ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪৫ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সাধুবাদ জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল এবং নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও কৃষিক্ষেত্রে নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, জমির উর্বরতা বজায় রাখা এবং বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থাকায় ঘনঘন বন্যা ও দুর্ভোগ তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন কারণে দেশের নদ-নদী, খাল ও বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রভাব এবং বিভিন্ন নদী ও জলাশয় ভরাট হওয়ার ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকালবন্যা দেখা দেয়, আবার শুকনো মৌসুমে অনেক নদী মরুভূমির মতো হয়ে পড়ে।

জামায়াত আমির বলেন, বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক সময় বড় শহরগুলোও জলাবদ্ধতার শিকার হয়। অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে নৌ-চলাচল ও কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানির অভাব দেখা দেয়।

তিনি আরো বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং করে নাব্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। নদ-নদীর জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে অতীতে ড্রেজিং, নদীশাসন ও নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ছাড়া উন্নয়ন কার্যক্রমের সফলতা সম্ভব নয়। দেশবাসীর আমানত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব।

জামায়াত আমির আরো বলেন, খাল খননের প্রকৃত সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন দেশের নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে এবং নাব্য ফিরে আসবে। অন্যথায় শুধু খাল খনন করে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবে না।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় ০৪:২১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সাধুবাদ জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল এবং নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও কৃষিক্ষেত্রে নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, জমির উর্বরতা বজায় রাখা এবং বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থাকায় ঘনঘন বন্যা ও দুর্ভোগ তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন কারণে দেশের নদ-নদী, খাল ও বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রভাব এবং বিভিন্ন নদী ও জলাশয় ভরাট হওয়ার ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকালবন্যা দেখা দেয়, আবার শুকনো মৌসুমে অনেক নদী মরুভূমির মতো হয়ে পড়ে।

জামায়াত আমির বলেন, বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক সময় বড় শহরগুলোও জলাবদ্ধতার শিকার হয়। অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে নৌ-চলাচল ও কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানির অভাব দেখা দেয়।

তিনি আরো বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং করে নাব্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। নদ-নদীর জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে অতীতে ড্রেজিং, নদীশাসন ও নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ছাড়া উন্নয়ন কার্যক্রমের সফলতা সম্ভব নয়। দেশবাসীর আমানত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব।

জামায়াত আমির আরো বলেন, খাল খননের প্রকৃত সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন দেশের নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে এবং নাব্য ফিরে আসবে। অন্যথায় শুধু খাল খনন করে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবে না।


প্রিন্ট