ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল Logo ১ নং কাস্টম ঘাট টোলমুক্ত ঘোষণা সৌজন্যে বি কোম্পানি Logo সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ: নাইক্ষ্যংছড়িতে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক Logo লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় পবিত্র রমজানে বাজার মনিটরিং Logo ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি ‘মাদক সম্রাট’ জসিম গ্রেপ্তার Logo একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতার জামিন, আইনজীবীদের আদালত বর্জন

শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন শি জিনপিং, নেপথ্যে কী?

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও শীর্ষ জেনারেল ঝাং ইউকসিয়া

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) শীর্ষ পদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে পরিস্থিতি বেশ গরমই চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান জেনারেল ঝাং ইউকসিয়া এবং আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ চীনের অভিজাত মহলে ক্ষমতার লড়াই ও শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

৭৫ বছর বয়সী ঝাং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের একজন প্রধান নেতা ছিলেন। সাধারণত সাত সদস্যের এই কমিশনে এখন কেবল শি জিনপিং এবং জেনারেল ঝাং শেংমিনই রয়ে গেছেন। বাকি সদস্যদের ‘দুর্নীতিবিরোধী’ অভিযানের নামে সরানো হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পিএলএ এখন বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে সামরিক বাহিনীর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও, এই ঘটনা চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং শীর্ষ নেতৃত্বে শি জিনপিংয়ের প্রভাবকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করে।

ন্যাটোর আদলে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠন, বাস্তবতা কী বলে?
সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ঝাং ও লিউকে ‘শৃঙ্খলা ও আইনের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং ‘দুর্নীতি’ এর অভিযোগে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে বিস্তারিত অভিযোগ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। সরকারি সংবাদপত্র ‘পিএলএ ডেইলি’ ইতোমধ্যেই তাদেরকে ‘কেন্দ্রীয় কমিটির বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘সামরিক কমিশনকে অবমাননা’ করার দোষী হিসেবে দেখিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসব অপসারণ সামরিক বাহিনীতে সন্দেহ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করবে, যা শীর্ষ পদে থাকা কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষত, তাইওয়ান দখলের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ধরনের নেতৃত্বশূন্যতা এবং ভীতি সামরিক কর্মকাণ্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। তবে চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে শি জিনপিংয়ের নিয়ন্ত্রণ অটুট থাকায়, দ্বীপে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত মূলত তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন শি জিনপিং, নেপথ্যে কী?

আপডেট সময় ০৫:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও শীর্ষ জেনারেল ঝাং ইউকসিয়া

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) শীর্ষ পদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে পরিস্থিতি বেশ গরমই চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান জেনারেল ঝাং ইউকসিয়া এবং আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ চীনের অভিজাত মহলে ক্ষমতার লড়াই ও শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

৭৫ বছর বয়সী ঝাং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের একজন প্রধান নেতা ছিলেন। সাধারণত সাত সদস্যের এই কমিশনে এখন কেবল শি জিনপিং এবং জেনারেল ঝাং শেংমিনই রয়ে গেছেন। বাকি সদস্যদের ‘দুর্নীতিবিরোধী’ অভিযানের নামে সরানো হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পিএলএ এখন বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে সামরিক বাহিনীর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও, এই ঘটনা চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং শীর্ষ নেতৃত্বে শি জিনপিংয়ের প্রভাবকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করে।

ন্যাটোর আদলে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠন, বাস্তবতা কী বলে?
সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ঝাং ও লিউকে ‘শৃঙ্খলা ও আইনের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং ‘দুর্নীতি’ এর অভিযোগে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে বিস্তারিত অভিযোগ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। সরকারি সংবাদপত্র ‘পিএলএ ডেইলি’ ইতোমধ্যেই তাদেরকে ‘কেন্দ্রীয় কমিটির বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘সামরিক কমিশনকে অবমাননা’ করার দোষী হিসেবে দেখিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসব অপসারণ সামরিক বাহিনীতে সন্দেহ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করবে, যা শীর্ষ পদে থাকা কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষত, তাইওয়ান দখলের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ধরনের নেতৃত্বশূন্যতা এবং ভীতি সামরিক কর্মকাণ্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। তবে চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে শি জিনপিংয়ের নিয়ন্ত্রণ অটুট থাকায়, দ্বীপে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত মূলত তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে।


প্রিন্ট