ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে গজারি ইউনিয়নের প্রধান নুরুল ইসলাম খোলকানী অনুষ্ঠিত, সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল Logo আবিদুলের অভিযোগের জবাবে সাদিক কায়েম ‘ছাত্রদলের অপকর্ম, দেশের সংকট- সবকিছু ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে Logo রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড Logo ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলি, হামলাকারী আটক Logo কাশিমপুরে কসাইয়ের ছুরিকাঘাতে চিকিৎসক গুরুতর জখম, ঘাতক গ্রেফতার Logo গণভোটের রায়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট খারিজ হয়ে গেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার Logo মুসলিম হিজড়া মারা গেলে জানাজা-কাফন-দাফনের বিধান কী? Logo প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে বিএনপি Logo যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার Logo ঈদগাঁও পোকখালী ৩ কিলোমিটার জিয়া খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন

আবিদুলের অভিযোগের জবাবে সাদিক কায়েম ‘ছাত্রদলের অপকর্ম, দেশের সংকট- সবকিছু ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। ছবি:সময়েরকন্ঠ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে সাদিক কায়েমের সামনেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জবাব চান আবিদুল। পরে এ বিষয়ে একটি পোস্টও দেন তিনি।

এদিকে আবিদুলের তোলা অভিযোগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই শনিবার (২৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন সাদিক কায়েম।

তিনি অপপ্রচার চালানো ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনদের (পরিচালনাকারী) সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া এবং অর্থায়নের বিষয়ে আবিদুল ইসলাম খানের তোলা অভিযোগের পেছনে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ হিসেবে দেখছেন।

তার ভাষ্য, আবিদুল ইসলাম খানের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ছাত্রদলের সব অপকর্ম, দেশের সব সংকট ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে।

সাদিক কায়েম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার সব সময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভয় পায়৷ দেশের চলমান অস্থিরতা এবং সরকারের একের পর এক ব্যর্থতায় ডাকসুর নেতাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবস্থান জারি রেখে প্রতিবাদ করে। সম্ভবত সরকার এই প্রতিবাদী সংস্কৃতিকে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি মনে করছে। তাই তাদের দরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকা এবং ক্যাম্পাসগুলো নিয়ন্ত্রণ করা৷ তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ছাত্রদলের সব অপকর্ম, দেশের সব সংকট ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা—সবকিছু ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে।

ডাকসু ভিপি লেখেন, ‘আবিদুল ইসলাম খান যে দুটি পেজের ব্যাপারে অভিযোগ এনেছেন, তা অবশ্যই সবিস্তার খতিয়ে দেখার দাবি রাখে৷ আমরা সেটি করব, ইনশা আল্লাহ। তবে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডিইউ ইনসাইডার্স পেজ থেকে কাউকে হেনস্তা করে কিংবা কারও বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো অপপ্রচার চালানো হয়নি বলে পেজের এডমিন দাবি করেছেন। এই পেজের নামে হুবহু একই বানানে একই প্রোফাইল পিকচার দিয়ে আরেকটি পেইজ খোলা হয়েছিল, যে পেজ থেকে ডাকসুর প্রতিনিধিদের নিয়েও আক্রমণাত্মক, অশালীন এবং হয়রানিমূলক পোস্ট করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিইউ ইনসাইডার্স নামের সেই পেইজটির বিরুদ্ধে আমরাও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তবে নাম একই হলেও দুটো পেজ ভিন্ন।’

‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ পেজের একজন অ্যাডমিনের সঙ্গে সাদিকের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ফাঁস করেছেন আবিদুল।

সে বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে সাদিক কায়েম লিখেছেন, ‘ডিইউ ইনসাইডার্স পেজটির অ্যাডমিন আমার হলের ছোট ভাই। ওমরায় থাকাকালে তাকে প্রেরণকৃত একটি হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজের স্ক্রিনশট দিয়েও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ আমি আমার পরিচিত সিনিয়র, জুনিয়র, সহযোদ্ধা, সহকর্মী অনেককেই স্মরণ করে সে সময় ম্যাসেজ পাঠিয়েছিলাম, এমনকি স্বয়ং আবিদুল ইসলাম খানকেও৷ তিনি তার রিপ্লাইও দিয়েছিলেন। এটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও সৌজন্যমূলক যোগাযোগ।’

তিনি আরও লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কর্তৃক ডিপার্টমেন্ট অব বাকশাল, ক্রিমিনালস ডিইউসহ বেশ কয়েকটি পেজ খোলা হয়। এরপর ডাকসু কণ্ঠস্বর নামে খোলা পেজ থেকে হেন কোনো ভুয়া ফটোকার্ড নেই, যা ছড়ানো হয়নি। পেজটির নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে দ্য ডেইলি ডাকসু নামে চালানো হয় এবং নিয়মিত গুজব ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়।

এ ছাড়া আমার ডাকসু, আমার রাকসু, আমার চাকসু, কাঁঠেরকেল্লা, ন্যাশনালিস্ট ডে টা, মোল্লার দেশ, ন্যাশনালিস্ট ইনসাইডার, দশের লাঠি, মগবাজার, লন্ডন বিডি টিভি, রৌমারি প্রভৃতি পেজ থেকে বিগত দিনগুলোতে এমন কোনো অপপ্রচার নেই, যা করা হয়নি। এআই দিয়ে ভুয়া ছবি বানিয়ে, বিকৃত প্রচারণা চালিয়ে নানাবিধ হয়রানির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এর প্রত্যেকটি পেজ কারা চালায়, তা কারোরই অজানা নয়।’

অপপ্রচারকারী’ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনদের চালান সাদিক কায়েম, ছাত্রদলের আবিদুলের এমন অভিযোগে সাদিক কায়েম আরও লেখেন, ‘সারা বাংলাদেশে বিএনপি-ছাত্রদল কর্তৃক ধর্ষণ, হত্যা, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, ভুয়া স্ক্রিনশট তৈরি করে হত্যার চেষ্টা, থানার ভেতরে মব তৈরি, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং ডাকসুর নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর নির্মম নির্যাতন—এগুলো কি আসলেই কোন তুচ্ছ ঘটনা? কোনো বিবেকবান মানুষ কি এসবকে সমর্থন করতে পারে? আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এত সব গুরুতর অন্যায় করেও যাদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনাবোধ নেই, তাদের সারা বাংলাদেশের আপামর শিক্ষার্থী-জনতা যথাসময়ে উপযুক্ত জবাব দেবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে গজারি ইউনিয়নের প্রধান নুরুল ইসলাম খোলকানী অনুষ্ঠিত, সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল

আবিদুলের অভিযোগের জবাবে সাদিক কায়েম ‘ছাত্রদলের অপকর্ম, দেশের সংকট- সবকিছু ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে

আপডেট সময় ১১:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। ছবি:সময়েরকন্ঠ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে সাদিক কায়েমের সামনেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জবাব চান আবিদুল। পরে এ বিষয়ে একটি পোস্টও দেন তিনি।

এদিকে আবিদুলের তোলা অভিযোগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই শনিবার (২৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন সাদিক কায়েম।

তিনি অপপ্রচার চালানো ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনদের (পরিচালনাকারী) সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া এবং অর্থায়নের বিষয়ে আবিদুল ইসলাম খানের তোলা অভিযোগের পেছনে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ হিসেবে দেখছেন।

তার ভাষ্য, আবিদুল ইসলাম খানের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ছাত্রদলের সব অপকর্ম, দেশের সব সংকট ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে।

সাদিক কায়েম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার সব সময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভয় পায়৷ দেশের চলমান অস্থিরতা এবং সরকারের একের পর এক ব্যর্থতায় ডাকসুর নেতাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবস্থান জারি রেখে প্রতিবাদ করে। সম্ভবত সরকার এই প্রতিবাদী সংস্কৃতিকে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি মনে করছে। তাই তাদের দরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকা এবং ক্যাম্পাসগুলো নিয়ন্ত্রণ করা৷ তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ছাত্রদলের সব অপকর্ম, দেশের সব সংকট ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা—সবকিছু ঢেকে দিতে সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম দৃশ্যমান হচ্ছে।

ডাকসু ভিপি লেখেন, ‘আবিদুল ইসলাম খান যে দুটি পেজের ব্যাপারে অভিযোগ এনেছেন, তা অবশ্যই সবিস্তার খতিয়ে দেখার দাবি রাখে৷ আমরা সেটি করব, ইনশা আল্লাহ। তবে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডিইউ ইনসাইডার্স পেজ থেকে কাউকে হেনস্তা করে কিংবা কারও বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো অপপ্রচার চালানো হয়নি বলে পেজের এডমিন দাবি করেছেন। এই পেজের নামে হুবহু একই বানানে একই প্রোফাইল পিকচার দিয়ে আরেকটি পেইজ খোলা হয়েছিল, যে পেজ থেকে ডাকসুর প্রতিনিধিদের নিয়েও আক্রমণাত্মক, অশালীন এবং হয়রানিমূলক পোস্ট করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিইউ ইনসাইডার্স নামের সেই পেইজটির বিরুদ্ধে আমরাও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তবে নাম একই হলেও দুটো পেজ ভিন্ন।’

‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ পেজের একজন অ্যাডমিনের সঙ্গে সাদিকের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ফাঁস করেছেন আবিদুল।

সে বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে সাদিক কায়েম লিখেছেন, ‘ডিইউ ইনসাইডার্স পেজটির অ্যাডমিন আমার হলের ছোট ভাই। ওমরায় থাকাকালে তাকে প্রেরণকৃত একটি হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজের স্ক্রিনশট দিয়েও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ আমি আমার পরিচিত সিনিয়র, জুনিয়র, সহযোদ্ধা, সহকর্মী অনেককেই স্মরণ করে সে সময় ম্যাসেজ পাঠিয়েছিলাম, এমনকি স্বয়ং আবিদুল ইসলাম খানকেও৷ তিনি তার রিপ্লাইও দিয়েছিলেন। এটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও সৌজন্যমূলক যোগাযোগ।’

তিনি আরও লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কর্তৃক ডিপার্টমেন্ট অব বাকশাল, ক্রিমিনালস ডিইউসহ বেশ কয়েকটি পেজ খোলা হয়। এরপর ডাকসু কণ্ঠস্বর নামে খোলা পেজ থেকে হেন কোনো ভুয়া ফটোকার্ড নেই, যা ছড়ানো হয়নি। পেজটির নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে দ্য ডেইলি ডাকসু নামে চালানো হয় এবং নিয়মিত গুজব ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়।

এ ছাড়া আমার ডাকসু, আমার রাকসু, আমার চাকসু, কাঁঠেরকেল্লা, ন্যাশনালিস্ট ডে টা, মোল্লার দেশ, ন্যাশনালিস্ট ইনসাইডার, দশের লাঠি, মগবাজার, লন্ডন বিডি টিভি, রৌমারি প্রভৃতি পেজ থেকে বিগত দিনগুলোতে এমন কোনো অপপ্রচার নেই, যা করা হয়নি। এআই দিয়ে ভুয়া ছবি বানিয়ে, বিকৃত প্রচারণা চালিয়ে নানাবিধ হয়রানির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এর প্রত্যেকটি পেজ কারা চালায়, তা কারোরই অজানা নয়।’

অপপ্রচারকারী’ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনদের চালান সাদিক কায়েম, ছাত্রদলের আবিদুলের এমন অভিযোগে সাদিক কায়েম আরও লেখেন, ‘সারা বাংলাদেশে বিএনপি-ছাত্রদল কর্তৃক ধর্ষণ, হত্যা, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, ভুয়া স্ক্রিনশট তৈরি করে হত্যার চেষ্টা, থানার ভেতরে মব তৈরি, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং ডাকসুর নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর নির্মম নির্যাতন—এগুলো কি আসলেই কোন তুচ্ছ ঘটনা? কোনো বিবেকবান মানুষ কি এসবকে সমর্থন করতে পারে? আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এত সব গুরুতর অন্যায় করেও যাদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনাবোধ নেই, তাদের সারা বাংলাদেশের আপামর শিক্ষার্থী-জনতা যথাসময়ে উপযুক্ত জবাব দেবে।


প্রিন্ট