ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায়

-আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রায় ২৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। স্থানীয় কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিবছর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেলা চলতি বছর গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের জায়গা বরাদ্দের নামে রশিদ দিয়ে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মেলা কমিটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মন্দির উন্নয়নের কথা বলে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বরত পুরোহিত ওই অর্থ থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে এই অর্থ আসলে কার পকেট গরম করছে? মেলায় অংশ নেওয়া এক নাগরদোলা ব্যবসায়ী জানান, প্রথমে তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে তাকে ১১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। একইভাবে চটপটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বক্সিং খেলার দোকান থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের ধরন অনুযায়ী কম-বেশি অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরাট উজান পাড়ার ব্যবসায়ী মোবারক মিয়া বলেন, “আগে ১০০-২০০ টাকা করে নিত। এখন প্রতি হাত জায়গার জন্য ১৫০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। এভাবে টাকা চাইলে ভবিষ্যতে দোকান নিয়ে আসা কঠিন হয়ে যাবে।” এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি নিতেশ গোপ, সাধারণ সম্পাদক বিজয় গোপ এবং অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, মেলা থেকে সংগৃহীত অর্থ মেলা পরিচালনার ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ মন্দির উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষ জানান, কিসের মন্দির সব কিছু সবার কাছে বলা যায় না , কয় টাকাই বা উত্তোলন করা হয়। তবে মন্দিরের দায়িত্বরত পুরোহিত আকাশ ভট্টাচার্য এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, “গত দুই বছর ধরে মন্দিরের নাম ব্যবহার করে মেলা থেকে টাকা তোলা হলেও মেলার শেষে মন্দির উন্নয়নের জন্য এক টাকাও দেওয়া হয়নি। এবারও শুনছি মোটা অঙ্কের টাকা উঠেছে, মেলার শেষে আদৌ মন্দির কিছু পায় কি না সেটাই দেখার বিষয়।” পুরোহিতের ছোট ভাই বলেন, “মন্দিরের রং করা পর্যন্ত আমরা নিজেদের টাকায় করেছি।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শতাব্দীপ্রাচীন এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা মন্দিরের নামে আদায়কৃত অর্থের পূর্ণ হিসাব প্রকাশ এবং প্রকৃত অর্থে মন্দির


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায়

আপডেট সময় ১২:০২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

-আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রায় ২৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। স্থানীয় কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিবছর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেলা চলতি বছর গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের জায়গা বরাদ্দের নামে রশিদ দিয়ে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মেলা কমিটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মন্দির উন্নয়নের কথা বলে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বরত পুরোহিত ওই অর্থ থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে এই অর্থ আসলে কার পকেট গরম করছে? মেলায় অংশ নেওয়া এক নাগরদোলা ব্যবসায়ী জানান, প্রথমে তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে তাকে ১১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। একইভাবে চটপটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বক্সিং খেলার দোকান থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের ধরন অনুযায়ী কম-বেশি অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরাট উজান পাড়ার ব্যবসায়ী মোবারক মিয়া বলেন, “আগে ১০০-২০০ টাকা করে নিত। এখন প্রতি হাত জায়গার জন্য ১৫০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। এভাবে টাকা চাইলে ভবিষ্যতে দোকান নিয়ে আসা কঠিন হয়ে যাবে।” এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি নিতেশ গোপ, সাধারণ সম্পাদক বিজয় গোপ এবং অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, মেলা থেকে সংগৃহীত অর্থ মেলা পরিচালনার ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ মন্দির উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষ জানান, কিসের মন্দির সব কিছু সবার কাছে বলা যায় না , কয় টাকাই বা উত্তোলন করা হয়। তবে মন্দিরের দায়িত্বরত পুরোহিত আকাশ ভট্টাচার্য এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, “গত দুই বছর ধরে মন্দিরের নাম ব্যবহার করে মেলা থেকে টাকা তোলা হলেও মেলার শেষে মন্দির উন্নয়নের জন্য এক টাকাও দেওয়া হয়নি। এবারও শুনছি মোটা অঙ্কের টাকা উঠেছে, মেলার শেষে আদৌ মন্দির কিছু পায় কি না সেটাই দেখার বিষয়।” পুরোহিতের ছোট ভাই বলেন, “মন্দিরের রং করা পর্যন্ত আমরা নিজেদের টাকায় করেছি।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শতাব্দীপ্রাচীন এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা মন্দিরের নামে আদায়কৃত অর্থের পূর্ণ হিসাব প্রকাশ এবং প্রকৃত অর্থে মন্দির


প্রিন্ট