ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ইলিশ রক্ষায় ব্যার্থ মৎস অধিদপ্তর সাংবাদিক দেখে দৌড়ে পালালেন ইলিশ বোঝায় ট্রলার

সারা দেশে মা ইলিশ নিধনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় দেদারছে চলছে মা ইলিশ নিধন।
গতকাল মঙ্গলবার মধুমতি নদীতে একঝাক সাংবাদিক গেলে প্রত্যক্ষভাবে মাছ ধরার দৃশ্য চোখে পড়ে । এসময় সাংবাদিকদের দেখে মাছ শিকারীরা তড়িঘড়ি করে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায় । এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস বিভাগ অনেকটা নাকে তেল দিয়ে ঘুমানোর মত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
মহম্মদপুর উপজেলা মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের চরম অবহেলা আর গাফিলতির কারনে উল্লেখযোগ্য কোন অভিযান না থাকায় উপজেলার মধুমতি নদীর ঝামা, দেউলী, বাবুখালী, শিরগ্রাম, পাচুড়িয়া , দাতিয়াদহসহ বেশ কয়েকটি স্থানে দেদারছে চলছে মা ইলিশ নিধন। মধুমতি নদীর বুকে দিন-রাত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইলিশ ম্ছা ধরার নৌকা। সারারাত মাছ ধরার পর বাবুখালী সহ বেশ কয়েকটি স্থানে নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাটে মাছ বিক্রয়ের হাট বসেছে নিয়মিত । সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকটি ইলিশ বোঝাই ট্রলারকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। এছাড়া মৎস বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের চরম গাফিলতির কারনে মহম্মদপুর বাজারেও প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রয় করতে দেখা যায় বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল।
রোববার , সোমবার ও মঙ্গলবার ভোর ৪ টার দিকে সরেজমিনে বাবুখালী শীরগ্রামসহ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বেশ কয়েকটি নৌকা নিয়ে মধুমতি নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মাছ ধরছেন মাঝিরা। এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সারারাত ইলিশ মাছ ধরার ট্রলারগুলো দ্রæত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার বেশ কয়েকদিন পার হলেও মহম্মদপুর উপজেলা মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মধূমতি নদীতে কোন অভিযানই পরিচালনা করা হয়নি। মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কোন লোকজনের উপস্থিতি না থাকায় বেপরোয়াভাবে দিনরাতে সমানে চলছে মা ইলিশ নিধন। এতে করে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে ।
মহম্মদপুর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (অ: দা:) ফেরদৌসি আক্তার বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেছি এবং বিভিন্নভাবে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পরেও যদি কেহ মাছ ধরে তাহলে তাকে আইনের আওত্য়া আনা হবে।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

ইলিশ রক্ষায় ব্যার্থ মৎস অধিদপ্তর সাংবাদিক দেখে দৌড়ে পালালেন ইলিশ বোঝায় ট্রলার

আপডেট সময় ০২:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

সারা দেশে মা ইলিশ নিধনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় দেদারছে চলছে মা ইলিশ নিধন।
গতকাল মঙ্গলবার মধুমতি নদীতে একঝাক সাংবাদিক গেলে প্রত্যক্ষভাবে মাছ ধরার দৃশ্য চোখে পড়ে । এসময় সাংবাদিকদের দেখে মাছ শিকারীরা তড়িঘড়ি করে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায় । এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস বিভাগ অনেকটা নাকে তেল দিয়ে ঘুমানোর মত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
মহম্মদপুর উপজেলা মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের চরম অবহেলা আর গাফিলতির কারনে উল্লেখযোগ্য কোন অভিযান না থাকায় উপজেলার মধুমতি নদীর ঝামা, দেউলী, বাবুখালী, শিরগ্রাম, পাচুড়িয়া , দাতিয়াদহসহ বেশ কয়েকটি স্থানে দেদারছে চলছে মা ইলিশ নিধন। মধুমতি নদীর বুকে দিন-রাত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইলিশ ম্ছা ধরার নৌকা। সারারাত মাছ ধরার পর বাবুখালী সহ বেশ কয়েকটি স্থানে নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাটে মাছ বিক্রয়ের হাট বসেছে নিয়মিত । সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকটি ইলিশ বোঝাই ট্রলারকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। এছাড়া মৎস বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের চরম গাফিলতির কারনে মহম্মদপুর বাজারেও প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রয় করতে দেখা যায় বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল।
রোববার , সোমবার ও মঙ্গলবার ভোর ৪ টার দিকে সরেজমিনে বাবুখালী শীরগ্রামসহ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বেশ কয়েকটি নৌকা নিয়ে মধুমতি নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মাছ ধরছেন মাঝিরা। এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সারারাত ইলিশ মাছ ধরার ট্রলারগুলো দ্রæত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার বেশ কয়েকদিন পার হলেও মহম্মদপুর উপজেলা মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মধূমতি নদীতে কোন অভিযানই পরিচালনা করা হয়নি। মৎস অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কোন লোকজনের উপস্থিতি না থাকায় বেপরোয়াভাবে দিনরাতে সমানে চলছে মা ইলিশ নিধন। এতে করে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে ।
মহম্মদপুর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (অ: দা:) ফেরদৌসি আক্তার বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেছি এবং বিভিন্নভাবে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পরেও যদি কেহ মাছ ধরে তাহলে তাকে আইনের আওত্য়া আনা হবে।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


প্রিন্ট