ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য। বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব কাজী মোঃ আনোয়ার হোসেনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে Logo জামালপুর পাকুল্লায়  স্ত্রীকে গণধর্ষণ করা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ Logo মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের নামে বন বিভাগের গাছের গুঁড়ি সরানোর অভিযোগে মামলা Logo রাস্তার কাজের অস্তিত্ব নেই, কাগজে-কলমে ৩ লাখ টাকার প্রকল্প! ভাঙ্গুড়ায় টিআর প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে Logo ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা ৫ এমপি প্রার্থীর Logo ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ অভিযান শুরু Logo ইরানের প্রতিরোধে দিশাহারা ট্রাম্প Logo ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে Logo এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতারের আয়োজন করল এশিয়ান টেলিভিশন এর ফুলবাড়ী প্রতিনিধি কবির সরকার Logo পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মুসকান ফারিয়া সম্পাদক, রাইট টক বাংলাদেশ।

ইনডেক্স কর্তনের শুনানীতে উপস্থিত হননি ভূয়া প্রমাণিত,ভূয়া শিক্ষক” হাবিবুর রহমান

জামালপুরে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায়  ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
(১২ জানুয়ারি)সোমবার মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ অভিযুক্ত ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল কে শুনানীতে উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি।
জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার নিবন্ধন সনদ জাল।তিনি ১২তম নিবন্ধন জাল সনদ  দেখিয়ে মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন,২৬-১২-২০১৫ইং তারিখে অথচ ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ৪ মার্চ ২০১৬ সালে।মজার বিষয় হচ্ছে বিয়ের আগে বাচ্চা হয়েছে।জানা যায়,এই হাবিবুর রহমান সনদ জালিয়াতির মূল হোতা।সনদ জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।এ বিষয়ে “দৈনিক বায়েজিদ”পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগকারী হয়ে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ(এনটিআরসিএ) মহাপরিচালক বরাবর২২-০৪-২৫ ইং তারিখে অভিযোগ দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।পরবর্তীতে ১৫-০৯-২৫ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাচাই বাছাই পূর্বক সহকারী পরিচালক মো:সাইফুল ইসলাম (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-২) এনটিআরসিএ,ঢাকা, প্রতিবেদন দেন হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।ফলে ২৮-০৯-২৫ ইং তারিখে ভূয়া সনদের বিরুদ্দে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) বরাবর ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মাহবুবুল হক  আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব দেন সহকারী পরিচালক(সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মো:আসাদুজ্জামান সাহেব কে।তাঁর সহযোগিতায় জনাব মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান,সভাপতি/মাদ্রাসা সুপার এনামুল এবং আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে আগামী ১৯-০১-২৬ ইং তারিখে বেলা ১১:০০ঘটিকায় শুনানীর জন্য উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে সকল তথ্য প্রমাণকসহ স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি দেন।কিন্তু ১৯-০১-২০২৬ ইং তারিখে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে বেলা ১১:০০ ঘটিকায় তো দূরের কথা সারাদিনের মধ্যও উপস্থিত হননি। শুনানীতে উপস্থিত ছিলেন আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।শুনানী গ্রহণ করেন মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।তিনি বলেন,উক্ত শুনানী আমি মহাপরিচালক স্যারকে জানাবো এবং অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান সুপার এনামুল শুনানীতে আসে নাই।আবেদনকারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,স্যার যদি বলেন যে,যেহেতু অভিযুক্তরা আসে নাই সেহেতু ইনডেক্স কর্তন কর,তাহলে আমি সেই ব্যবস্থা নিবো।আর যদি বলেন যে,শুনানির জন্য আর একবার ডাকো তাহলে আমি তাই করবো।মহাপরিচালক স্যারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য। বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব কাজী মোঃ আনোয়ার হোসেনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে

ইনডেক্স কর্তনের শুনানীতে উপস্থিত হননি ভূয়া প্রমাণিত,ভূয়া শিক্ষক” হাবিবুর রহমান

আপডেট সময় ০৭:৪০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায়  ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
(১২ জানুয়ারি)সোমবার মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ অভিযুক্ত ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল কে শুনানীতে উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি।
জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার নিবন্ধন সনদ জাল।তিনি ১২তম নিবন্ধন জাল সনদ  দেখিয়ে মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন,২৬-১২-২০১৫ইং তারিখে অথচ ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ৪ মার্চ ২০১৬ সালে।মজার বিষয় হচ্ছে বিয়ের আগে বাচ্চা হয়েছে।জানা যায়,এই হাবিবুর রহমান সনদ জালিয়াতির মূল হোতা।সনদ জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।এ বিষয়ে “দৈনিক বায়েজিদ”পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগকারী হয়ে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ(এনটিআরসিএ) মহাপরিচালক বরাবর২২-০৪-২৫ ইং তারিখে অভিযোগ দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।পরবর্তীতে ১৫-০৯-২৫ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাচাই বাছাই পূর্বক সহকারী পরিচালক মো:সাইফুল ইসলাম (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-২) এনটিআরসিএ,ঢাকা, প্রতিবেদন দেন হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।ফলে ২৮-০৯-২৫ ইং তারিখে ভূয়া সনদের বিরুদ্দে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) বরাবর ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মাহবুবুল হক  আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব দেন সহকারী পরিচালক(সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মো:আসাদুজ্জামান সাহেব কে।তাঁর সহযোগিতায় জনাব মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান,সভাপতি/মাদ্রাসা সুপার এনামুল এবং আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে আগামী ১৯-০১-২৬ ইং তারিখে বেলা ১১:০০ঘটিকায় শুনানীর জন্য উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে সকল তথ্য প্রমাণকসহ স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি দেন।কিন্তু ১৯-০১-২০২৬ ইং তারিখে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে বেলা ১১:০০ ঘটিকায় তো দূরের কথা সারাদিনের মধ্যও উপস্থিত হননি। শুনানীতে উপস্থিত ছিলেন আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।শুনানী গ্রহণ করেন মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।তিনি বলেন,উক্ত শুনানী আমি মহাপরিচালক স্যারকে জানাবো এবং অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান সুপার এনামুল শুনানীতে আসে নাই।আবেদনকারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,স্যার যদি বলেন যে,যেহেতু অভিযুক্তরা আসে নাই সেহেতু ইনডেক্স কর্তন কর,তাহলে আমি সেই ব্যবস্থা নিবো।আর যদি বলেন যে,শুনানির জন্য আর একবার ডাকো তাহলে আমি তাই করবো।মহাপরিচালক স্যারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।


প্রিন্ট