ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রূপগঞ্জে ‘আন্ডা রফিক’-এর সন্ত্রাস, জমি দখল ও অর্থপাচার দীর্ঘদিনের পলাতকতার শেষে নতুন উত্তেজনা Logo গাজার মতো লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপনের ঘোষণা ইসরাইলের Logo জ্বালানি তেল নিয়ে দুর্ভোগ চরমে দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার Logo ইসরাইলের আগ্রাসন সমর্থন করে ট্রাম্পের পোস্ট Logo কালিয়াকৈরে ইজিপিপি প্রকল্পে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মজিবুর রহমান Logo উপশহরে টেন্ডারের বাইরে গাছ নিধন: আটক ৪ অভিযুক্তকে রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দিল পুলিশ Logo নববর্ষে মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত মডেল ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় Logo পাহাড়তলীর সিগন্যাল কলোনীতে রানা–সোহাগ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী Logo যানযট মুক্ত করতে এমপি নির্দেশে ছাগল বাজার অপসারণ৷ ঈদগাঁও ডিসি সড়ক থেকে অবশেষে স্থানান্তর হলো ছাগল বাজার, জনমনে স্বস্তি Logo কুমিল্লায় প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত কাজী সাইফুল ইসলাম গ্রেফতার

গাজার মতো লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপনের ঘোষণা ইসরাইলের

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এই রেখা অতিক্রম করলে সরাসরি হামলা চালাবে তারা।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে গাজার মতো ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এই লাইনের দক্ষিণে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে উত্তর দিক থেকে আসা সন্দেহভাজন যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলার কথা জানায় তারা।

ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, এই সীমারেখা অতিক্রম করে তাদের সেনাদের দিকে এগিয়ে আসায় এরইমধ্যে সন্দেহভাজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ‘ইয়েলো লাইনে’র দক্ষিণে অবস্থানরত আমাদের সেনারা কিছু সন্ত্রাসীকে শনাক্ত করেছে। তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে উত্তর দিক থেকে আমাদের বাহিনীর দিকে এমনভাবে এগিয়ে আসছিল যা তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করে।’

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম ইসরায়েল লেবাননে এ ধরনের কোনো সীমারেখার কথা উল্লেখ করল। গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটি একটি ‘ইয়েলো লাইন’ দ্বারা বিভক্ত।

এই রেখাটি কার্যত গাজাকে দুটি সামরিক জোনে ভাগ করেছে—যার একটি ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এবং অন্যটি হামাসের নিয়ন্ত্রণে।

এদিকে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। একই সময়ে সীমান্তের কাছাকাছি কৌশলগত কিছু এলাকা দখলের কথাও জানিয়েছে ইসরায়েল।

এছাড়াও, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের ওপর হামলায় এক ফরাসি সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রা এ ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধবিরতির পর সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে লেবানন। প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নিতে চান। তবে হিজবুল্লাহ এ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ‘আন্ডা রফিক’-এর সন্ত্রাস, জমি দখল ও অর্থপাচার দীর্ঘদিনের পলাতকতার শেষে নতুন উত্তেজনা

গাজার মতো লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপনের ঘোষণা ইসরাইলের

আপডেট সময় ১২:১৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এই রেখা অতিক্রম করলে সরাসরি হামলা চালাবে তারা।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে গাজার মতো ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এই লাইনের দক্ষিণে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে উত্তর দিক থেকে আসা সন্দেহভাজন যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলার কথা জানায় তারা।

ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, এই সীমারেখা অতিক্রম করে তাদের সেনাদের দিকে এগিয়ে আসায় এরইমধ্যে সন্দেহভাজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ‘ইয়েলো লাইনে’র দক্ষিণে অবস্থানরত আমাদের সেনারা কিছু সন্ত্রাসীকে শনাক্ত করেছে। তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে উত্তর দিক থেকে আমাদের বাহিনীর দিকে এমনভাবে এগিয়ে আসছিল যা তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করে।’

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম ইসরায়েল লেবাননে এ ধরনের কোনো সীমারেখার কথা উল্লেখ করল। গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটি একটি ‘ইয়েলো লাইন’ দ্বারা বিভক্ত।

এই রেখাটি কার্যত গাজাকে দুটি সামরিক জোনে ভাগ করেছে—যার একটি ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এবং অন্যটি হামাসের নিয়ন্ত্রণে।

এদিকে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। একই সময়ে সীমান্তের কাছাকাছি কৌশলগত কিছু এলাকা দখলের কথাও জানিয়েছে ইসরায়েল।

এছাড়াও, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের ওপর হামলায় এক ফরাসি সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রা এ ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধবিরতির পর সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে লেবানন। প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নিতে চান। তবে হিজবুল্লাহ এ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।


প্রিন্ট