ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত Logo জামালপুরে ০১৭ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন, Logo উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিতে গেলেন সম্মানিত আমীরে জামায়াত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কোরআন খতম, দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা চূড়ান্ত, কত হবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন? Logo পবিত্র শবে মেরাজ আজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক Logo আমাদের রেকর্ড কথা বলবে: আল জাজিরাকে শফিকুল আলম Logo উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুন, প্রাণ গেল ৩ জনের Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন ইকবাল চৌধুরী

সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে মুক্ত হলো ১০ পরিবার সরকারি রাস্তা বন্ধ করে অবরুদ্ধ করেছিল প্রভাবশালী তিন ভাই

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামে প্রায় ১৫ দিন ধরে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে ১০টি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছিল এক প্রভাবশালী পরিবারের তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। তবে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে অবশেষে উন্মুক্ত হয়েছে ওই পরিবারের চলাচলের পথ।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হোসেনের নির্দেশে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশের বেড়া অপসারণ করেন এবং অবরুদ্ধ পরিবারের চলাচলের পথ উন্মুক্ত ঘোষণা করেন। এতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বনয়ারীনগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সোনাহারা গ্রামে প্রভাবশালী তিন ভাই—আব্দুল আউয়াল খান, মোতাহার হোসেন ও আব্দুল মতিন—সরকারি রাস্তা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে বাঁশের বেড়া দিয়ে পথটি বন্ধ করে দেন। ফলে গ্রামের মোহাম্মদ কোরবান আলী মণ্ডল, সবুজ মণ্ডল, তরিকুল মণ্ডল, শরিফুল মণ্ডল, হযরত মণ্ডল, মুমতাজ মণ্ডল, রমজান আলী, স্বপন হোসেন, আজগর আলী ও আব্দুল মাওয়াল খানসহ মোট ১০টি পরিবার প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।

এ বিষয়ে ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের জানা মতে এটি বহু বছর ধরেই সরকারি রাস্তা। এটি কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।”

ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হোসেন বলেন, “গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।”

অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর সদস্যরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পরই তারা মুক্তভাবে চলাচলের সুযোগ পেয়েছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত

সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে মুক্ত হলো ১০ পরিবার সরকারি রাস্তা বন্ধ করে অবরুদ্ধ করেছিল প্রভাবশালী তিন ভাই

আপডেট সময় ০৮:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামে প্রায় ১৫ দিন ধরে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে ১০টি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছিল এক প্রভাবশালী পরিবারের তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। তবে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে অবশেষে উন্মুক্ত হয়েছে ওই পরিবারের চলাচলের পথ।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হোসেনের নির্দেশে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশের বেড়া অপসারণ করেন এবং অবরুদ্ধ পরিবারের চলাচলের পথ উন্মুক্ত ঘোষণা করেন। এতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বনয়ারীনগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সোনাহারা গ্রামে প্রভাবশালী তিন ভাই—আব্দুল আউয়াল খান, মোতাহার হোসেন ও আব্দুল মতিন—সরকারি রাস্তা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে বাঁশের বেড়া দিয়ে পথটি বন্ধ করে দেন। ফলে গ্রামের মোহাম্মদ কোরবান আলী মণ্ডল, সবুজ মণ্ডল, তরিকুল মণ্ডল, শরিফুল মণ্ডল, হযরত মণ্ডল, মুমতাজ মণ্ডল, রমজান আলী, স্বপন হোসেন, আজগর আলী ও আব্দুল মাওয়াল খানসহ মোট ১০টি পরিবার প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।

এ বিষয়ে ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের জানা মতে এটি বহু বছর ধরেই সরকারি রাস্তা। এটি কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।”

ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হোসেন বলেন, “গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।”

অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর সদস্যরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পরই তারা মুক্তভাবে চলাচলের সুযোগ পেয়েছেন।


প্রিন্ট