ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নব নির্বাচিত এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের সাথে ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় Logo লালমনিরহাটে হরিজন অধিকার আদায় সংগঠনের মানববন্ধন Logo নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন ১২ বছর পর রায়ে স্বস্তি Logo কলেজগেটে স্থায়ী বাজারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের আকুতি: আশ্বাস মিললেও ১৭ বছরেও হয়নি সমাধান Logo ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন Logo ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা Logo মোংলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo কেওড়া জল মৃতদেহের ময়নাতদন্তের এসিড হিসাবে ব্যবহার করা হয়,যা দ্রব্যসামগ্রীর এক দোকানে কেওড়া জল পাওয়ায় জরিমানা, Logo তানোরে ছাগল চুরির ‘গডফাদার’ আলম সরদার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী Logo একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার

ডা. নিতাই হত্যা: ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৮০ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

তের বছর আগে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ আগস্ট) ঢাকার দশম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১০ আসামিকেই কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর মোয়াজ্জেম হোসেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কামরুল হাসান অরুণ, মাসুম মিন্টু, সাইদ ব্যাপারী, বকুল মিয়া এবং সাইদ মিজি। এছাড়া আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আবুল কালাম, সাইদুল, ফয়সাল ও পেদা মাসুম। আর রফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
নিহত ডা. নিতাই। ছবি: সংগৃহীত
নিহত ডা. নিতাই। ছবি: সংগৃহীত

২০১২ সালের ২৩ অগাস্ট রাতে মহাখালীতে হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় খুন হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতা ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. নিতাই। ঘটনার সময় বাসায় ছিলেন তার বৃদ্ধা মা। স্ত্রী লাকী চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিতাইয়ের বাবা বনানী থানায় মামলা করেন। ছয় মাসের তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্তে উঠে আসে, চুরির সময় ঘটনাটি দেখে ফেলায় নিতাইকে হত্যা করা হয়। এরপর আসামিরা বাসা থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও দুটি স্বর্ণের বালা নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, আসামিরা ‘পেশাদার চোর’। তাদের মধ্যে নিহত চিকিৎসকের গাড়িচালক অরুণও ছিল। এ মামলার আসামিদের মধ্যে পাঁচজনকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। তবে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।

২০১৩ সালের ২২ জুলাই অভিযোগ গঠন হয় এবং ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারি ডা. নিতাইয়ের বাবা তড়িৎ কান্তির সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু করে আদালত। দীর্ঘ শুনানি ও বিচারক পরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার বিচারক রেজাউল করিম দশ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নব নির্বাচিত এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের সাথে ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময়

ডা. নিতাই হত্যা: ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

তের বছর আগে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ আগস্ট) ঢাকার দশম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১০ আসামিকেই কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর মোয়াজ্জেম হোসেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কামরুল হাসান অরুণ, মাসুম মিন্টু, সাইদ ব্যাপারী, বকুল মিয়া এবং সাইদ মিজি। এছাড়া আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আবুল কালাম, সাইদুল, ফয়সাল ও পেদা মাসুম। আর রফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
নিহত ডা. নিতাই। ছবি: সংগৃহীত
নিহত ডা. নিতাই। ছবি: সংগৃহীত

২০১২ সালের ২৩ অগাস্ট রাতে মহাখালীতে হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় খুন হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতা ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. নিতাই। ঘটনার সময় বাসায় ছিলেন তার বৃদ্ধা মা। স্ত্রী লাকী চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিতাইয়ের বাবা বনানী থানায় মামলা করেন। ছয় মাসের তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্তে উঠে আসে, চুরির সময় ঘটনাটি দেখে ফেলায় নিতাইকে হত্যা করা হয়। এরপর আসামিরা বাসা থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও দুটি স্বর্ণের বালা নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, আসামিরা ‘পেশাদার চোর’। তাদের মধ্যে নিহত চিকিৎসকের গাড়িচালক অরুণও ছিল। এ মামলার আসামিদের মধ্যে পাঁচজনকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। তবে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।

২০১৩ সালের ২২ জুলাই অভিযোগ গঠন হয় এবং ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারি ডা. নিতাইয়ের বাবা তড়িৎ কান্তির সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু করে আদালত। দীর্ঘ শুনানি ও বিচারক পরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার বিচারক রেজাউল করিম দশ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট