পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল উপজেলা নিয়ে ঠাকুরগাঁও—৩ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিলেও ত্রি—মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভোটাররা মনে করেন। বেশ কয়েকদিন ধরে এ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জমে উঠেছে। প্রার্থীরা তাদের মত করে ভোটারদের নানা প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে মন জয় করার চেষ্টা করছেন। এ আসনে মূলত সাবেক সংসদ সদস্য পীরগঞ্জ থানা বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ জাহিদুর রহমান জাহিদ, জাপার প্রার্থী সাবেক এমপি আলহাজ হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার এর মধ্যে ভোটের মূল লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে শনিবার দুই উপজেলার সুশীল সমাজ ও ভোটাররা মত প্রকাশ করেন। অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, প্রভাত সমির শাহজাহান আলম (সিপিবি), মামুনুর রশিদ মামুন (গণঅধিকার পরিষদ), এসএম খলিলুর রহমান (বাংলাদেশ মুসলিমলীগ), কমলা কান্ত রায় (মাইনরিটি জনতা পার্টি), আল আমিন মাষ্টার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), আবুল কালাম আজাদ (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) ও আশা মনি (স্বতন্ত্র)। সকল প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় দুপুর ২টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শীতকে উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি সন্তোষজনক রাখার জন্যে জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার ঠাকুরগাঁও ইশরাত ফারজানা’র নেতৃত্বে পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন নিরলশ ভাবে কাজ করছে। এছাড়া যৌথ বাহিনী, পুলিশ প্রশাসন সহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সর্বস্থরের প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং করছেন। পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী রির্টানিং অফিসার তাছবীর হোসেন ও তার জনবল নিয়মিত প্রার্থীদের আচরণ, নির্বাচনী আচরণ ও বিধিমালা সঠিক ভাবে পালন করছেন কি না নিয়মিত মনিটরিং করা সহ গণভোট সম্পর্কে ভোটারদের সচেতন করছেন। নিয়মিত মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করছেন। পীরগঞ্জ উপজেলায়
৭৬টি ও রাণীশংকৈল উপজেলায় ৫২টি সহ মোট ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
প্রিন্ট
মোঃ রশিদুল ঠাকুরগাঁও (দক্ষিণ) প্রতিনিধি: 
















