ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

মধুপুরে বন কর্মকর্তাকে টাকা এবং সুযোগ-সুবিধা দিলেই বন বিভাগের জায়গায় উঠানো যায় কয়েকতলা আলিশান ভবন!

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২৮ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

বন বিভাগের জায়গায় নতুন করে পাকা বাড়ি বা স্থাপনা উঠানো যাবে না তা কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দেশনা দেওয়ার থাকলেও টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিলে সব ধরনের কাজ করা সম্ভব বন বিভাগের জায়গায়।
এমনটাই করছে বন কর্মকর্তারা, সাইফুল ইসলাম তারই বাস্তব প্রমাণ মধুপুর উপজেলার ৩নং বেরিবাইদ ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালিয়া গ্রামের লিলি মাংসাং উঠাচ্ছে ফাউন্ডেশন করে বহুতল আলিশান বাড়ি!

এ ব্যাপারে মধুপুরের চাড়ালজানীর বিট কর্মকর্তাকে ফোনে জানতে চাইলে বিট অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান – তারাতো আদিবাসী মানুষ কথাবার্তা শোনে না, ইত্যাদি বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

বিট অফিসারের সাথে কথা বলার পর পরই ঐই প্রান্ত থেকে মফিজ নামের সহকারী বন সংরক্ষক ফোনে সংবাদ কর্মীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে বলেন – আপনি কোথায় আছেন, একটু যদি আসতেন চা খেতাম ইত্যাদি।
তার কিছুক্ষণ পরেই অবৈধভাবে বন বিভাগের জায়গায় ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন এ প্রতিবেদককে !
এক্ষেত্রে বন কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা বা যোগযোগ রয়েছে ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং এর।
এই বহুতল আলিশান বাড়ি নির্মাণে অবৈধ পন্থায় সরাসরি বিট কর্মকর্তার সাইফুলের যোগসাজশে হচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরবাড়ি জায়গা জমির টাকাগুলো সংগ্রহ করে থাকে মো: আইনবী এবং হুমায়ুন গেন্দা নামের কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার (CFW)। আরো কয়েকজন তারা পূর্বে থেকেই কুখ্যাত বন খেকো ছিল আর এখন এইসব সহযোগিতা করে দেওয়ার কারণে তারাও শাল গজারি বন উজার করে বানিয়ে নিচ্ছে শত শত একর জমি!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, এই আলিশান বাড়ি করতে কর্মকর্তা নিয়েছেন কয়েক লাখ টাকা, আর টাকা না দিলে সামান্য টিনের চালাও উঠানো যায় না, নতুন করে বারান্দা সংস্কার করলেও তাদেরকে টাকা দিতে হয় সেখানে বিলাসবহুল আলিশান বাড়ি উঠছে টাকা না দিলেই কি এইসব সম্ভব ?

চারালজানি বিটের রেঞ্জার সাইফুল ইসলাম এর বিষয়ে
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বন বিভাগের জায়গায় টাকা পেলেই রেঞ্জার সাইফুল ঘর ও আলিসান ভবন নির্মাণ করতে মৌখিক অনুমতি দিয়ে দেয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

মধুপুরে বন কর্মকর্তাকে টাকা এবং সুযোগ-সুবিধা দিলেই বন বিভাগের জায়গায় উঠানো যায় কয়েকতলা আলিশান ভবন!

আপডেট সময় ০৬:১৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

বন বিভাগের জায়গায় নতুন করে পাকা বাড়ি বা স্থাপনা উঠানো যাবে না তা কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দেশনা দেওয়ার থাকলেও টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিলে সব ধরনের কাজ করা সম্ভব বন বিভাগের জায়গায়।
এমনটাই করছে বন কর্মকর্তারা, সাইফুল ইসলাম তারই বাস্তব প্রমাণ মধুপুর উপজেলার ৩নং বেরিবাইদ ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালিয়া গ্রামের লিলি মাংসাং উঠাচ্ছে ফাউন্ডেশন করে বহুতল আলিশান বাড়ি!

এ ব্যাপারে মধুপুরের চাড়ালজানীর বিট কর্মকর্তাকে ফোনে জানতে চাইলে বিট অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান – তারাতো আদিবাসী মানুষ কথাবার্তা শোনে না, ইত্যাদি বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

বিট অফিসারের সাথে কথা বলার পর পরই ঐই প্রান্ত থেকে মফিজ নামের সহকারী বন সংরক্ষক ফোনে সংবাদ কর্মীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে বলেন – আপনি কোথায় আছেন, একটু যদি আসতেন চা খেতাম ইত্যাদি।
তার কিছুক্ষণ পরেই অবৈধভাবে বন বিভাগের জায়গায় ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন এ প্রতিবেদককে !
এক্ষেত্রে বন কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা বা যোগযোগ রয়েছে ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং এর।
এই বহুতল আলিশান বাড়ি নির্মাণে অবৈধ পন্থায় সরাসরি বিট কর্মকর্তার সাইফুলের যোগসাজশে হচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরবাড়ি জায়গা জমির টাকাগুলো সংগ্রহ করে থাকে মো: আইনবী এবং হুমায়ুন গেন্দা নামের কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার (CFW)। আরো কয়েকজন তারা পূর্বে থেকেই কুখ্যাত বন খেকো ছিল আর এখন এইসব সহযোগিতা করে দেওয়ার কারণে তারাও শাল গজারি বন উজার করে বানিয়ে নিচ্ছে শত শত একর জমি!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, এই আলিশান বাড়ি করতে কর্মকর্তা নিয়েছেন কয়েক লাখ টাকা, আর টাকা না দিলে সামান্য টিনের চালাও উঠানো যায় না, নতুন করে বারান্দা সংস্কার করলেও তাদেরকে টাকা দিতে হয় সেখানে বিলাসবহুল আলিশান বাড়ি উঠছে টাকা না দিলেই কি এইসব সম্ভব ?

চারালজানি বিটের রেঞ্জার সাইফুল ইসলাম এর বিষয়ে
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বন বিভাগের জায়গায় টাকা পেলেই রেঞ্জার সাইফুল ঘর ও আলিসান ভবন নির্মাণ করতে মৌখিক অনুমতি দিয়ে দেয়।


প্রিন্ট