ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো

আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছে। সেই সঙ্গে পোস্টে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে তিনটি দেশেরই ‘সমৃদ্ধ’ ভবিষ্যত কামনা করেছেন।

বেইজিং যখন একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ওয়াশিংটনের নেতা নয়াদিল্লি ও মস্কোকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন।

সপ্তাহের শুরুতে তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনকে আতিথ্য দেন।

ট্রুথ সোশ্যালে নিজের পোস্টে পুতিন, শি ও মোদির এই ছবিটি জুড়ে দিয়েছেন ট্রাম। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে আমরা ভারত এবং রাশিয়াকে সবচেয়ে গভীর অন্ধকারতম চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি। তাদের একসঙ্গে দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ হোক!’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুল নয়াদিল্লি, মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে গভীরতর সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্পের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রকাশ্য স্বীকৃতি।

তিন পারমাণবিক শক্তিধর দেশের নেতা বেইজিংয়ে প্রকাশ্যে জ্বালানি থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিশ্ব বাণিজ্য নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ চলছে।

কয়েক দশক ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে আসছে। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক উভয় প্রশাসনই নয়াদিল্লিকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিনিয়োগ করেছে।

ট্রাম্প নিজেই তার প্রথম মেয়াদে ভারতের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগ রেখেছিলেন। তবুও সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে ফাটলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ট্রাম্পের শুল্ক ব্যবস্থা এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানি বাণিজ্যের সমালোচনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ককে দুর্বল করে দিয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি

আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছে। সেই সঙ্গে পোস্টে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে তিনটি দেশেরই ‘সমৃদ্ধ’ ভবিষ্যত কামনা করেছেন।

বেইজিং যখন একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ওয়াশিংটনের নেতা নয়াদিল্লি ও মস্কোকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন।

সপ্তাহের শুরুতে তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনকে আতিথ্য দেন।

ট্রুথ সোশ্যালে নিজের পোস্টে পুতিন, শি ও মোদির এই ছবিটি জুড়ে দিয়েছেন ট্রাম। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে আমরা ভারত এবং রাশিয়াকে সবচেয়ে গভীর অন্ধকারতম চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি। তাদের একসঙ্গে দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ হোক!’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুল নয়াদিল্লি, মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে গভীরতর সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্পের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রকাশ্য স্বীকৃতি।

তিন পারমাণবিক শক্তিধর দেশের নেতা বেইজিংয়ে প্রকাশ্যে জ্বালানি থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিশ্ব বাণিজ্য নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ চলছে।

কয়েক দশক ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে আসছে। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক উভয় প্রশাসনই নয়াদিল্লিকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিনিয়োগ করেছে।

ট্রাম্প নিজেই তার প্রথম মেয়াদে ভারতের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগ রেখেছিলেন। তবুও সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে ফাটলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ট্রাম্পের শুল্ক ব্যবস্থা এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানি বাণিজ্যের সমালোচনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ককে দুর্বল করে দিয়েছে।


প্রিন্ট