ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভাঙ্গুড়ায় কর্মজীবী নারীদের ব্যানারে ঝাড়ু মিছিল Logo টাকার খেলায় জড়িয়ে গণপূর্তের আশরাফুল Logo জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান টাঙ্গাইল আসছেন বুধবার Logo বাজার থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক লোগো Logo হাসনাত আবদুল্লাহ ফ্যামিলি কার্ডের নামে চাঁদাবাজির লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে Logo শিশু নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি শফিকুর কারাগারে Logo ঠাকুরগাঁও—৩ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচন \ ত্রি—মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা Logo বুধবার বরিশালে যাচ্ছেন তারেক রহমান, চলছে মঞ্চ তৈরি: Logo মহম্মদপুর আইডিয়াল একাডেমীর ৬ষ্ঠ বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান -২০২৬ অনুষ্ঠিত Logo ‎উদিতা কিন্ডারগার্টেন এন্ড  হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় স্কুল শিক্ষিকার সংবাদ সন্মেলন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষিকা হাসিনা হোসেনের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলন করেন। ৬ই জানয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৪.৩০ মিনিটে ভাঙ্গুড়া প্রেস ক্লাব এর অস্থায়ী কার্যালয় এ সংবাদ সন্মেলন এর আয়োজন করেন। সংবাদ সন্মেলন হাসিনা খাতুন লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কম্পিউটার ব্যবহার করতে জানেন না বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক। শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা। উক্ত সংবাদে আমার নিয়োগ, রাজনৈতিক পরিচয়, কর্মজীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।
আমি ২০০২ সালে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করি। সে সময় দেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং সংখ্যালঘুদের রাজনীতি করার কথা বলা হতো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ইতিহাসবিরোধী। আমার স্বামী কিংবা আত্মীয়-স্বজন তখন কোনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না—এই তথ্য সহজেই যাচাইযোগ্য।
সংবাদে আমাকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা, ক্লাস না নেওয়া ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ না হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা, সিপিইউ রেকর্ড, প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের বক্তব্যেই এসব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে আমার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক কোনো অভিযোগ করেনি—এটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং উনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদন করে অকৃতকার্য হয় এবং সাবেক এমপি ও তার ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে না পেরে পরিকল্পিতভাবে স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আমি একজন শিক্ষক, সমাজ গঠনের কারিগর। একজন শিক্ষককে সম্মান না করার অর্থ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রত্যাহার, প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপসাংবাদিকতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব—এ কথা সবাইকে জানিয়ে রাখছি।
আপনাদের সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রইলাম। উক্ত সংবাদ সন্মেলনে জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শওকত আলী, তিনি বলেন আমাদের স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক ২০০২ সালে যোগদানের পর স্বনামের সাথে শিক্ষাদান করে আসছে এবং সমস্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষিকা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষক লায়লা আলফাতুন নাহার, সখিনা খতুন, শাহিন ইসলাম, আনজমান আরা, জাহাঙ্গীর আলম, ইকরাম হোসেন,আবুল কালাম আজাদ, নওসাদ ইসলাম, কে এম তারিকুজ্জামানসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা ও পাবনা জেলা ও ভাঙুরা উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গুড়ায় কর্মজীবী নারীদের ব্যানারে ঝাড়ু মিছিল

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় স্কুল শিক্ষিকার সংবাদ সন্মেলন

আপডেট সময় ০৮:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষিকা হাসিনা হোসেনের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলন করেন। ৬ই জানয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৪.৩০ মিনিটে ভাঙ্গুড়া প্রেস ক্লাব এর অস্থায়ী কার্যালয় এ সংবাদ সন্মেলন এর আয়োজন করেন। সংবাদ সন্মেলন হাসিনা খাতুন লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কম্পিউটার ব্যবহার করতে জানেন না বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক। শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা। উক্ত সংবাদে আমার নিয়োগ, রাজনৈতিক পরিচয়, কর্মজীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।
আমি ২০০২ সালে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করি। সে সময় দেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং সংখ্যালঘুদের রাজনীতি করার কথা বলা হতো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ইতিহাসবিরোধী। আমার স্বামী কিংবা আত্মীয়-স্বজন তখন কোনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না—এই তথ্য সহজেই যাচাইযোগ্য।
সংবাদে আমাকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা, ক্লাস না নেওয়া ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ না হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা, সিপিইউ রেকর্ড, প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের বক্তব্যেই এসব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে আমার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক কোনো অভিযোগ করেনি—এটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং উনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদন করে অকৃতকার্য হয় এবং সাবেক এমপি ও তার ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে না পেরে পরিকল্পিতভাবে স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আমি একজন শিক্ষক, সমাজ গঠনের কারিগর। একজন শিক্ষককে সম্মান না করার অর্থ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রত্যাহার, প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপসাংবাদিকতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব—এ কথা সবাইকে জানিয়ে রাখছি।
আপনাদের সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রইলাম। উক্ত সংবাদ সন্মেলনে জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শওকত আলী, তিনি বলেন আমাদের স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক ২০০২ সালে যোগদানের পর স্বনামের সাথে শিক্ষাদান করে আসছে এবং সমস্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষিকা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষক লায়লা আলফাতুন নাহার, সখিনা খতুন, শাহিন ইসলাম, আনজমান আরা, জাহাঙ্গীর আলম, ইকরাম হোসেন,আবুল কালাম আজাদ, নওসাদ ইসলাম, কে এম তারিকুজ্জামানসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা ও পাবনা জেলা ও ভাঙুরা উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।


প্রিন্ট