ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে চাঁদা-বাণিজ্য! ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা ও লুটপাট

পাবনার ঈশ্বরদীতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের নামে চাঁদা না দেওয়ায় এক লোহা ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রের ওপর হামলা চালিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আলহাজ মোড়ের ‘আকাশ আয়রন স্টোরে’।

আহতরা হলেন— ব্যবসায়ী মো. স্বপন ওরফে মাথা (৫২), তাঁর ছেলে মো. কাওসার আহমেদ আকাশ (২২) ও দোকানের কয়েকজন কর্মচারী। তারা ঈশ্বরদী দরিনারিচা থানাপাড়ার বাসিন্দা। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী স্বপন ওরফে মাথা ঈশ্বরদী থানায় তিনজনকে নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাত আরও ৫–৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, “রাতে দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত থাকার সময় ঈশ্বরদী পৌর ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি তারেক হোসেন, যুবদল কর্মী শাহিন ও নাসিরসহ কয়েকজন দোকানে এসে চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে রাজি না হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে হামলা চালায়, আমাকে ও আমার ছেলেকে মারধর করে এবং ক্যাশ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।”

ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মামলাও রুজু হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ জানিয়েছে, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবদল কর্মী শাহিন হোসেন বলেন, “আমরা দোকানে গিয়েছিলাম, তবে টাকা লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে আমাদের ঘায়েল করার চেষ্টা চলছে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে চাঁদা-বাণিজ্য! ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা ও লুটপাট

আপডেট সময় ১০:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের নামে চাঁদা না দেওয়ায় এক লোহা ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রের ওপর হামলা চালিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আলহাজ মোড়ের ‘আকাশ আয়রন স্টোরে’।

আহতরা হলেন— ব্যবসায়ী মো. স্বপন ওরফে মাথা (৫২), তাঁর ছেলে মো. কাওসার আহমেদ আকাশ (২২) ও দোকানের কয়েকজন কর্মচারী। তারা ঈশ্বরদী দরিনারিচা থানাপাড়ার বাসিন্দা। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী স্বপন ওরফে মাথা ঈশ্বরদী থানায় তিনজনকে নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাত আরও ৫–৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, “রাতে দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত থাকার সময় ঈশ্বরদী পৌর ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি তারেক হোসেন, যুবদল কর্মী শাহিন ও নাসিরসহ কয়েকজন দোকানে এসে চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে রাজি না হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে হামলা চালায়, আমাকে ও আমার ছেলেকে মারধর করে এবং ক্যাশ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।”

ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মামলাও রুজু হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ জানিয়েছে, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবদল কর্মী শাহিন হোসেন বলেন, “আমরা দোকানে গিয়েছিলাম, তবে টাকা লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে আমাদের ঘায়েল করার চেষ্টা চলছে।”


প্রিন্ট