ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক Logo আনোয়ারায় রাতের আঁধারে পরৈকোড়া ইউনিয়নের সাদ্দামের বিরুদ্ধে মাটি কাটার অভিযোগ, Logo বগুড়ার শিবগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই চলছে ইটভাটা, পরিবেশ ও ফসলি জমির ক্ষতি Logo শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo আসামি করা হচ্ছে হাসিনাসহ আওয়ামী মন্ত্রী-এমপিদের Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল

এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতির অনুসন্ধান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • ২৪৩ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে তিনজন এনবিআরের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার (১ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গত রোববার এনবিআরের আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অনুসন্ধান শুরু করার কথা জানায় দুদক। তাদের মধ্যেও পাঁচজন ছিলেন ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির মূল নেতৃত্বে।

নতুন করে দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধানের মুখে পড়া পাঁচ কর্মকর্তা হলেন— এনবিআরের অতিরিক্ত কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য আব্দুল রশীদ মিয়া, এনবিআর সদস্য লুৎফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, উপ কর কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য মো. তারেক হাছান।

দুদকে জমা দেওয়া একাধিক অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়েছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, অনেক সময় ঘুষ না পেলে কর ফাঁকির মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিষ্ঠান মালিকদের হয়রানি করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, কেউ কেউ নির্ধারিত করের চেয়ে বেশি অর্থ আগাম পরিশোধ করলেও তা ফেরত পেতে হয়রানির শিকার হন। কর ফেরতের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘুষ বা উপহারের মাধ্যমে প্রভাবিত করতে হয়, যা একটি সুগঠিত দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে।

এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় এ কর্মকর্তারা ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকির সুযোগ দিয়ে, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদও গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া গেলে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক

এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতির অনুসন্ধান

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে তিনজন এনবিআরের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার (১ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গত রোববার এনবিআরের আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অনুসন্ধান শুরু করার কথা জানায় দুদক। তাদের মধ্যেও পাঁচজন ছিলেন ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির মূল নেতৃত্বে।

নতুন করে দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধানের মুখে পড়া পাঁচ কর্মকর্তা হলেন— এনবিআরের অতিরিক্ত কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য আব্দুল রশীদ মিয়া, এনবিআর সদস্য লুৎফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, উপ কর কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার ও এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য মো. তারেক হাছান।

দুদকে জমা দেওয়া একাধিক অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে করদাতাদের কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়েছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, অনেক সময় ঘুষ না পেলে কর ফাঁকির মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিষ্ঠান মালিকদের হয়রানি করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, কেউ কেউ নির্ধারিত করের চেয়ে বেশি অর্থ আগাম পরিশোধ করলেও তা ফেরত পেতে হয়রানির শিকার হন। কর ফেরতের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘুষ বা উপহারের মাধ্যমে প্রভাবিত করতে হয়, যা একটি সুগঠিত দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে।

এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় এ কর্মকর্তারা ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকির সুযোগ দিয়ে, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদও গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া গেলে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট