ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলায় ভূমিদস্যু মোখলেছ ও মাসুদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছে এক ভুক্তভোগি পরিবার রেলওয়ের নিয়োগ পরীক্ষায়-বানিজ্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বিশ্ব দরবারে দেশ ও জনগণকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে বিরামপুরে ছুটির দিনে বেড়াতে গিয়ে সড়কে গেল প্রাণ শিক্ষার্থী পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে নতুন স্মারক নোট।বাংলাদেশ সরকার ইসরাইলের সেই অভিযোগের পর ইরানের গোয়েন্দা প্রধান বরখাস্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কেমন, জানালেন চিকিৎসকরা টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পদ্মা সেতু নিয়ে ভিডিও বার্তা চীনা রাষ্ট্রদূতের, যা বললেন সাংবা‌দিকতায় পচন ধ‌রে‌ছে! সং‌শোধন জরুরী ! কোন পত্রিকায় কাজ ক‌রেনা অথচ সাংবা‌দিক ?

পদ্মা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি বেগম জিয়াকে হত্যার হুমকির সামিল- মির্জা ফখরুল

সোহেল তানভীর, ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমি বিস্মত হয়েছি।

একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে যে রয়েছেন, তিনি যেভাবেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এ ধরনের উক্তি বলতে পারেন না। বেগম খালেদা জিয়া একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী এটি তাকে সরাসরি হত্যার হুমকির সামিল।

তিনি ১৯ মে বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে শ্রমিকদলের আয়োজনে সভায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত কথা মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়া, এটা কখনও একটা স্বাভাবিক ব্যাপার হতে পারে না। আমি বিস্মিত হয়েছি এবং ক্ষুব্ধ হয়েছি এবং প্রচন্ড নিন্দা জানাই।

আমরা এরকম অরাজনৈতিক, অশালীন বক্তব্য আমরা কেউ কখনও আশা করতে পারি না। কিন্তু উনার স্বভাবই এটা, উনি এভাবেই কথা বলেন ,এবং এভাবেই তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অশালীন ভাষায় কথা বলেন, আচরণ করেন। এটা রাজনৈতিক কোন শিষ্টাচারের মধ্যে পরে না।

আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এ ধরনের একটি নেতৃত্ব জাতি আজকে সহ্য করছে। তিনি ইদানিং যে সকল কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন, এটা পুরোপুরিভাবে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত, স্বাধীনতা সবকিছুর বাহিরে, ভদ্রতার বাহিরে কথাবার্তা বলছেন।

এই কথাটা বলার অর্থই হচ্ছে তিনি একটি হুমকি দেওয়ার মত। এটা কল্পনাও করা যায় না। এটা আমরা যারা সুস্থ চিন্তা ভাবনা করি তারা কখনও করতে পারে না।

আমি এটির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের বক্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি, অন্যথায় আইনের কোন বিষয় থাকলে আমরা তা খতিয়ে দেখবো।

বিদেশীদের নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা তাদের পুরাতন স্বভাব, এটা উনারা সবসময় করে থাকেন। গত ২টা নির্বাচন তারা বাক্স লুট করে নিয়ে গেছে। সব সময় জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়।

জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন না ঘটিয়ে এটা তারা করেছিল। সব সময় আ’লীগ মানুষের উপর দোষ চাপায়। বরং তারাই বিদেশীদের কাছে ধরনা দেয়। অ্যামেরিকা গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রি সাহায্য চেয়েছেন। নির্বাচনে আমাদের সহায়তা করবেন। আমারা বিদেশীদের কাছে এ ধরনের কাজ করিনি। করিওনা।

১/১১ তে তারাই সামরিক সরকার এনেছিল। সেখানেও তারাই ছিল। সেই সরকারকে তিনি সব রকম বৈধতা দিয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে করেছেনও তাই। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি আ’লীগ সরকারকে।

আমরা আগামী নির্বাচনে কোন প্রস্তুতি নিচ্ছি না, তবে নির্বাচন কিভাবে হবে সেটা ভাবছি। আমাদের কথা খুব পরিস্কার যে, এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। একটি নিরপেক্ষ ও নি:দলীয় সরকারের অধিনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তার পরে নতুনভাবে গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগন করার পরিবেশ করতে হবে। সরকারকে জনগণের দাবি মানতে বাধ্য করবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সহ –সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, অর্থ -সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মাহেবুল্লাহ আবু নুর, ঠাকুরগাঁও জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো: আব্দুল জব্বার, পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: কায়েস সহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠের নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় ভূমিদস্যু মোখলেছ ও মাসুদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছে এক ভুক্তভোগি পরিবার

পদ্মা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি বেগম জিয়াকে হত্যার হুমকির সামিল- মির্জা ফখরুল

আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২

সোহেল তানভীর, ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমি বিস্মত হয়েছি।

একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে যে রয়েছেন, তিনি যেভাবেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এ ধরনের উক্তি বলতে পারেন না। বেগম খালেদা জিয়া একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী এটি তাকে সরাসরি হত্যার হুমকির সামিল।

তিনি ১৯ মে বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে শ্রমিকদলের আয়োজনে সভায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত কথা মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়া, এটা কখনও একটা স্বাভাবিক ব্যাপার হতে পারে না। আমি বিস্মিত হয়েছি এবং ক্ষুব্ধ হয়েছি এবং প্রচন্ড নিন্দা জানাই।

আমরা এরকম অরাজনৈতিক, অশালীন বক্তব্য আমরা কেউ কখনও আশা করতে পারি না। কিন্তু উনার স্বভাবই এটা, উনি এভাবেই কথা বলেন ,এবং এভাবেই তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অশালীন ভাষায় কথা বলেন, আচরণ করেন। এটা রাজনৈতিক কোন শিষ্টাচারের মধ্যে পরে না।

আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এ ধরনের একটি নেতৃত্ব জাতি আজকে সহ্য করছে। তিনি ইদানিং যে সকল কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন, এটা পুরোপুরিভাবে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত, স্বাধীনতা সবকিছুর বাহিরে, ভদ্রতার বাহিরে কথাবার্তা বলছেন।

এই কথাটা বলার অর্থই হচ্ছে তিনি একটি হুমকি দেওয়ার মত। এটা কল্পনাও করা যায় না। এটা আমরা যারা সুস্থ চিন্তা ভাবনা করি তারা কখনও করতে পারে না।

আমি এটির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের বক্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি, অন্যথায় আইনের কোন বিষয় থাকলে আমরা তা খতিয়ে দেখবো।

বিদেশীদের নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা তাদের পুরাতন স্বভাব, এটা উনারা সবসময় করে থাকেন। গত ২টা নির্বাচন তারা বাক্স লুট করে নিয়ে গেছে। সব সময় জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়।

জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন না ঘটিয়ে এটা তারা করেছিল। সব সময় আ’লীগ মানুষের উপর দোষ চাপায়। বরং তারাই বিদেশীদের কাছে ধরনা দেয়। অ্যামেরিকা গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রি সাহায্য চেয়েছেন। নির্বাচনে আমাদের সহায়তা করবেন। আমারা বিদেশীদের কাছে এ ধরনের কাজ করিনি। করিওনা।

১/১১ তে তারাই সামরিক সরকার এনেছিল। সেখানেও তারাই ছিল। সেই সরকারকে তিনি সব রকম বৈধতা দিয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে করেছেনও তাই। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি আ’লীগ সরকারকে।

আমরা আগামী নির্বাচনে কোন প্রস্তুতি নিচ্ছি না, তবে নির্বাচন কিভাবে হবে সেটা ভাবছি। আমাদের কথা খুব পরিস্কার যে, এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। একটি নিরপেক্ষ ও নি:দলীয় সরকারের অধিনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তার পরে নতুনভাবে গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগন করার পরিবেশ করতে হবে। সরকারকে জনগণের দাবি মানতে বাধ্য করবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সহ –সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, অর্থ -সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মাহেবুল্লাহ আবু নুর, ঠাকুরগাঁও জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো: আব্দুল জব্বার, পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: কায়েস সহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠের নেতৃবৃন্দ।