ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

রাজিবের অস্ত্র ও মাদকের ব্যাবসায় ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় রাজিব ব্যাপারি ওরফে নাতি রাজিব গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যবসার ভয়ংকর সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা শাহীন সরদার, শরীফ চোকদার, শুভ ওরফে মাস্টার শুভ, সজীব চোকদার, দিদার ও গোপালসহ আরও অনেকেই। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজিব আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরে মাদকের মতো অবৈধ কারবারে জড়িয়ে রাতারাতি বনে যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় গড়ে তোলেন নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য। এলাকাজুড়ে এক আতংকের নাম এখন রাজিব। বর্তমানে টংগীবাড়ি থানার অন্যতম বড় মাদক কারবারি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজিবের নেতৃত্বে তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বর্তমানে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রাজিবের ইশারায় মাদক কারবারির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দখলবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে পাইকপাড়া এলাকা। রাজিবের নামে বিভিন্ন থানায় মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। এতকিছুর পরেও বীরদর্পে তার অপরাধ সাম্রাজ্য চালিয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। প্রকাশ্যে মাদক, অস্ত্র কারবার করলেও এখনো ধরতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। ডাকাতি, মাদক এবং অস্ত্র কেনাবেচা করে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন অল্পদিনে। সেই টাকায় গ্রামে গড়ে তুলেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। তাছাড়া রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় অত্যাধুনিক একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকও হয়েছেন তিনি। এসব অবৈধ টাকায় বাড়ির পাশে একাধিক ফসলি জমিও কিনেছেন। এসব অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কাজ করে চলেছেন স্ত্রী দুলালি। সূত্রে জানা যায়, গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানার অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের সাথে জড়িত ছিলেন রাজিব। তার বাড়ির পাশ থেকে গত ২০শে এপ্রিল ৩২৬ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়। তার কাছে দুটি অত্যাধুনিক রিভলবার রয়েছে। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যপারে টংগীবাড়ি থানার ওসি শাহ আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকের বিষয়টি আমরাও জেনেছি। ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। সর্বোপরি আমরা রাজিবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিব। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

রাজিবের অস্ত্র ও মাদকের ব্যাবসায় ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

আপডেট সময় ১০:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় রাজিব ব্যাপারি ওরফে নাতি রাজিব গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যবসার ভয়ংকর সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা শাহীন সরদার, শরীফ চোকদার, শুভ ওরফে মাস্টার শুভ, সজীব চোকদার, দিদার ও গোপালসহ আরও অনেকেই। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজিব আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরে মাদকের মতো অবৈধ কারবারে জড়িয়ে রাতারাতি বনে যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে টংগীবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকায় গড়ে তোলেন নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য। এলাকাজুড়ে এক আতংকের নাম এখন রাজিব। বর্তমানে টংগীবাড়ি থানার অন্যতম বড় মাদক কারবারি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজিবের নেতৃত্বে তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বর্তমানে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রাজিবের ইশারায় মাদক কারবারির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দখলবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে পাইকপাড়া এলাকা। রাজিবের নামে বিভিন্ন থানায় মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। এতকিছুর পরেও বীরদর্পে তার অপরাধ সাম্রাজ্য চালিয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। প্রকাশ্যে মাদক, অস্ত্র কারবার করলেও এখনো ধরতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। ডাকাতি, মাদক এবং অস্ত্র কেনাবেচা করে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন অল্পদিনে। সেই টাকায় গ্রামে গড়ে তুলেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। তাছাড়া রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় অত্যাধুনিক একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকও হয়েছেন তিনি। এসব অবৈধ টাকায় বাড়ির পাশে একাধিক ফসলি জমিও কিনেছেন। এসব অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে কাজ করে চলেছেন স্ত্রী দুলালি। সূত্রে জানা যায়, গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানার অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের সাথে জড়িত ছিলেন রাজিব। তার বাড়ির পাশ থেকে গত ২০শে এপ্রিল ৩২৬ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়। তার কাছে দুটি অত্যাধুনিক রিভলবার রয়েছে। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যপারে টংগীবাড়ি থানার ওসি শাহ আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকের বিষয়টি আমরাও জেনেছি। ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। সর্বোপরি আমরা রাজিবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিব। রাজিবের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট