ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ  Logo জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় Logo বিএনপি’ দলের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার অধীনস্ত দায়িত্ব বণ্টন

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের বিচার শুরু আজ

  • আইন আদালত রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৬ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লবের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিচার শুরু হবে আজ।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এই মামলার সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

এই মামলায় সব আসামি পলাতক। অপর আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। শুনানিতে তারা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরেন। এর মধ্যে ওবায়দুল কাদেরের তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এছাড়া সবার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচণার অভিযোগ আনা হয়। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন করেন।

এরপর আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। এ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে তাদের মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ না থাকায় আসামিদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২২ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির হননি। পরে পলাতক বিবেচনায় আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এছাড়া পরোয়ানা জারির পর ২৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার কথা ছিল। তবে স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়ে কাউকে খুঁজে পায়নি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের বিচার শুরু আজ

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিচার শুরু হবে আজ।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এই মামলার সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

এই মামলায় সব আসামি পলাতক। অপর আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। শুনানিতে তারা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরেন। এর মধ্যে ওবায়দুল কাদেরের তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এছাড়া সবার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচণার অভিযোগ আনা হয়। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন করেন।

এরপর আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। এ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে তাদের মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ না থাকায় আসামিদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২২ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির হননি। পরে পলাতক বিবেচনায় আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এছাড়া পরোয়ানা জারির পর ২৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার কথা ছিল। তবে স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়ে কাউকে খুঁজে পায়নি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।


প্রিন্ট