ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo আসামি করা হচ্ছে হাসিনাসহ আওয়ামী মন্ত্রী-এমপিদের Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল Logo ১ নং কাস্টম ঘাট টোলমুক্ত ঘোষণা সৌজন্যে বি কোম্পানি Logo সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ: নাইক্ষ্যংছড়িতে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক Logo লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় পবিত্র রমজানে বাজার মনিটরিং

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম বিরোধী দিবস পালিত

৩০ আগস্ট, আন্তর্জাতিক গুম বিরোধী দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা “অধিকার”-এর ঠাকুরগাঁও জেলা নেটওয়ার্কের আয়োজনে শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তা থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়, যা কোর্ট চত্বর ঘুরে পুনরায় চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গুম একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময় গুমকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বহু রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী ও সাধারণ মানুষ এ অপরাধের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে আজও নিখোঁজ, কেউ কেউ ফিরলেও রয়েছেন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলহাজতে কিংবা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কনডেমড সেলে। তাদের মধ্যে অনেকে আজও নিখোঁজ, কেউ কেউ ফিরলেও রয়েছেন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলহাজতে কিংবা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কনডেমড সেলে।
২০০৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘গুম হওয়া থেকে সমস্ত ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সনদ’ (আইসিপিপিইডি) গৃহীত হলেও দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকার এই সনদটি অনুমোদন করে যা মানবাধিকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

এ সময় অধিকারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সব গুমের ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, নিখোঁজদের অনুসন্ধানে জাতীয় কৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন, ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষায় আলাদা আইন প্রণয়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সাথে জড়িত র‌্যাব বিলুপ্ত সহ ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন “আমার দেশ”-এর জেলা প্রতিনিধি ফজলে ইমাম বুলবুল, মানবাধিকার কর্মী মাসুদ আহমেদ সুবর্ণ, “নয়া দিগন্ত”-এর প্রতিবেদক রাফিক সরকার প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও অধিকারের বক্তব্য তুলে ধরেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক নূর আফতাব রুপম।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম বিরোধী দিবস পালিত

আপডেট সময় ০৪:১৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

৩০ আগস্ট, আন্তর্জাতিক গুম বিরোধী দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা “অধিকার”-এর ঠাকুরগাঁও জেলা নেটওয়ার্কের আয়োজনে শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তা থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়, যা কোর্ট চত্বর ঘুরে পুনরায় চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গুম একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময় গুমকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বহু রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী ও সাধারণ মানুষ এ অপরাধের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে আজও নিখোঁজ, কেউ কেউ ফিরলেও রয়েছেন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলহাজতে কিংবা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কনডেমড সেলে। তাদের মধ্যে অনেকে আজও নিখোঁজ, কেউ কেউ ফিরলেও রয়েছেন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলহাজতে কিংবা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কনডেমড সেলে।
২০০৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘গুম হওয়া থেকে সমস্ত ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সনদ’ (আইসিপিপিইডি) গৃহীত হলেও দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকার এই সনদটি অনুমোদন করে যা মানবাধিকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

এ সময় অধিকারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সব গুমের ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, নিখোঁজদের অনুসন্ধানে জাতীয় কৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন, ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষায় আলাদা আইন প্রণয়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সাথে জড়িত র‌্যাব বিলুপ্ত সহ ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন “আমার দেশ”-এর জেলা প্রতিনিধি ফজলে ইমাম বুলবুল, মানবাধিকার কর্মী মাসুদ আহমেদ সুবর্ণ, “নয়া দিগন্ত”-এর প্রতিবেদক রাফিক সরকার প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও অধিকারের বক্তব্য তুলে ধরেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক নূর আফতাব রুপম।


প্রিন্ট