ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভাঙ্গুড়ায় কর্মজীবী নারীদের ব্যানারে ঝাড়ু মিছিল Logo টাকার খেলায় জড়িয়ে গণপূর্তের আশরাফুল Logo জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান টাঙ্গাইল আসছেন বুধবার Logo বাজার থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক লোগো Logo হাসনাত আবদুল্লাহ ফ্যামিলি কার্ডের নামে চাঁদাবাজির লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে Logo শিশু নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি শফিকুর কারাগারে Logo ঠাকুরগাঁও—৩ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচন \ ত্রি—মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা Logo বুধবার বরিশালে যাচ্ছেন তারেক রহমান, চলছে মঞ্চ তৈরি: Logo মহম্মদপুর আইডিয়াল একাডেমীর ৬ষ্ঠ বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান -২০২৬ অনুষ্ঠিত Logo ‎উদিতা কিন্ডারগার্টেন এন্ড  হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ব্যানার-পোস্টার, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই ইসির

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নির্দেশনার তোয়াক্কা করেনি বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মনোনীত প্রার্থী-সমর্থকরা। নির্বাচনি এলাকা থেকে নিজেদের বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করেনি তারা, যা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে এসব প্রার্থীকে আইনের আওতায় আনতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ এখনো দেখা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের আগাম প্রচার সামগ্রী সরাতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অনুরোধ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা দায়িত্বে অবহেলা করেছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরও নির্বাচনি এলাকা থেকে প্রার্থীরা নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করেননি। আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা তা পারেনি।

তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শুধু নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজনৈতিক দল, দলের মনোনীত প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। নির্বাচনি এলাকা থেকে ব্যানার-ফেস্টুন সম্পূর্ণভাবে অপসারণ না করে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীরা দায়িত্বশীল পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনি এলাকা থেকে প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণ করতে নির্দেশ দেয় ইসি। এতে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এগুলো অপসারণ করতে বলা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দেন নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন। তার নির্দেশনার পর রাজধানীর প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণের কাজ শুরু করে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তবে নির্দেশনার একমাস পেরিয়ে গেলেও নগরের পাড়া-মহল্লা ও অলিগলি থেকে ব্যানার-ফেস্টুন সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করতে পারেনি তারা।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, এখনো যদি আগাম প্রচার সামগ্রী থেকে থাকে তাহলে স্থানীয় প্রশাসন তা অপসারণ করবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পাড়া-মহল্লা, অলিগলির বাসা-বাড়ি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের দেওয়াল, বিদ্যুতের খুঁটি, বাঁশের খুঁটি, মেট্রোরেলের পিলার, ফুটওভার ব্রিজের পিলার, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের পোস্টার সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়নি।

ডেমরার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট স্টাফ কোয়ার্টার, হাজিনগর, মাতুয়াইল, কোনাপাড়া, বড় ভাঙ্গা, সারুলিয়া, ডগাইর, নলছাটা, আমুলিয়া, রাজাখালি, মিরপাড়া ও নড়াইবাগ অলিগলি ও অভ্যন্তরীণ সড়কে থাকা প্রার্থীদের পোস্টার অপসারণ করা হয়নি। এছাড়াও মুকদা, বাসাবো, খিলগাঁও, মানিকনগরের পাড়া-মহল্লা ভেতরে প্রার্থীদের পোস্টার দেখা গেছে।

পুরান ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণ করলেও অলিগলি এবং আবাসিক এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, চকবাজার, বংশাল, কোতোয়ালি ও ওয়ারী এলাকায় ছোট-বড় অনেক ফেস্টুন, ব্যানার ও পোস্টার ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।

একই সঙ্গে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, কালশীসহ বিভিন্ন এলাকার অলিগলির ভেতরে প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার রয়েছে। এসব ব্যানার-পোস্টার অপসারণে দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা কোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

তবে প্রার্থীরা বলছেন, এসব অপসারণ করতে অনেক আগেই দলের কর্মী-সমর্থকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে অধিকাংশ স্থান থেকে তা অপসারণ হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অল্প কিছু পোস্টার রয়েছে। সেগুলোও অপসারণ করা হবে।

তাদের দাবি, ইসি নির্দেশনা দেওয়ার পর নতুন করে কোথাও ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো হয়নি। কোথাও মিছিল-মিটিং ও সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে না। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই নিজেদের কার্যক্রম চলমান রেখেছেন তারা।

ইসি বিএনপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

ঘটনাপ্রবাহ: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ব্যানার-পোস্টার, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই ইসির
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) বিএনপির ‘পথের কাঁটা’ বিদ্রোহী প্রার্থী, যে কৌশলে জয়ের স্বপ্ন দেখছে জামায়াত
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
নির্বাচনি মাসে দেশের মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার আশঙ্কা
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
যে ৩ আসনে নির্বাচন করবে এবি পার্টি
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
ফিরলেন সৈকত, সরে দাঁড়ালেন সাত্তার বরিশালে ভোটের মাঠে বিএনপির চার বিদ্রোহী
আরও পড়ুন


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গুড়ায় কর্মজীবী নারীদের ব্যানারে ঝাড়ু মিছিল

পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ব্যানার-পোস্টার, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই ইসির

আপডেট সময় ১০:৫৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নির্দেশনার তোয়াক্কা করেনি বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মনোনীত প্রার্থী-সমর্থকরা। নির্বাচনি এলাকা থেকে নিজেদের বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করেনি তারা, যা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে এসব প্রার্থীকে আইনের আওতায় আনতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ এখনো দেখা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের আগাম প্রচার সামগ্রী সরাতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অনুরোধ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা দায়িত্বে অবহেলা করেছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরও নির্বাচনি এলাকা থেকে প্রার্থীরা নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করেননি। আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা তা পারেনি।

তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শুধু নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজনৈতিক দল, দলের মনোনীত প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। নির্বাচনি এলাকা থেকে ব্যানার-ফেস্টুন সম্পূর্ণভাবে অপসারণ না করে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীরা দায়িত্বশীল পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনি এলাকা থেকে প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণ করতে নির্দেশ দেয় ইসি। এতে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এগুলো অপসারণ করতে বলা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দেন নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন। তার নির্দেশনার পর রাজধানীর প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণের কাজ শুরু করে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তবে নির্দেশনার একমাস পেরিয়ে গেলেও নগরের পাড়া-মহল্লা ও অলিগলি থেকে ব্যানার-ফেস্টুন সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করতে পারেনি তারা।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, এখনো যদি আগাম প্রচার সামগ্রী থেকে থাকে তাহলে স্থানীয় প্রশাসন তা অপসারণ করবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পাড়া-মহল্লা, অলিগলির বাসা-বাড়ি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের দেওয়াল, বিদ্যুতের খুঁটি, বাঁশের খুঁটি, মেট্রোরেলের পিলার, ফুটওভার ব্রিজের পিলার, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের পোস্টার সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়নি।

ডেমরার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট স্টাফ কোয়ার্টার, হাজিনগর, মাতুয়াইল, কোনাপাড়া, বড় ভাঙ্গা, সারুলিয়া, ডগাইর, নলছাটা, আমুলিয়া, রাজাখালি, মিরপাড়া ও নড়াইবাগ অলিগলি ও অভ্যন্তরীণ সড়কে থাকা প্রার্থীদের পোস্টার অপসারণ করা হয়নি। এছাড়াও মুকদা, বাসাবো, খিলগাঁও, মানিকনগরের পাড়া-মহল্লা ভেতরে প্রার্থীদের পোস্টার দেখা গেছে।

পুরান ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণ করলেও অলিগলি এবং আবাসিক এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, চকবাজার, বংশাল, কোতোয়ালি ও ওয়ারী এলাকায় ছোট-বড় অনেক ফেস্টুন, ব্যানার ও পোস্টার ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।

একই সঙ্গে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, কালশীসহ বিভিন্ন এলাকার অলিগলির ভেতরে প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার রয়েছে। এসব ব্যানার-পোস্টার অপসারণে দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা কোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

তবে প্রার্থীরা বলছেন, এসব অপসারণ করতে অনেক আগেই দলের কর্মী-সমর্থকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে অধিকাংশ স্থান থেকে তা অপসারণ হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অল্প কিছু পোস্টার রয়েছে। সেগুলোও অপসারণ করা হবে।

তাদের দাবি, ইসি নির্দেশনা দেওয়ার পর নতুন করে কোথাও ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো হয়নি। কোথাও মিছিল-মিটিং ও সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে না। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই নিজেদের কার্যক্রম চলমান রেখেছেন তারা।

ইসি বিএনপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

ঘটনাপ্রবাহ: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ব্যানার-পোস্টার, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই ইসির
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) বিএনপির ‘পথের কাঁটা’ বিদ্রোহী প্রার্থী, যে কৌশলে জয়ের স্বপ্ন দেখছে জামায়াত
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
নির্বাচনি মাসে দেশের মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার আশঙ্কা
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
যে ৩ আসনে নির্বাচন করবে এবি পার্টি
১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
ফিরলেন সৈকত, সরে দাঁড়ালেন সাত্তার বরিশালে ভোটের মাঠে বিএনপির চার বিদ্রোহী
আরও পড়ুন


প্রিন্ট