ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

আমাদের নতুন পলিসি দুর্নীতিবাজদের স্বার্থে এখন আঘাত হানছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৫৭ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে


প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, আমরা নতুন প্রজেক্ট না এনে নতুন পলিসি তৈরিসহ অনেকগুলো কাজ করছি। সেজন্য যারা এতদিন দুর্নীতি করেছে তাদের স্বার্থে এখন আঘাত হানছে।

সোমবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

তিনি বলেন, যে কোম্পানিগুলো স্বৈরাচারের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে লাইসেন্স নিয়েছে, যাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে শত শত কোটি টাকার দেনা, ব্যাংকগুলোর কাছে ঋণখেলাপি, তারা আমাদের বিরুদ্ধে অর্থ ব্যয় করে অপপ্রচারে লিপ্ত বলে আমি সন্দেহ করি।

দেশীয়দের ব্যবসা আসলে বন্ধ করা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, দেশীয়দের নাম করে একদল স্বৈরাচারের দোসর, মাফিয়া ব্যবসায়ী, যারা এত বছর ধরে সিন্ডিকেট তৈরি করছিল, যারা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে চায় না, যারা এই সিন্ডিকেট ভেঙে নতুনদেরকে এই টেলিকম ব্যবসায় আসতে দিতে চায় না তারাই অপব্যাখ্যা বা অপতথ্য দিচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, যদি একটা দেশে ৪০ শতাংশের বেশি বা তার আশপাশের হারে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধি না হয় তাহলে বুঝতে হবে সেই দেশের ডিজিটাল ইনফ্রাকচারে সমস্যা আছে। আমরা এজন্য বলছি বিটিসিএল ফাইবার নেটওয়ার্ক বর্ধিত করণের যে প্রজেক্টটা বিগত সরকারের আমলে নিয়েছে, যার টেন্ডার বিগত সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সেই টেন্ডারের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিতও বিগত সরকারের আমলে করা হয়েছে। সেসময় একটা এলসিও করা হয়েছিল। আমি এবং নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার আগে সেই এলসিতে ২৯০ কোটি টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে পরিশোধও করা হয়ে গেছে।

‘এই সবকিছু আমলে নিয়ে আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি, আমি নিজে ওনার অফিসে গিয়েছি। আমি সাক্ষাতে বলেছি যেহেতু ২৯০ কোটি টাকা চলে গেছে, যেহেতু এটা সর্বনিম্ন দরদাতা, ক্যাপাসিটি নিয়ে যে অপতথ্যটা এসেছিল সেটা যেহেতু বুয়েট ক্ল্যারিফাই করেছে, আমরা একটা কমিটি করে দেব, সেই কমিটির মাধ্যমে যে ইকুইপমেন্টগুলো (এম১২স এবং এম২৪) তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিটিসিএলের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ব্যাপক হারে স্থাপন করেছে।’

তিনি বলেন, কিছু বিশেষ কোম্পানি এই মার্কেট থেকে বিটিসিএলকে আউট করতে চায়। এই বক্তব্য তুলে ধরার পর দুদক চেয়ারম্যান জানান, ঠিক আছে, আপনাদের বক্তব্যগুলো লিখে জানান। সেই রেফারেন্সে আমরা লিখিত আকারে চিঠি লিখে মূলত আমাদের যুক্তিগুলো তুলে ধরেছি।

যুক্তির বিষয়গুলো তুলে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, যেহেতু টাকাটা চলে গেছে (২৯০ কোটি টাকা) যেহেতু বিটিসিএলের ক্যাপাসিটি বাড়ানো দরকার। বর্তমানে যে ক্যাপাসিটি আছে তা জেলা পর্যায়ে মাত্র এক জিপিপিএস। এটা দিয়ে আসলে বেটার কোয়ালিটির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া অসম্ভব। এই মুহূর্তে বিটিসিএল যদি এই নেটওয়ার্ক সেবাটা আপডেট না করে তাহলে খুব দ্রুত বিটিসিএল মার্কেট আউট হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু বিটিসিএলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক আপডেট করেছে, অন্যদিকে বিগত সরকারের আমলে তৈরি করা বিভিন্ন ঝামেলার কারণে, দুর্নীতির অভিযোগসহ বিভিন্ন কারণে কাজটা বন্ধ রয়েছে বলেই বিটিসিএলের ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না।

‘উপরন্তু বিটিসিএলের মোট প্রজেক্টের মধ্যে দুটো বিষয়। একটা হচ্ছে আইপি নেটওয়ার্ক, আরেকটা হচ্ছে ফাইবার ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্ক। আইপি নেটওয়ার্কের কাজ ইতোমধ্যে ৭০/৮০ শতাংশ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই ৩০০ কোটি টাকা আজ কোনো কাজে আসছে না। কারণ সেই নেটওয়ার্কের জন্য যে সার্ভার বসানো হয়েছে তা সংযোগ করার জন্য ফাইবার ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্কটা দরকার। সেজন্য আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি যে, যেহেতু টাকা চলে গেছে সুতরাং আমাদের কাজটা করতে দেওয়া হোক। আর যেহেতু বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত এসব ইকুইপমেন্ট। আমরা একটা কমিটি করে দেব, সেই কমিটি নিশ্চিত করবে যে সেসব সঠিক ইকুইপমেন্ট কি না।’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, এটাকে ভিন্নভাবে অপব্যাখ্যা করে আমার ও আমার মন্ত্রণালয়, সরকারের চরিত্র হননের একটা চেষ্টা মিডিয়াতে হয়েছে, যেটা আপনারা দেখেছেন। আমি এর নিন্দা জানাই। আমি ও আমার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা কোনোভাবে কোনো দুর্নীতিতে জড়িত নই। এখানে যত ধরনের কাজ হয়েছে প্রত্যেকটা কাজ আগের সরকারের আমলে করা হয়েছে। আমরা শুধু কিছু চিঠি আদান-প্রদান করে আমাদের মতামত ব্যক্ত করেছি। আমরা দুদকের আন্তরিক সহায়তা প্রত্যাশা করেছি। এর বাইরে আমরা কোনো নির্দেশ দিইনি। উল্লেখ্য, এই প্রজেক্টের বিপরীতে দুদকের পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোনো ধরনের কোনো মামলা নেই।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

আমাদের নতুন পলিসি দুর্নীতিবাজদের স্বার্থে এখন আঘাত হানছে

আপডেট সময় ০৮:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫


প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, আমরা নতুন প্রজেক্ট না এনে নতুন পলিসি তৈরিসহ অনেকগুলো কাজ করছি। সেজন্য যারা এতদিন দুর্নীতি করেছে তাদের স্বার্থে এখন আঘাত হানছে।

সোমবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

তিনি বলেন, যে কোম্পানিগুলো স্বৈরাচারের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে লাইসেন্স নিয়েছে, যাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে শত শত কোটি টাকার দেনা, ব্যাংকগুলোর কাছে ঋণখেলাপি, তারা আমাদের বিরুদ্ধে অর্থ ব্যয় করে অপপ্রচারে লিপ্ত বলে আমি সন্দেহ করি।

দেশীয়দের ব্যবসা আসলে বন্ধ করা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, দেশীয়দের নাম করে একদল স্বৈরাচারের দোসর, মাফিয়া ব্যবসায়ী, যারা এত বছর ধরে সিন্ডিকেট তৈরি করছিল, যারা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে চায় না, যারা এই সিন্ডিকেট ভেঙে নতুনদেরকে এই টেলিকম ব্যবসায় আসতে দিতে চায় না তারাই অপব্যাখ্যা বা অপতথ্য দিচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, যদি একটা দেশে ৪০ শতাংশের বেশি বা তার আশপাশের হারে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধি না হয় তাহলে বুঝতে হবে সেই দেশের ডিজিটাল ইনফ্রাকচারে সমস্যা আছে। আমরা এজন্য বলছি বিটিসিএল ফাইবার নেটওয়ার্ক বর্ধিত করণের যে প্রজেক্টটা বিগত সরকারের আমলে নিয়েছে, যার টেন্ডার বিগত সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সেই টেন্ডারের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিতও বিগত সরকারের আমলে করা হয়েছে। সেসময় একটা এলসিও করা হয়েছিল। আমি এবং নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার আগে সেই এলসিতে ২৯০ কোটি টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে পরিশোধও করা হয়ে গেছে।

‘এই সবকিছু আমলে নিয়ে আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি, আমি নিজে ওনার অফিসে গিয়েছি। আমি সাক্ষাতে বলেছি যেহেতু ২৯০ কোটি টাকা চলে গেছে, যেহেতু এটা সর্বনিম্ন দরদাতা, ক্যাপাসিটি নিয়ে যে অপতথ্যটা এসেছিল সেটা যেহেতু বুয়েট ক্ল্যারিফাই করেছে, আমরা একটা কমিটি করে দেব, সেই কমিটির মাধ্যমে যে ইকুইপমেন্টগুলো (এম১২স এবং এম২৪) তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিটিসিএলের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ব্যাপক হারে স্থাপন করেছে।’

তিনি বলেন, কিছু বিশেষ কোম্পানি এই মার্কেট থেকে বিটিসিএলকে আউট করতে চায়। এই বক্তব্য তুলে ধরার পর দুদক চেয়ারম্যান জানান, ঠিক আছে, আপনাদের বক্তব্যগুলো লিখে জানান। সেই রেফারেন্সে আমরা লিখিত আকারে চিঠি লিখে মূলত আমাদের যুক্তিগুলো তুলে ধরেছি।

যুক্তির বিষয়গুলো তুলে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, যেহেতু টাকাটা চলে গেছে (২৯০ কোটি টাকা) যেহেতু বিটিসিএলের ক্যাপাসিটি বাড়ানো দরকার। বর্তমানে যে ক্যাপাসিটি আছে তা জেলা পর্যায়ে মাত্র এক জিপিপিএস। এটা দিয়ে আসলে বেটার কোয়ালিটির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া অসম্ভব। এই মুহূর্তে বিটিসিএল যদি এই নেটওয়ার্ক সেবাটা আপডেট না করে তাহলে খুব দ্রুত বিটিসিএল মার্কেট আউট হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু বিটিসিএলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক আপডেট করেছে, অন্যদিকে বিগত সরকারের আমলে তৈরি করা বিভিন্ন ঝামেলার কারণে, দুর্নীতির অভিযোগসহ বিভিন্ন কারণে কাজটা বন্ধ রয়েছে বলেই বিটিসিএলের ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না।

‘উপরন্তু বিটিসিএলের মোট প্রজেক্টের মধ্যে দুটো বিষয়। একটা হচ্ছে আইপি নেটওয়ার্ক, আরেকটা হচ্ছে ফাইবার ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্ক। আইপি নেটওয়ার্কের কাজ ইতোমধ্যে ৭০/৮০ শতাংশ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই ৩০০ কোটি টাকা আজ কোনো কাজে আসছে না। কারণ সেই নেটওয়ার্কের জন্য যে সার্ভার বসানো হয়েছে তা সংযোগ করার জন্য ফাইবার ডিডব্লিউডিএম নেটওয়ার্কটা দরকার। সেজন্য আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি যে, যেহেতু টাকা চলে গেছে সুতরাং আমাদের কাজটা করতে দেওয়া হোক। আর যেহেতু বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত এসব ইকুইপমেন্ট। আমরা একটা কমিটি করে দেব, সেই কমিটি নিশ্চিত করবে যে সেসব সঠিক ইকুইপমেন্ট কি না।’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, এটাকে ভিন্নভাবে অপব্যাখ্যা করে আমার ও আমার মন্ত্রণালয়, সরকারের চরিত্র হননের একটা চেষ্টা মিডিয়াতে হয়েছে, যেটা আপনারা দেখেছেন। আমি এর নিন্দা জানাই। আমি ও আমার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা কোনোভাবে কোনো দুর্নীতিতে জড়িত নই। এখানে যত ধরনের কাজ হয়েছে প্রত্যেকটা কাজ আগের সরকারের আমলে করা হয়েছে। আমরা শুধু কিছু চিঠি আদান-প্রদান করে আমাদের মতামত ব্যক্ত করেছি। আমরা দুদকের আন্তরিক সহায়তা প্রত্যাশা করেছি। এর বাইরে আমরা কোনো নির্দেশ দিইনি। উল্লেখ্য, এই প্রজেক্টের বিপরীতে দুদকের পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোনো ধরনের কোনো মামলা নেই।


প্রিন্ট