ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা Logo সংসদেই সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে অথচ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের তালবাহানা অবৈধ সরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে নৌপথে সার্বিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড Logo পশুর নদীসহ সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে: মোংলায় প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড.শেখ ফরিদুল ইসলাম Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের Logo ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে Logo ভাঙ্গুড়ায় মশক নিধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত Logo লেবাননে ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩১ Logo ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র: উত্তরণের পথ খুঁজছেন ট্রাম্প Logo আনোয়ারায় শ্রমজীবী ও পেশাজীবীদের সম্মানে এডভোকেট নুরুল কবির রানা’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ফলো করুন

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি সরকার। দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদন্ডকে শক্তিশালী করাই এর মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

এ ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা নিম্নলিখিতভাবে উপকৃত হবে—

•এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

যমুনায় উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
• মাথার উপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন।

• এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

• ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে।

• ঋণ মওকুফের প্রায় তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল। এই উদ্যোগ সেই সময়ে কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন

আপডেট সময় ০৬:০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফলো করুন

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি সরকার। দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদন্ডকে শক্তিশালী করাই এর মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

এ ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা নিম্নলিখিতভাবে উপকৃত হবে—

•এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

যমুনায় উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
• মাথার উপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন।

• এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

• ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে।

• ঋণ মওকুফের প্রায় তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল। এই উদ্যোগ সেই সময়ে কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল।


প্রিন্ট