ঢাকা ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo নবীনগরে মতবিনিময় সভা: তৃণমূলে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে আন্তরিকতার আহ্বান জেলা প্রশাসকের Logo অল্প সময়ে,স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চল যাই গ্রাম আদালতে Logo কিশোর গঞ্জ জেলা ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাইকোর্টের আদেশেও দায়িত্ব পাননি চেয়ারম্যান রিপন Logo ছয় মাসেও ফেরেনি প্রতিবন্ধী রাজ্জাকের দোকান, আশ্বাসেই থমকে আছে প্রশাসনিক উদ্যোগ Logo রূপপুরের চুল্লিতে যেভাবে তৈরি হবে বিদ্যুৎ Logo জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইইউ Logo কক্সবাজারে এমপি কাজলের প্রচেষ্টায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নেয়া হল বড় প্রকল্প Logo চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

জামালপুরে আবাদীনকে খুনের দায়ে ০২জনকে মৃত্যুদন্ড,০৩ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত

জামালপুরে আবাদীনকে খুন করায় খুনের মামলায় ০২জনকে মৃত্যদন্ড, ০৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ০১জনকে খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এ রায় দেন। মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো: মোতালেব হোসেন, মৃত আইন উদ্দিন ফকিরের আরেক ছেলে মো: রশিদ জামাল। যাবজ্জীবন কারাদন্ড পাপ্ত আসামীরা হলেন, আইন উদ্দিন ফকিরের ছেলে আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া ও আব্দুল হামেদ। এবং একই উপজেলার আসাদ জামালের ছেলে খোরশেদ আলমকে খালাস দিয়েছে আদালত।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত (পিপি) অ্যাডভোকেট মো: দিদারুল ইসলাম দিদার বলেন, ২০০৭ সালের ২২ মে মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো ৩ থেকে ৪ জন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর এলাকায় আক্তার হোসেন আবেদীনের বাসায় গিয়ে আবেদীনের খোজ করে। আবেদীন বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে বলে, আবেদীন বাসায় আসলে তাদের সাথে দেখা করতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। পরে রাত ৮টার দিকে আবেদীন বাসায় আসলের পর তার স্ত্রী তাকে বলে যে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো কয়েকজন তোমাকে তাদের সাথে দেখা করতে বলছে। আবেদীন রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ওই দিন রাতের তাদের সাথে দেখা করতে বাসা থেকে বের হয় এবং ওই এলাকার সবুজপুর দাখিল মাদ্রাসার মাঠের পাশে মোতালেবদের সাথে আবেদীনের দেখা হয়। সেই সময়ই মোতালেরে হুকুমে অন্যরা তাদের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবাদীনের পেটের বাম পাশে আঘাত করে পিঠ পর্যন্ত ছিদ্র করে ফেলে। পরে আবেদীনের চিৎকার শুরে তার স্ত্রী ছালেহা বেগম ও মেয়ে কনিকা বেগমসহ কয়েকজন তাকে দেওয়ানঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনার পরদিন আবেদীনের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আসামীদের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে আদালত আজ মোতালেব হোসেন, রশিদ জামালকে মৃত্যুদন্ড ও আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং খোরশেদ আলমকে খালাস দেয়।
০৮.০৪.২৬


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুরে আবাদীনকে খুনের দায়ে ০২জনকে মৃত্যুদন্ড,০৩ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরে আবাদীনকে খুন করায় খুনের মামলায় ০২জনকে মৃত্যদন্ড, ০৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ০১জনকে খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এ রায় দেন। মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো: মোতালেব হোসেন, মৃত আইন উদ্দিন ফকিরের আরেক ছেলে মো: রশিদ জামাল। যাবজ্জীবন কারাদন্ড পাপ্ত আসামীরা হলেন, আইন উদ্দিন ফকিরের ছেলে আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া ও আব্দুল হামেদ। এবং একই উপজেলার আসাদ জামালের ছেলে খোরশেদ আলমকে খালাস দিয়েছে আদালত।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত (পিপি) অ্যাডভোকেট মো: দিদারুল ইসলাম দিদার বলেন, ২০০৭ সালের ২২ মে মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো ৩ থেকে ৪ জন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর এলাকায় আক্তার হোসেন আবেদীনের বাসায় গিয়ে আবেদীনের খোজ করে। আবেদীন বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে বলে, আবেদীন বাসায় আসলে তাদের সাথে দেখা করতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। পরে রাত ৮টার দিকে আবেদীন বাসায় আসলের পর তার স্ত্রী তাকে বলে যে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো কয়েকজন তোমাকে তাদের সাথে দেখা করতে বলছে। আবেদীন রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ওই দিন রাতের তাদের সাথে দেখা করতে বাসা থেকে বের হয় এবং ওই এলাকার সবুজপুর দাখিল মাদ্রাসার মাঠের পাশে মোতালেবদের সাথে আবেদীনের দেখা হয়। সেই সময়ই মোতালেরে হুকুমে অন্যরা তাদের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবাদীনের পেটের বাম পাশে আঘাত করে পিঠ পর্যন্ত ছিদ্র করে ফেলে। পরে আবেদীনের চিৎকার শুরে তার স্ত্রী ছালেহা বেগম ও মেয়ে কনিকা বেগমসহ কয়েকজন তাকে দেওয়ানঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনার পরদিন আবেদীনের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আসামীদের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে আদালত আজ মোতালেব হোসেন, রশিদ জামালকে মৃত্যুদন্ড ও আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং খোরশেদ আলমকে খালাস দেয়।
০৮.০৪.২৬


প্রিন্ট