বরগুনায় ইউপি সদস্য পারভিন(৪০) মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে আবুল বাসার (৩০)পিতা আফজাল খান মামলাটি করেন ২০২৪ সালে ইউপি সদস্য পারভিন ও তার মেয়ে তানজিলা(২০)ইউনিয়ন পরিষদে গুরুত্বপুর্ন মিটিং থাকায় তার নিজ বাড়ি হতে পরিষদে যাওয়ার সময় হারুন মুছুল্লির বাড়ির সামনে বসে আবুল বাসার ও ইসমাইল (২৮)পিতা ছত্তার । আরো ৪/৫ জন আসামী অমানবিক ভাবে মারধর করলে বরগুনা দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করেন পারভিন মামলাটি আমলে নেন বিচারক পরে মামলা থেকে খালাস পেয়ে মিমাংসার কথাবলে গোপনে মিথ্যা মামলা করে বিদেশে যান বাসার
এর পরে গত ০৫,১১,২০২৫ তারিখ পারভিন ও তার স্বমী আঃ রহিম ভেন্ডারের সরকারী বন্দবস্ত জমি জে এল ৪৪ নং বরবগী মৌজার১নং খতিয়নের ৯নং সিটে ৪০৭৭ নং দাগে ৮০ শতাংশ জমিতে গাছের বাগান পাকাঘর নির্মান করে ভোগদখলে আছে এবং ৪১২০ নং দাগে ২০ শতাংশ জমিতে ইউপি সদস্য ধান রোপন করলে উক্ত জমির ধান কেটে নিয়ে যায় আবুল বাসার বিদেশ থেকে ফোনের নেতৃতে তার বাবা আফজাল খান ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এই জমির ব্যাপারে আমতলী চীপজুডিসিয়াল ম্যাজিস্টৈট কোর্টে একটা মামলা চলোমান আছে সেই মামলাটি তদন্ত ভার দেন তালতলী থানায় মামলার রিপট বাদী পরভিনের পক্ষে প্রতিবেদন হয়েছে ।
এ ব্যাপারে পারভিনের স্বমি বলেন আফজালখানের পুত্র আবুল বাসার বিদেশে থাকা কবস্হায় তার হুকুমে আফজাল খান আমার বন্দবস্তের জমির ধান জোর পূবক কেটে নিয়ে যায়।
এ সময় আমি বাধা দিলে লাঠি সোটা ও দেশিয় অস্র নিয়ে হামলা করার জন্য আগাইয়া আসলে আমি আত্ন রক্ষা করতে নিজ বাড়িতে চলে আসি।
আমার সহধর্মিনিকে মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে পাঠিয়ে তারা আমাদের হয়রানি করতেছে মিমাংসার কথা বলে গোপনে মিথ্যা মানহানি মামলা করলে সেই মামলায় আমার সহধর্মিনি জেল হাজতে ।
এ ব্যাপারে আফজাল খানকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমার জমির মুখসা আমি খাব খাস থাকলে আমার জমির মধ্যো আমি খাবো
মিমাংসার কথা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কোন মিমাংসা নেই আদালতে বুঝে নেবো।
এ ব্যপারে ইউপি সদস্য পারভিনের নির্বাচনী এলাকা ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের জনগন তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা বলেন আফজাল খান পারভিন মেম্বারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে তার ফসলি জমির ধান দিনের আলোতে জোর পূবক কেটে নিয়ে যায় এবং মেম্বারের স্বমিকে মারধরের হুমকি দেয়।
এবং তারা ২০২৪ সালে মেম্বার ও তার মেয়েকে অহেতুক ভাবে মারধর করলে একটি মামলা হয় সেইমামলা থেকে খালাস পেয়ে মিমাংসার কথা বলে গোপনে মিথ্যা মামলা করেন আবুল বাসার এরপর গোপনে সৌদি চলেযান এই মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানি করার জন্য করেছে মেম্বারে নির্দোষ সে ভালো মানুষ।
প্রিন্ট
নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ 




















