ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
নান্দাইলে প্রতিবন্ধি নজরুলকে হুইলচেয়ার উপহার পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ইপিজেড থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের উদগ্যে মোটরসাইকেল র‌্যালী ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠিত আমার টাকায় আমার সেতু, বাংলাদেশ পদ্মা সেতু প্রতিপাদ্য কে সমনে রেখে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ বাহিনীর আয়োজন নান্দাইলে পদ্মাসেতু উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা আ’লীগের আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত বিসিএস ডাক্তারের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর এক নজরে পদ্মা সেতু নাম : পদ্মা সেতু, আছ সফল দক্ষিণ অঞ্চলের জনগণ পদ্ম সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বিরামপুরে আনন্দ র‍্যালী পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের আনন্দ মিছিল পাথরঘাটার রায়হানপুরে গভীর রাতে ডাকাতে হামলা, আহত -৪ পদ্মা সেতু পারাপারে প্রথম টোল প্রদান করলেন সেতুর স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশে এক দিনেই ৫১৮১ রোগী শনাক্ত মৃত্যু ৪৫

সাইফুল ইসলাম বিপ্লবী স্টাফ রিপোর্টার।।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল আটটা থেকে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় করোনায় সংক্রমিত ৫ হাজার ১৮১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এর আগে একদিনে এত বেশি রোগী শনাক্ত হয়নি। গত বছরের ২ জুলাই করোনায় সংক্রমিত ৪ হাজার ১৯ জন রোগী শনাক্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৬ লাখ ৮৯৫ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৮ হাজার ৯৪৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ১৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ চূড়ায় (পিক) উঠেছিল গত বছরের জুন-জুলাই মাসে। ওই সময়ে, বিশেষ করে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার রোগী শনাক্ত হতো। বেশ কিছুদিন পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার পর এক মাসের বেশি সময় ধরে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী। এর মধ্যে ছয় দিন ধরে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রোগী (প্রতিদিন) শনাক্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরেকটি চূড়ার (পিক) দিকে যাচ্ছে দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে। দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘোষণা আসে ১৮ মার্চ।

দেশে সংক্রমণ শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। ডিসেম্বর থেকে সংক্রমণ আবার কমতে শুরু করে। তবে গত পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এদিন গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

জাতীয় আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নান্দাইলে প্রতিবন্ধি নজরুলকে হুইলচেয়ার উপহার

বাংলাদেশে এক দিনেই ৫১৮১ রোগী শনাক্ত মৃত্যু ৪৫

আপডেট টাইম : ০২:৫৭:৩২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

সাইফুল ইসলাম বিপ্লবী স্টাফ রিপোর্টার।।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল আটটা থেকে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় করোনায় সংক্রমিত ৫ হাজার ১৮১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এর আগে একদিনে এত বেশি রোগী শনাক্ত হয়নি। গত বছরের ২ জুলাই করোনায় সংক্রমিত ৪ হাজার ১৯ জন রোগী শনাক্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৬ লাখ ৮৯৫ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৮ হাজার ৯৪৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ১৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ চূড়ায় (পিক) উঠেছিল গত বছরের জুন-জুলাই মাসে। ওই সময়ে, বিশেষ করে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার রোগী শনাক্ত হতো। বেশ কিছুদিন পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার পর এক মাসের বেশি সময় ধরে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী। এর মধ্যে ছয় দিন ধরে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রোগী (প্রতিদিন) শনাক্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরেকটি চূড়ার (পিক) দিকে যাচ্ছে দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে। দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘোষণা আসে ১৮ মার্চ।

দেশে সংক্রমণ শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। ডিসেম্বর থেকে সংক্রমণ আবার কমতে শুরু করে। তবে গত পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এদিন গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।