির রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের দায়িত্ব ঠিকাদার মো. মাসুদ রানা আপেলকে দেওয়া হয়। তিনি কাজ সম্পন্ন করার পর পিআইসি চেয়ারম্যান প্রকল্পের বরাদ্দ উত্তোলন করলেও ঠিকাদারকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার মাসুদ রানা বলেন, ‘মুণ্ডুমালা থেকে দুধবাড়ীয়া পর্যন্ত ৫ হাজার ফুট রাস্তার কাজসহ মোট ২৩ লাখ টাকার প্রকল্পের বিল দু’বছর ধরে আটকে আছে। শুধু আশ্বাসই শুনে যাচ্ছি। কাজ করার পরও বিল না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে আছি। আমার ন্যায্য প্রাপ্য দ্রুত পরিশোধ করা হোক।’

মানববন্ধনে জাহিদ হাসান, আশিকুর রহমানসহ বক্তারা বলেন, ‘পরিশ্রমের বিনিময়ে শ্রমিক ও ঠিকাদারের ন্যায্য বিল না পেলে উন্নয়নকাজের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হবে। যারা প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে নতুন প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
খানমরিচ ইউনিয়নের কাবিটা–নগদ অর্থ প্রকল্পের আওতায় তিনটি সড়ক নির্মাণে ১৫ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রকল্পে নতুন করে কোনো কাজ না করে পুরোনো রাস্তা দেখিয়েই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ ছাড়া টিআর–নগদ অর্থ কর্মসূচির আটটি প্রকল্পের ছয়টিতেও একইভাবে পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে প্রায় ১১ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এসব অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এর আগে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি তাকে (মাসুদ রানা) কোনো প্রকল্পই দিইনি। সাবেক এমপির ছেলের নির্দেশে সে কাজ করেছে। সরকার পরিবর্তনের পর এখন আমার কাছে বিল দাবি করা হচ্ছে। যেখানে আমি প্রকল্প দিইনি, সেখানে বিল পরিশোধের প্রশ্নই আসে না।
পুরোনো রাস্তা দেখিয়ে বরাদ্দ উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।


প্রিন্ট