ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাঙ্গুড়ায় এসআই রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির অভিযোগে মানববন্ধন

পাবনার ভাঙ্গুড়া থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসআই রেজাউল করিম রেজার বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদের পূর্বদিকে তিন রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগকারী ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়নের চড় ভাঙ্গুড়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মৃত আব্দুল হক সরকারের ছেলে মো. মাসুদ রানা সরকার জানান, তিনি স্থানীয় ঠিকাদার মো. এলির কাছে ৯ লাখ টাকা পাওনা। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। সেই জিডির দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই রেজাউল করিমকে।

মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, “জিডির অগ্রগতি জানতে আমি এসআই রেজাউল করিমের সঙ্গে কয়েকবার যোগাযোগ করি। প্রথমে তিনি বলেন, পরে জানাবেন। একাধিকবার ফোন দেওয়ার পরও কোনো সাড়া দেননি। আজ সকালে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা কারও টাকা তুলি না, তবে সমস্যা নেই—৫০ হাজার টাকা দিতে হবে।’ টাকা না দিলে তিনি কোনো কাজ করবেন না বলেও জানান।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশ যদি এভাবে চাঁদা দাবি করে, তাহলে আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাব? আমি এই চাঁদাবাজ পুলিশের সঠিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রেজাউল করিম রেজা বলেন, “মাসুদ রানা নামের ওই ব্যক্তি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে এবং গালাগাল করেছে। আমি কেন তার কাছে টাকা চাইব? তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবেন না যে আমি টাকা দাবি করেছি। আইন অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেওয়ার, তা নেবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায্য বিচার দাবি করেছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

ভাঙ্গুড়ায় এসআই রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির অভিযোগে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৭:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়া থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসআই রেজাউল করিম রেজার বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদের পূর্বদিকে তিন রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগকারী ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়নের চড় ভাঙ্গুড়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মৃত আব্দুল হক সরকারের ছেলে মো. মাসুদ রানা সরকার জানান, তিনি স্থানীয় ঠিকাদার মো. এলির কাছে ৯ লাখ টাকা পাওনা। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। সেই জিডির দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই রেজাউল করিমকে।

মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, “জিডির অগ্রগতি জানতে আমি এসআই রেজাউল করিমের সঙ্গে কয়েকবার যোগাযোগ করি। প্রথমে তিনি বলেন, পরে জানাবেন। একাধিকবার ফোন দেওয়ার পরও কোনো সাড়া দেননি। আজ সকালে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা কারও টাকা তুলি না, তবে সমস্যা নেই—৫০ হাজার টাকা দিতে হবে।’ টাকা না দিলে তিনি কোনো কাজ করবেন না বলেও জানান।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশ যদি এভাবে চাঁদা দাবি করে, তাহলে আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাব? আমি এই চাঁদাবাজ পুলিশের সঠিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রেজাউল করিম রেজা বলেন, “মাসুদ রানা নামের ওই ব্যক্তি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে এবং গালাগাল করেছে। আমি কেন তার কাছে টাকা চাইব? তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবেন না যে আমি টাকা দাবি করেছি। আইন অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেওয়ার, তা নেবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায্য বিচার দাবি করেছে।


প্রিন্ট