ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

জামায়াত নেতার প্রশংসা করে যা বললেন পরিবেশ উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৮৬ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। ছবি: যুগান্তর

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের একটি প্রস্তাব সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। তিনি বলেছেন, ঢাকার নদী, বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা পরিস্কার রাখতে চাইলে মেয়র ও রাজনীতিবিদদের বছরে অন্তত দুবার নদীতে গোসল করতে হবে।

তার মতে- মেয়র, এমপি, ডিসি, এসপি, ডিআইজি, কমিশনার, মন্ত্রী সবাই মিলে যদি বছরে দু’বার নদীতে গোসল করেন, তাহলে মানুষ উৎসাহিত হবে এবং নদীগুলো আপনাতেই পরিস্কার হয়ে যাবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর একটি আলোচনা সভায় দেওয়া তার এই বক্তব্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই এর প্রশংসা করেন।

এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানও জামায়াত নেতার এই বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রশংসা করেছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল
এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি পোস্ট পড়ছিলাম এখানে বসে বসে। সেখানে একটা কথা লেখা আছে- ‘ঢাকার খালগুলোতে রাজনীতিবিদ, মেয়র, ডিসিদের বছরে দুবার গোসল করার বিধান থাকলে পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে’। এটা একজন জামায়াত নেতা বলেছেন’।

রেজওয়ানা হাসান বলেন, ‘এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমার মাথায় আসে নাই। এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমারও না। সম্মান রেখেই বলছি, রাজনীতিবিদরাই দেশের সমস্যার সমাধান দেবেন। আমাদের দেশের রাজনীতির প্রথা যদি সফল হতো তাহলে আমাদেরকে আর দায়িত্ব নিতে হতো না হয়তবা। আমাদের আসতে হয় একটা ক্রাইসিস মুহূর্তে মাঝখানের একটা যোগসূত্র করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু শেষ সমাধানটা কিন্তু রাজনীতিবিদদের মাধ্যমেই আসতে হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

জামায়াত নেতার প্রশংসা করে যা বললেন পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:১৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। ছবি: যুগান্তর

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের একটি প্রস্তাব সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। তিনি বলেছেন, ঢাকার নদী, বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা পরিস্কার রাখতে চাইলে মেয়র ও রাজনীতিবিদদের বছরে অন্তত দুবার নদীতে গোসল করতে হবে।

তার মতে- মেয়র, এমপি, ডিসি, এসপি, ডিআইজি, কমিশনার, মন্ত্রী সবাই মিলে যদি বছরে দু’বার নদীতে গোসল করেন, তাহলে মানুষ উৎসাহিত হবে এবং নদীগুলো আপনাতেই পরিস্কার হয়ে যাবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর একটি আলোচনা সভায় দেওয়া তার এই বক্তব্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই এর প্রশংসা করেন।

এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানও জামায়াত নেতার এই বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রশংসা করেছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল
এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি পোস্ট পড়ছিলাম এখানে বসে বসে। সেখানে একটা কথা লেখা আছে- ‘ঢাকার খালগুলোতে রাজনীতিবিদ, মেয়র, ডিসিদের বছরে দুবার গোসল করার বিধান থাকলে পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে’। এটা একজন জামায়াত নেতা বলেছেন’।

রেজওয়ানা হাসান বলেন, ‘এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমার মাথায় আসে নাই। এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমারও না। সম্মান রেখেই বলছি, রাজনীতিবিদরাই দেশের সমস্যার সমাধান দেবেন। আমাদের দেশের রাজনীতির প্রথা যদি সফল হতো তাহলে আমাদেরকে আর দায়িত্ব নিতে হতো না হয়তবা। আমাদের আসতে হয় একটা ক্রাইসিস মুহূর্তে মাঝখানের একটা যোগসূত্র করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু শেষ সমাধানটা কিন্তু রাজনীতিবিদদের মাধ্যমেই আসতে হবে।


প্রিন্ট