ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

পীরগঞ্জে ভেবরা বড় পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে স্কুল ফাঁকির অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৭নং হাজিপুর ইউনিয়নের ভেবরা বড় পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত স্কুল ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা উপস্থিত না থাকায় পাঠদান ও শ্রেণি কার্যক্রমসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দুপুর ১ টার সময় বিদ্যালয়ের সকল কক্ষে তালা দেয়া। এসময় ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্র জানায়, প্রতিদিন ১২ টা থেকে সাড়ে ১২টা বেশি হলে ১টার মধ্যেই সব স্যারেরা বাড়ি চলে যায়। এই অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন ধরে । অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পাঠ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং শিক্ষার মান ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে ।
একাধিক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, কিছু শিক্ষক আছে যারা সপ্তাহে কয়েক দিন বিদ্যালয়ে আসেন এবং অল্প সময় অবস্থান করে চলে যান। এতে করে পাঠ্যক্রম শেষ করা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার তৈরি হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তার মুখে ফেলছে। দ্রুত তদন্ত করে এসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক দবিরুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের মিটিংয়ে আছি। এখন কথা বলতে পারব না।
এবিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল্লা বলেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয়ের বিষয়টি জানতে পারলাম, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বিএনপি দলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পীরগঞ্জে ভেবরা বড় পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে স্কুল ফাঁকির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৭নং হাজিপুর ইউনিয়নের ভেবরা বড় পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত স্কুল ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা উপস্থিত না থাকায় পাঠদান ও শ্রেণি কার্যক্রমসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দুপুর ১ টার সময় বিদ্যালয়ের সকল কক্ষে তালা দেয়া। এসময় ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্র জানায়, প্রতিদিন ১২ টা থেকে সাড়ে ১২টা বেশি হলে ১টার মধ্যেই সব স্যারেরা বাড়ি চলে যায়। এই অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন ধরে । অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পাঠ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং শিক্ষার মান ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে ।
একাধিক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, কিছু শিক্ষক আছে যারা সপ্তাহে কয়েক দিন বিদ্যালয়ে আসেন এবং অল্প সময় অবস্থান করে চলে যান। এতে করে পাঠ্যক্রম শেষ করা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার তৈরি হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তার মুখে ফেলছে। দ্রুত তদন্ত করে এসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক দবিরুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের মিটিংয়ে আছি। এখন কথা বলতে পারব না।
এবিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল্লা বলেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয়ের বিষয়টি জানতে পারলাম, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট