রাঙামাটি শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কলেজগেট। যেখানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, সেনানিবাস অন্তত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর। অথচ এই বিশাল জনপদের ২০-২৫ হাজার মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার যোগানদাতা ‘কলেজগেট কাঁচা বাজার’ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলছে চরম অনিশ্চয়তায়।সম্প্রতি এক সভায় বাজার ব্যবসায়িক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম এই সংকটের চিত্র তুলে ধরে স্থায়ী বাজার শেড ও পাবলিক টয়লেটের দাবি জানান।উচ্ছেদের মুখে অস্থায়ী বাজার বর্তমানে বাজারটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় অস্থায়ীভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাজারের সামনে একটি মডেল মসজিদ নির্মিত হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, নিকট ভবিষ্যতে এই জায়গাটি ছেড়ে দিতে হবে। ফলে কয়েকশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জীবন-জীবিকা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
দখলবাজদের থাবায় যাত্রীছাউনি ও টয়লেট মোঃ শাহ আলম অভিযোগ করে বলেন, ১৭ বছর আগে বিগত সরকারের আমলে একদল প্রভাবশালী ‘রাঘব বোয়াল’ বাজারের সামনের যাত্রীছাউনি ও পাবলিক টয়লেট উচ্ছেদ করে জায়গা দখল করে নেয়।
প্রতিশ্রুতির জালে আটকে থাকা ১৭ বছর ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানানো হয় যে, ইতিপূর্বে সাবেক মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক সংসদ সদস্য দীপঙ্কর তালুকদার বারবার বাজারটি স্থায়ী করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও জোটেনি একটি স্থায়ী শেড বা শৌচাগার।পার্বত্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বর্তমানে ব্যবসায়ীরা নবনিযুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর ওপর আস্থা রাখছেন। সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন:
আমাদের বর্তমান মন্ত্রী মহোদয় এই সমস্যার বিষয়ে আগে থেকেই অবগত। আমরা গর্বিত যে তাকে আমরা মন্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। আমরা আশা করি, তিনি এই বৃহত্তর এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে একটি স্থায়ী বাজার শেড এবং কাটাছড়ি যাতায়াতের জরাজীর্ণ সিঁড়িটি সংস্কারের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
বাজার সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে:
রাঙামাটি সরকারি কলেজ।
পুলিশ লাইন ও সেনানিবাস।
পিটিআই, ও সদর উপজেলা অফিস।
এলজিইডি ভবন ও টিটিসি।
এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পাশে একটি সুশৃঙ্খল ও স্থায়ী বাজার এখন সময়ের দাবি। ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাজার এলাকা মুক্ত করে স্থায়ী শেড নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
প্রিন্ট
রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি:- 



















