ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজধানীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত Logo ঈদের আগের দিন রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ

রাজিবের অস্ত্র ও মাদকের ব্যাবসায় ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় রাজিব ব্যাপারি ওরফে নাতি রাজিব গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যবসার ভয়ংকর সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা শাহীন সরদার, শরীফ চোকদার, শুভ ওরফে মাস্টার শুভ, সজীব চোকদার, দিদার ও গোপালসহ আরও অনেকেই। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজিব আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরে মাদকের মতো অবৈধ কারবারে জড়িয়ে রাতারাতি বনে যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় গড়ে তোলেন নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য। এলাকাজুড়ে এক আতংকের নাম এখন রাজিব। বর্তমানে টংগীবাড়ি থানার অন্যতম বড় মাদক কারবারি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজিবের নেতৃত্বে তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বর্তমানে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রাজিবের ইশারায় মাদক কারবারির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দখলবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে পাইকপাড়া এলাকা। রাজিবের নামে বিভিন্ন থানায় মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। এতকিছুর পরেও বীরদর্পে তার অপরাধ সাম্রাজ্য চালিয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। প্রকাশ্যে মাদক, অস্ত্র কারবার করলেও এখনো ধরতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। ডাকাতি, মাদক এবং অস্ত্র কেনাবেচা করে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন অল্পদিনে। সেই টাকায় গ্রামে গড়ে তুলেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। তাছাড়া রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় অত্যাধুনিক একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকও হয়েছেন তিনি। এসব অবৈধ টাকায় বাড়ির পাশে একাধিক ফসলি জমিও কিনেছেন। এসব অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কাজ করে চলেছেন স্ত্রী দুলালি। সূত্রে জানা যায়, গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানার অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের সাথে জড়িত ছিলেন রাজিব। তার বাড়ির পাশ থেকে গত ২০শে এপ্রিল ৩২৬ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়। তার কাছে দুটি অত্যাধুনিক রিভলবার রয়েছে। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যপারে টংগীবাড়ি থানার ওসি শাহ আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকের বিষয়টি আমরাও জেনেছি। ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। সর্বোপরি আমরা রাজিবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিব। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজধানীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

রাজিবের অস্ত্র ও মাদকের ব্যাবসায় ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

আপডেট সময় ১০:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় রাজিব ব্যাপারি ওরফে নাতি রাজিব গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যবসার ভয়ংকর সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা শাহীন সরদার, শরীফ চোকদার, শুভ ওরফে মাস্টার শুভ, সজীব চোকদার, দিদার ও গোপালসহ আরও অনেকেই। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজিব আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরে মাদকের মতো অবৈধ কারবারে জড়িয়ে রাতারাতি বনে যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় গড়ে তোলেন নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য। এলাকাজুড়ে এক আতংকের নাম এখন রাজিব। বর্তমানে টংগীবাড়ি থানার অন্যতম বড় মাদক কারবারি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজিবের নেতৃত্বে তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বর্তমানে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রাজিবের ইশারায় মাদক কারবারির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দখলবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে পাইকপাড়া এলাকা। রাজিবের নামে বিভিন্ন থানায় মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। এতকিছুর পরেও বীরদর্পে তার অপরাধ সাম্রাজ্য চালিয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। প্রকাশ্যে মাদক, অস্ত্র কারবার করলেও এখনো ধরতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। ডাকাতি, মাদক এবং অস্ত্র কেনাবেচা করে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন অল্পদিনে। সেই টাকায় গ্রামে গড়ে তুলেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। তাছাড়া রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় অত্যাধুনিক একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকও হয়েছেন তিনি। এসব অবৈধ টাকায় বাড়ির পাশে একাধিক ফসলি জমিও কিনেছেন। এসব অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কাজ করে চলেছেন স্ত্রী দুলালি। সূত্রে জানা যায়, গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানার অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের সাথে জড়িত ছিলেন রাজিব। তার বাড়ির পাশ থেকে গত ২০শে এপ্রিল ৩২৬ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়। তার কাছে দুটি অত্যাধুনিক রিভলবার রয়েছে। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যপারে টংগীবাড়ি থানার ওসি শাহ আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকের বিষয়টি আমরাও জেনেছি। ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। সর্বোপরি আমরা রাজিবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিব। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট