রোববার (১ফেব্রুয়ারী)দুপুরে জামালপুর শহরের সিংহজানী স্কুল মাঠে নির্বাচনী সভায় এই অভিযোগ করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন- কোনো কোনো জায়গায় মায়েরা ভোট চাইতে গেলে অপমান করছে দূর্বৃত্তরা। আমাদের মায়েদের কি এই অধিকার নাই? তাদের কি এই দায়িত্ব নাই। যারা মায়ের গায়ে হাত তুলে, তারা কোন প্রজাতির? আমি বুঝতে পারি না। এরা কি মানুষ প্রজাতির নাকি অন্য প্রজাতির? এই কয়দিন ধরে উৎপাত শুরু হয়েছে। আমরা চাই সবার যার যার কর্মসূচী, পরিকল্পনা, বক্তব্য নিয়ে জনগনের কাছে যাক। মায়েদের অপমান আমরা সহ্য করবো না। যদি কোনো দূর্র্বত্ত আপনাদের কটু কথা বলে। চোখে চোখ রেখে বলবেন,আমি মা, আমি তোমাদের পরোয়া করি না্ আমি পরোয়া করি আল্লাহকে।
তিনি আরো বলেন- কিছু দল, তারা হ্যা ভোটের ব্যাপারে স্বস্তির সাথে কিছু বলতে চান না? আমরা তাদের কাছে বিনয়ের সাথে জানতে চাই- আমরা যেভাবে ১৮ কোটি মানুষের সামনে গিয়ে, সব জায়গায় সবাই বলছি। সংস্কারে হ্যা ভোট, গনভোটে হ্যা ভোট। আপনারা হ্যা নাকি না? সেটি ভালো করে বলেন। আস্তে আস্তে লুকিয়ে লুকিয়ে বলেন কেনো? আমরা তাদের কাছে বিনয়ের সাথে বলতে চাই? না লুকিয়ে লুকিয়ে বলছে। তাদেরকে তিনি প্রকাশ্যে কথা বলার আহ্বান জানান।
এসময় ড. শফিকুর রহমান এবারের নির্বাচনকে বাক পরিবর্তনের নির্বাচন বলে দাবি করে বলেন- এবারের নির্বাচন ২৬ এর নির্বাচন। এই নির্বাচন ১৪০০ শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন, এই নির্বাচন আন্দোলনে পঙ্গুত্ব বরন করা ৩৪ হাজার আহতের নির্বাচন। এই নির্বাচন শহীদ পরিবারের হাহাকারের নির্বাচন।”
ড. শফিকুর রহমান বলেন- আমাদের দলের ৬২ ভাগ যুবক। আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে অপমানিত করতে চাই না। আমরা বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিবো ইনশাল্লাহ।
সবশেষ তিনি জামালপুর জেলার ৫টি আসনের দলীয় প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।
জামালপুর জেলা জামায়তের সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় ও সদর-৫ আসনের এমপি প্রার্থী, জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সেক্রেটারী ড. ছামিউল হক ফারুকী, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদসহ জেলা ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
প্রিন্ট
জামালপুর সংবাদদাতা 

















