ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোর গঞ্জ জেলার ভৈরবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সংকট, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তিতে গ্রাহক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো জ্বালানি পাচ্ছেন না মোটরসাইকেল আরোহীরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে ভৈরব শহরের ভাই ভাই ফিলিং স্টেশন ও মিন্টু মিয়া ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল আরোহীরা জ্বালানি নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন। তবে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

মোটরসাইকেল চালকরা জানান, সকালে পাম্পে তেল নিতে এলে কর্তৃপক্ষ জানায় ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে প্রতি মোটরসাইকেলে মাত্র ১ লিটার বা ২০০ থেকে ৩০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে।
কিছু ফিলিং স্টেশনে আবার সাময়িকভাবে তেল সরবরাহ বন্ধও রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনের মালিক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, “এতদিন আমাদের পাম্পে যে পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন ছিল, তা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করেছি। কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ নেই, তাই চাহিদামতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ডিপো থেকে প্রতিদিন অর্ধেক গাড়ি করে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা যানবাহনে দেওয়া হচ্ছে। পেট্রোল ও অকটেন সীমিত থাকায় সরকারি বিভাগ ও মোটরসাইকেল আরোহীদের ২০০-৩০০ টাকার বেশি দেওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিপো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরনগরে দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ

কিশোর গঞ্জ জেলার ভৈরবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সংকট, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তিতে গ্রাহক

আপডেট সময় ০৬:৪১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো জ্বালানি পাচ্ছেন না মোটরসাইকেল আরোহীরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে ভৈরব শহরের ভাই ভাই ফিলিং স্টেশন ও মিন্টু মিয়া ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল আরোহীরা জ্বালানি নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন। তবে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

মোটরসাইকেল চালকরা জানান, সকালে পাম্পে তেল নিতে এলে কর্তৃপক্ষ জানায় ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে প্রতি মোটরসাইকেলে মাত্র ১ লিটার বা ২০০ থেকে ৩০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে।
কিছু ফিলিং স্টেশনে আবার সাময়িকভাবে তেল সরবরাহ বন্ধও রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনের মালিক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, “এতদিন আমাদের পাম্পে যে পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন ছিল, তা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করেছি। কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ নেই, তাই চাহিদামতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ডিপো থেকে প্রতিদিন অর্ধেক গাড়ি করে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা যানবাহনে দেওয়া হচ্ছে। পেট্রোল ও অকটেন সীমিত থাকায় সরকারি বিভাগ ও মোটরসাইকেল আরোহীদের ২০০-৩০০ টাকার বেশি দেওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিপো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।


প্রিন্ট