ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরাম খালাস Logo রাজধানীতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ Logo তানোরে সরকারি কর্মকর্তার সাথে এমপি মুুজিবুবের পৃথক মতবিনিময় সভা! Logo নবর্নিবাচিত সাংসদকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সংবর্ধনা Logo গংগাছড়া উপজেলায় ক্যাসিনো খেলায় প্রতিটি যুবক আসক্ত ৩ নং বড়বিল মন্থনা বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে Logo জামালপুরে ৪টি ইফতার সামগ্রীর দোকানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা Logo লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ সিম বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার পাঁচ জন Logo বীরগঞ্জে রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার, ৪টি দোকান পরিদর্শন Logo কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক Logo আনোয়ারায় রাতের আঁধারে পরৈকোড়া ইউনিয়নের সাদ্দামের বিরুদ্ধে মাটি কাটার অভিযোগ,

গোপালগঞ্জে বলপ্রয়োগ হলেও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি : সেনা সদর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২০৫ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

দুই সপ্তাহ আগে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের সময় জীবননাশের হুমকি তৈরি হলে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগ করলেও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি বলে জানিয়েছে সেনা সদর। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ছিল। যেখানে শুধুমাত্র ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়নি, ককটেলও নিক্ষেপ করা হয়েছে। যখন সেখানে জীবননাশের হুমকি ছিল, তখন আত্মরক্ষার্থে আমাদের যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ছিল তারা বল প্রয়োগ করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে। এখানে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়নি। খবর বিডিনিউজের।

সংবাদ সম্মেলনে সেনা সদরের কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে কী হয়েছিল, সেটার সত্যতা উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। আমরা আশা করি এই তদন্ত কমিটি সত্য এবং সঠিক ঘটানো উন্মোচনে সক্ষম হবে। এনসিপির প্রতি সেনাবাহিনীর আলাদা নজর থাকা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে বিশেষভাবে কখনো কাউকে সহায়তা করিনি। আমাদের দায়িত্বের মধ্যে কাউকে বিশেষভাবে দেখি না। গোপালগঞ্জে যেটা হয়েছে ওইখানে ওই রাজনৈতিক দলের অনেকেরই জীবন নাশের হুমকি ছিল। তাদের জীবন বাঁচানোর জন্যই সেনাবাহিনী সহায়তা করেছে। এখানে জীবন বাঁচানোই মূল লক্ষ্য ছিল অন্য কিছু না।

মেজর সাদিক নামে একজন আওয়ামী লীগের লোকজনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, এমন একটি বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে– এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কর্নেল শফিকুল বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে বলতে পারব বিষয়টি পুরোপুরিভাবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও কথা বলেন সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম–উদ–দৌলা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরাম খালাস

গোপালগঞ্জে বলপ্রয়োগ হলেও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি : সেনা সদর

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

দুই সপ্তাহ আগে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের সময় জীবননাশের হুমকি তৈরি হলে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগ করলেও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি বলে জানিয়েছে সেনা সদর। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ছিল। যেখানে শুধুমাত্র ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়নি, ককটেলও নিক্ষেপ করা হয়েছে। যখন সেখানে জীবননাশের হুমকি ছিল, তখন আত্মরক্ষার্থে আমাদের যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ছিল তারা বল প্রয়োগ করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে। এখানে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়নি। খবর বিডিনিউজের।

সংবাদ সম্মেলনে সেনা সদরের কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে কী হয়েছিল, সেটার সত্যতা উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। আমরা আশা করি এই তদন্ত কমিটি সত্য এবং সঠিক ঘটানো উন্মোচনে সক্ষম হবে। এনসিপির প্রতি সেনাবাহিনীর আলাদা নজর থাকা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে বিশেষভাবে কখনো কাউকে সহায়তা করিনি। আমাদের দায়িত্বের মধ্যে কাউকে বিশেষভাবে দেখি না। গোপালগঞ্জে যেটা হয়েছে ওইখানে ওই রাজনৈতিক দলের অনেকেরই জীবন নাশের হুমকি ছিল। তাদের জীবন বাঁচানোর জন্যই সেনাবাহিনী সহায়তা করেছে। এখানে জীবন বাঁচানোই মূল লক্ষ্য ছিল অন্য কিছু না।

মেজর সাদিক নামে একজন আওয়ামী লীগের লোকজনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, এমন একটি বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে– এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কর্নেল শফিকুল বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে বলতে পারব বিষয়টি পুরোপুরিভাবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও কথা বলেন সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম–উদ–দৌলা।


প্রিন্ট