ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান হত্যায় জড়িত মিরাজ ৩ দিনের রিমান্ডে

কিশোর গঞ্জে ভৈরবে ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মূল হত্যাকারী মিরাজকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও আরএনবির (রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী) কড়া প্রহরায় আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন শিশুসহ ৩ জন কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১টায় ভৈরব আউটার সিগন্যাল এলাকা থেকে ঢাকা পল্লবী কলেজের শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। ছিনতাইকারীরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহটি রেললাইনে ফেলে যায়, যাতে বিষয়টি ‘ট্রেন দুর্ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেওয়া যায়। রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

ভৈরবে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান হত্যায় জড়িত মিরাজ ৩ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৭:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিশোর গঞ্জে ভৈরবে ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মূল হত্যাকারী মিরাজকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও আরএনবির (রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী) কড়া প্রহরায় আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন শিশুসহ ৩ জন কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১টায় ভৈরব আউটার সিগন্যাল এলাকা থেকে ঢাকা পল্লবী কলেজের শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। ছিনতাইকারীরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহটি রেললাইনে ফেলে যায়, যাতে বিষয়টি ‘ট্রেন দুর্ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেওয়া যায়। রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


প্রিন্ট