ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কেলির ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড Logo আলোচনা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিল ইরান Logo সংরক্ষিত ৩৬ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ নতুন বিএনপির Logo থানায় এজাহার দায়ের ঈদগাঁওয়ে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে তাণ্ডব আসবাবপত্র ভাঙচুর, হামলায় আহত ৬ Logo খুনি শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা হয়েছে : জিএম কাদের Logo দিনাজপুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু Logo যুদ্ধ শেষ হয়নি, যেকোনো মুহূর্তে মোড় ঘুরে যেতে পারে: নেতানিয়াহু Logo সদর উপজেলার সুলতানপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশের অভিযান, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজন সন্ত্রাসী গ্রেফতার Logo মাদারগন্জে আওয়ামীলীগের ১০ নেতাকর্মী জামিন চেয়ে আদালতে আত্মসমর্পন করায় আদালত কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন Logo মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: মিঠামইনে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

টেকনাফে হ্নীলা দুই পক্ষে দফায় দফায় গোলাগুলি, গ্রামজুড়ে আতঙ্ক

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি সংলগ্ন এলাকা রঙিখালীতে কোনাপাড়া ও উলুচামারি দুই অস্ত্রধারী গ্রুপের মধ্যে আধিপত্যে বিস্তারের দ্বন্দ্বে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে রাতভর থেমে থেমে গুলির শব্দে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার ( ১৫ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে থেমে থেমে টানা ৩ ঘণ্টা টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী কোনাপাড়া  উলুচামারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা পাহাড়ি সংলগ্ন এলাকা রঙ্গিখালি, কোনাপাড়া ও উলুচামারিতে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে নিয়ে সেখানকার একাধিক বন্দুকধারী, ডাকাত, মাদক কারবারি, অপহরণকারী বাহিনীরসহ দুর্বৃত্তদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে এর আগে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গ্রামবাসির মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উলুচামারি বাসিন্দা মৃত কালা মিয়ার ছেলে লাশ জালালের নেতৃত্ব একটি গ্রুপ এবং একই গ্রামের হাজি রুহুল আমিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন( ল্যাড়াইয়া ডাকাত)  ও তার বাহিনীর অন্যতম সদস্য আবুল কালামের ছেলে মিজানের  (ডাকাত) হাজি রুহুল আমিনের ছেলে টেংকু মিজান, দালাল( ডাকাত)  নেতৃত্বাধীন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
আনুমানিক গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ জালাল ও আনোয়ার এবং মিজানদের এই অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে মাদক, অপহরণ, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।
উলুচামারির বাসিন্দা রহমত উল্লাহ বলেন, বুধবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে হঠাৎ গুলির শব্দে রাত ১১ টার দিকে ঘুম ভেঙে যায়। মনে করছিলাম মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি হচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি, এলাকার দুই বন্দুকধারী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে। রাতভর আনুমানিক উভয়ের মধ্যে ৩-৪ শতাধিক রাউন্ড গুলির ফায়ার হয়েছে। মানুষ খুব আতঙ্কে আছে।
উলুচামারির বাসিন্দা রহিমা খাতুন জানান, বুধবার রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে ঘুমাতে পারেনি। ছেলে-মেয়েরা ভয়ে কাঁপছে। এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আমরা আতঙ্কে আছি।
উলুচামারির বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, পাহাড় লাগোয়া হওয়ায় রঙিখালি ও উলুচামারি গ্রাম অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। পাহাড়ি ডাকাত, অপহরণকারী ও মাদক কারবারিরা অপরাধের পর সহজেই পালিয়ে পাহাড়ে লুকিয়ে থাকে।
উখিয়া টেকনাফে সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান বলেন, গোলাগুলির ঘটনাটা জেনেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। 


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেলির ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড

টেকনাফে হ্নীলা দুই পক্ষে দফায় দফায় গোলাগুলি, গ্রামজুড়ে আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৯:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি সংলগ্ন এলাকা রঙিখালীতে কোনাপাড়া ও উলুচামারি দুই অস্ত্রধারী গ্রুপের মধ্যে আধিপত্যে বিস্তারের দ্বন্দ্বে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে রাতভর থেমে থেমে গুলির শব্দে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার ( ১৫ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে থেমে থেমে টানা ৩ ঘণ্টা টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী কোনাপাড়া  উলুচামারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা পাহাড়ি সংলগ্ন এলাকা রঙ্গিখালি, কোনাপাড়া ও উলুচামারিতে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে নিয়ে সেখানকার একাধিক বন্দুকধারী, ডাকাত, মাদক কারবারি, অপহরণকারী বাহিনীরসহ দুর্বৃত্তদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে এর আগে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গ্রামবাসির মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উলুচামারি বাসিন্দা মৃত কালা মিয়ার ছেলে লাশ জালালের নেতৃত্ব একটি গ্রুপ এবং একই গ্রামের হাজি রুহুল আমিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন( ল্যাড়াইয়া ডাকাত)  ও তার বাহিনীর অন্যতম সদস্য আবুল কালামের ছেলে মিজানের  (ডাকাত) হাজি রুহুল আমিনের ছেলে টেংকু মিজান, দালাল( ডাকাত)  নেতৃত্বাধীন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
আনুমানিক গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ জালাল ও আনোয়ার এবং মিজানদের এই অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে মাদক, অপহরণ, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।
উলুচামারির বাসিন্দা রহমত উল্লাহ বলেন, বুধবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে হঠাৎ গুলির শব্দে রাত ১১ টার দিকে ঘুম ভেঙে যায়। মনে করছিলাম মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি হচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি, এলাকার দুই বন্দুকধারী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে। রাতভর আনুমানিক উভয়ের মধ্যে ৩-৪ শতাধিক রাউন্ড গুলির ফায়ার হয়েছে। মানুষ খুব আতঙ্কে আছে।
উলুচামারির বাসিন্দা রহিমা খাতুন জানান, বুধবার রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে ঘুমাতে পারেনি। ছেলে-মেয়েরা ভয়ে কাঁপছে। এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আমরা আতঙ্কে আছি।
উলুচামারির বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, পাহাড় লাগোয়া হওয়ায় রঙিখালি ও উলুচামারি গ্রাম অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। পাহাড়ি ডাকাত, অপহরণকারী ও মাদক কারবারিরা অপরাধের পর সহজেই পালিয়ে পাহাড়ে লুকিয়ে থাকে।
উখিয়া টেকনাফে সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান বলেন, গোলাগুলির ঘটনাটা জেনেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। 


প্রিন্ট