ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিম বিশ্বকে ‘ন্যাটো-ধাঁচের’ সম্মিলিত নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের আহ্বান ইরাকের

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। ছবি: সংগৃহীত

আরব বা ইসলামী যে কোনো দেশের ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে ন্যাটো-ধাঁচের সম্মিলিত নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়ার প্রস্তাব করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। এই কাঠামোতে একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সকলের ওপর আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

দোহায় জরুরি আরব-ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আল-সুদানি বলেন, যে কোনো আরব বা ইসলামী দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা আমাদের সম্মিলিত নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আমাদের অবস্থান জানানোর জন্য একটি যৌথ আরব-ইসলামিক কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কাতারে ইসরায়েলি হামলার পর মুসলিম দেশগুলোর ‘নিরাপত্তা যে আলোচনার বিষয় নয়, তা নিশ্চিত করে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠানোর জন্য আমাদের কাছে একটি বাস্তব সুযোগ রয়েছে’ বলেও উল্লেখ করেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী।

তিনি শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতাদের প্রতি কাতারের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে ‘একটি ঐক্যবদ্ধ আরব ও ইসলামী অবস্থান’ প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইসরায়েলি আগ্রাসন সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে এবং প্রতিটি মানবিক নীতি লঙ্ঘন করেছে। যুদ্ধবিরতির জন্য একটি ব্যাপক রোডম্যাপ তৈরি করতে।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলকে থামাতে করতে ব্যর্থ হলে আরও অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে এবং কোনো পক্ষের জন্যই নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব হবে না।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম

মুসলিম বিশ্বকে ‘ন্যাটো-ধাঁচের’ সম্মিলিত নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের আহ্বান ইরাকের

আপডেট সময় ১১:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। ছবি: সংগৃহীত

আরব বা ইসলামী যে কোনো দেশের ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে ন্যাটো-ধাঁচের সম্মিলিত নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়ার প্রস্তাব করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। এই কাঠামোতে একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সকলের ওপর আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

দোহায় জরুরি আরব-ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আল-সুদানি বলেন, যে কোনো আরব বা ইসলামী দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা আমাদের সম্মিলিত নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আমাদের অবস্থান জানানোর জন্য একটি যৌথ আরব-ইসলামিক কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কাতারে ইসরায়েলি হামলার পর মুসলিম দেশগুলোর ‘নিরাপত্তা যে আলোচনার বিষয় নয়, তা নিশ্চিত করে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠানোর জন্য আমাদের কাছে একটি বাস্তব সুযোগ রয়েছে’ বলেও উল্লেখ করেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী।

তিনি শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতাদের প্রতি কাতারের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে ‘একটি ঐক্যবদ্ধ আরব ও ইসলামী অবস্থান’ প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইসরায়েলি আগ্রাসন সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে এবং প্রতিটি মানবিক নীতি লঙ্ঘন করেছে। যুদ্ধবিরতির জন্য একটি ব্যাপক রোডম্যাপ তৈরি করতে।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলকে থামাতে করতে ব্যর্থ হলে আরও অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে এবং কোনো পক্ষের জন্যই নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব হবে না।


প্রিন্ট