ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায়

-আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রায় ২৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। স্থানীয় কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিবছর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেলা চলতি বছর গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের জায়গা বরাদ্দের নামে রশিদ দিয়ে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মেলা কমিটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মন্দির উন্নয়নের কথা বলে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বরত পুরোহিত ওই অর্থ থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে এই অর্থ আসলে কার পকেট গরম করছে? মেলায় অংশ নেওয়া এক নাগরদোলা ব্যবসায়ী জানান, প্রথমে তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে তাকে ১১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। একইভাবে চটপটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বক্সিং খেলার দোকান থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের ধরন অনুযায়ী কম-বেশি অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরাট উজান পাড়ার ব্যবসায়ী মোবারক মিয়া বলেন, “আগে ১০০-২০০ টাকা করে নিত। এখন প্রতি হাত জায়গার জন্য ১৫০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। এভাবে টাকা চাইলে ভবিষ্যতে দোকান নিয়ে আসা কঠিন হয়ে যাবে।” এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি নিতেশ গোপ, সাধারণ সম্পাদক বিজয় গোপ এবং অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, মেলা থেকে সংগৃহীত অর্থ মেলা পরিচালনার ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ মন্দির উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষ জানান, কিসের মন্দির সব কিছু সবার কাছে বলা যায় না , কয় টাকাই বা উত্তোলন করা হয়। তবে মন্দিরের দায়িত্বরত পুরোহিত আকাশ ভট্টাচার্য এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, “গত দুই বছর ধরে মন্দিরের নাম ব্যবহার করে মেলা থেকে টাকা তোলা হলেও মেলার শেষে মন্দির উন্নয়নের জন্য এক টাকাও দেওয়া হয়নি। এবারও শুনছি মোটা অঙ্কের টাকা উঠেছে, মেলার শেষে আদৌ মন্দির কিছু পায় কি না সেটাই দেখার বিষয়।” পুরোহিতের ছোট ভাই বলেন, “মন্দিরের রং করা পর্যন্ত আমরা নিজেদের টাকায় করেছি।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শতাব্দীপ্রাচীন এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা মন্দিরের নামে আদায়কৃত অর্থের পূর্ণ হিসাব প্রকাশ এবং প্রকৃত অর্থে মন্দির


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায়

আপডেট সময় ১২:০২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

-আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রায় ২৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। স্থানীয় কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিবছর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেলা চলতি বছর গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের জায়গা বরাদ্দের নামে রশিদ দিয়ে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মেলা কমিটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মন্দির উন্নয়নের কথা বলে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বরত পুরোহিত ওই অর্থ থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে এই অর্থ আসলে কার পকেট গরম করছে? মেলায় অংশ নেওয়া এক নাগরদোলা ব্যবসায়ী জানান, প্রথমে তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে তাকে ১১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। একইভাবে চটপটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বক্সিং খেলার দোকান থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের ধরন অনুযায়ী কম-বেশি অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরাট উজান পাড়ার ব্যবসায়ী মোবারক মিয়া বলেন, “আগে ১০০-২০০ টাকা করে নিত। এখন প্রতি হাত জায়গার জন্য ১৫০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। এভাবে টাকা চাইলে ভবিষ্যতে দোকান নিয়ে আসা কঠিন হয়ে যাবে।” এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি নিতেশ গোপ, সাধারণ সম্পাদক বিজয় গোপ এবং অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, মেলা থেকে সংগৃহীত অর্থ মেলা পরিচালনার ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ মন্দির উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত স্বপন ঘোষ জানান, কিসের মন্দির সব কিছু সবার কাছে বলা যায় না , কয় টাকাই বা উত্তোলন করা হয়। তবে মন্দিরের দায়িত্বরত পুরোহিত আকাশ ভট্টাচার্য এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, “গত দুই বছর ধরে মন্দিরের নাম ব্যবহার করে মেলা থেকে টাকা তোলা হলেও মেলার শেষে মন্দির উন্নয়নের জন্য এক টাকাও দেওয়া হয়নি। এবারও শুনছি মোটা অঙ্কের টাকা উঠেছে, মেলার শেষে আদৌ মন্দির কিছু পায় কি না সেটাই দেখার বিষয়।” পুরোহিতের ছোট ভাই বলেন, “মন্দিরের রং করা পর্যন্ত আমরা নিজেদের টাকায় করেছি।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শতাব্দীপ্রাচীন এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা মন্দিরের নামে আদায়কৃত অর্থের পূর্ণ হিসাব প্রকাশ এবং প্রকৃত অর্থে মন্দির


প্রিন্ট