ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা Logo সংসদেই সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে অথচ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের তালবাহানা অবৈধ সরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে নৌপথে সার্বিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড Logo পশুর নদীসহ সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে: মোংলায় প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড.শেখ ফরিদুল ইসলাম Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের Logo ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে Logo ভাঙ্গুড়ায় মশক নিধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত Logo লেবাননে ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩১ Logo ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র: উত্তরণের পথ খুঁজছেন ট্রাম্প Logo আনোয়ারায় শ্রমজীবী ও পেশাজীবীদের সম্মানে এডভোকেট নুরুল কবির রানা’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

যেখানে যা লাগে তাই দিতে ইচ্ছুক,ওসি কাশিমপুর

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন যেখানে যা লাগে তাই দিতে ইচ্ছুক।
সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায় ওসি কাশিমপুর তিনি এমন এক ব্যক্তি সত্য ঘটনা উদঘাটন করতে যেখানে যা লাগে তিনি তাই দিতে প্রস্তুত। বাংলা সিনেমার নায়ক, ভিলেন, পরিচালক, প্রযোজক সকলকে হার মানিয়ে অভিনয়ে সেরা কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন। বিশেষ কিছু অভিনয়ে তিনি সেরা প্রেম ভালবাসা ও মাদক সেবনকারী। প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে তিনি বিভিন্ন সময় এই অভিনয়গুলো করে থাকেন। বিশেষ করে মাদক ব্যবসায়ীদের এক আতঙ্কের নাম ওসি মোল্লা খালিদ হোসেন।

এলাকাবাসীরা বলেন কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন ছদ্মবেশে সঠিক তথ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি মাদক অভিযান পরিচালনা করে তিনি সফল হন। এতে আমাদের এলাকার অনেক মাদক ব্যবসায়ী ব্যবসা বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেএখন আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে আমরা মাদকের কবল থেকে অনেকটা স্বস্তি বোধ করি।

নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন আমাদের লোহাকৈর ও লস্কর চলা এলাকায় দিনের বেলা চলত মাদক বিক্রয় ও সেবন আর রাতের বেলায় চলত চুরি, ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। সন্ধ্যার পর রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে আমাদের ভয় হতো এই ওসি আসার পরে ক্রেতা সেজে, ছদ্মবেশে বেশ কয়েকটি মাদক অভিযান পরিচালনা করেন ফলে অনেক মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে এবং অনেক সেবনকারীরাও মাদক সেবন ছেড়ে দিয়েছে।আগে যেখানে মাদকের আখড়া ছিল সেসব জায়গায় এখন গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ক্যাফে রেস্তোরাঁ। পুলিশের টহল নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়াই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়।আমাদের এলাকা এখন পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত। ধন্যবাদ কাশিমপুর থানার ওসিকে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা থানায় এরকম অফিসার ইনচার্জ থাকলে দেশে মাদকের কোন বংশ বিস্তার থাকতো না।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন বলেন অপরাধীকে ধরতে আমার যখন যে অভিনয় যা কিছু করা লাগে আমি তাই করতে প্রস্তুত। কাউকে প্রেম ভালবাসা দিয়ে কাউকে টাকা পয়সা দিয়ে কাউকে আদর সোহাগ দিয়ে আমি তাদের মনের ভিতরের সত্য কথাটা বের করে নিয়ে আসি। প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে গেলে নিজেকে অনেক সময় ছদ্মবেশে অনেক কিছু করতে হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

যেখানে যা লাগে তাই দিতে ইচ্ছুক,ওসি কাশিমপুর

আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন যেখানে যা লাগে তাই দিতে ইচ্ছুক।
সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায় ওসি কাশিমপুর তিনি এমন এক ব্যক্তি সত্য ঘটনা উদঘাটন করতে যেখানে যা লাগে তিনি তাই দিতে প্রস্তুত। বাংলা সিনেমার নায়ক, ভিলেন, পরিচালক, প্রযোজক সকলকে হার মানিয়ে অভিনয়ে সেরা কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন। বিশেষ কিছু অভিনয়ে তিনি সেরা প্রেম ভালবাসা ও মাদক সেবনকারী। প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে তিনি বিভিন্ন সময় এই অভিনয়গুলো করে থাকেন। বিশেষ করে মাদক ব্যবসায়ীদের এক আতঙ্কের নাম ওসি মোল্লা খালিদ হোসেন।

এলাকাবাসীরা বলেন কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন ছদ্মবেশে সঠিক তথ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি মাদক অভিযান পরিচালনা করে তিনি সফল হন। এতে আমাদের এলাকার অনেক মাদক ব্যবসায়ী ব্যবসা বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেএখন আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে আমরা মাদকের কবল থেকে অনেকটা স্বস্তি বোধ করি।

নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন আমাদের লোহাকৈর ও লস্কর চলা এলাকায় দিনের বেলা চলত মাদক বিক্রয় ও সেবন আর রাতের বেলায় চলত চুরি, ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। সন্ধ্যার পর রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে আমাদের ভয় হতো এই ওসি আসার পরে ক্রেতা সেজে, ছদ্মবেশে বেশ কয়েকটি মাদক অভিযান পরিচালনা করেন ফলে অনেক মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে এবং অনেক সেবনকারীরাও মাদক সেবন ছেড়ে দিয়েছে।আগে যেখানে মাদকের আখড়া ছিল সেসব জায়গায় এখন গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ক্যাফে রেস্তোরাঁ। পুলিশের টহল নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়াই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়।আমাদের এলাকা এখন পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত। ধন্যবাদ কাশিমপুর থানার ওসিকে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা থানায় এরকম অফিসার ইনচার্জ থাকলে দেশে মাদকের কোন বংশ বিস্তার থাকতো না।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন বলেন অপরাধীকে ধরতে আমার যখন যে অভিনয় যা কিছু করা লাগে আমি তাই করতে প্রস্তুত। কাউকে প্রেম ভালবাসা দিয়ে কাউকে টাকা পয়সা দিয়ে কাউকে আদর সোহাগ দিয়ে আমি তাদের মনের ভিতরের সত্য কথাটা বের করে নিয়ে আসি। প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে গেলে নিজেকে অনেক সময় ছদ্মবেশে অনেক কিছু করতে হয়।


প্রিন্ট