ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ৯২ বার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১২:২২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯২ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ৯২ বার
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পেছাল। মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করে।

এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করে আদালত। এ নিয়ে ৯২ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পরিবর্তন হলো।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

মামলা করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে। পরদিন ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেয়। এরপর থেকে সিআইডি তদন্তকাজ পরিচালনা করছে। তবে প্রায় ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন সার ডিলারকে জরিমানা

রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ৯২ বার

আপডেট সময় ১২:২২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ৯২ বার
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পেছাল। মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করে।

এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করে আদালত। এ নিয়ে ৯২ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পরিবর্তন হলো।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

মামলা করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে। পরদিন ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেয়। এরপর থেকে সিআইডি তদন্তকাজ পরিচালনা করছে। তবে প্রায় ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।


প্রিন্ট